চরফ্যাশনের চরাঞ্চলে শীতে কাঁপছে ৫০ হাজার মানুষ
চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি
চরফ্যাশনের প্রায় ২০টি চরে শীত জেঁকে বসেছে। উপকূলের চরাঞ্চলে ৫০ হাজার মানুষ শীতে কাঁপছে। মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীবেষ্টিত চরফ্যাশনের দূরবর্তী বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা আর হাড়কাঁপানো শীতে একদম কাবু হয়ে পড়েছে।
গত দু’দিন সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীবেষ্টিত এই চরফ্যাশন উপজেলার ছোট-বড় ২০টি চরের মধ্যে শিকদারের চর, জাহানপুর, চর হাছিনা, চর মোতাহার, চর লিয়ালিন, চর মনোহর, চরমাদ্রাজ, চর আশ্রাফ আলম, ঢাল চর, পাতিলা, চর ফারুকি, চর বদনা, মেঘবাথান, চর আফজাল, চর নাজিম উদ্দিন, চর হামিদপুর, চর বেরীভাঙ্গার বৃহদাংশ আধুনিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এক জনপদ। চরের গ্রামগুলো একেকটি যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। চরাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষই ভূমিহীন। বৃহত্ এই চরের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করলেও অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিত্সা ও বাসস্থানসহ সব নাগরিক মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তেঁতুলিয়া ও মেঘনার বৃহত্ এই চরগুলোতে শীত যেন জেঁকে বসেছে। বিকাল হতেই মানুষ সব কাজ ফেলে জরাজীর্ণ ঘরে জড়োসড়ো হয়ে থাকছে। হাড়কাঁপানো শীতে শীতবস্ত্রের অভাবে এসব দরিদ্র মানুষের বেশির ভাগই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।
চরশিকদারের ময়ফুল বেগম (৭০) বলেন, আমরা নদীর পারের মানুষ। এই হানে শীত বেশি। নাতনাতনি নিয়া কোনো রহম বাইচ্ছা আছি। গত দুটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আইলা ও সিডরে ময়ফুল বেগমের ঘরটি পানিতে ভেসে যায়। অর্থের অভাবে ঘর আর তোলা হয়নি। কোনোমতে ঝুপড়ি বানিয়ে খাসজমিতে পড়ে আছেন। ময়ফুলের শীতবস্ত্র বলতে পুরনো কাপগের তৈরি ছেড়া দুটি কাঁথা। এ দিয়েই ৪ নাতনিকে নিয়ে রাত কাটান। সকালে খড়ের স্তূপে আগুন দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করেন। ময়ফুলের আকুতি, দেশের রাজার ভোট অইয়া গেছে। তার পরও সরকার থেইক্যা আমাগো কেউ দেখতে আইল না।
বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লায়ন এম নজরুল ইসলাম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সাবেক সচিব মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান, গত দু’বছর আমরা বিচ্ছিন্ন চরের মানুষদের শীত বস্ত্র দিয়েছি। এবার উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে ১০ হাজার হতদরিদ্রের মাঝে শীতবস্ত্রহীন মানুষের জন্য ১০ হাজার কম্বল বিতরণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই অনুযায়ী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ফাউন্ডেশনের কর্মীরা প্রকৃত দুস্থদের তালিকা তৈরি করছে। এদিকে চরঞ্চলের শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষের দাবি চৌধুরী ফাউন্ডেশনের মতো চরফ্যাশন উপজেলার বিত্তবান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকেও চরের এই মানুষের জন্য শীতবস্ত্র নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
গত দু’দিন সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীবেষ্টিত এই চরফ্যাশন উপজেলার ছোট-বড় ২০টি চরের মধ্যে শিকদারের চর, জাহানপুর, চর হাছিনা, চর মোতাহার, চর লিয়ালিন, চর মনোহর, চরমাদ্রাজ, চর আশ্রাফ আলম, ঢাল চর, পাতিলা, চর ফারুকি, চর বদনা, মেঘবাথান, চর আফজাল, চর নাজিম উদ্দিন, চর হামিদপুর, চর বেরীভাঙ্গার বৃহদাংশ আধুনিক জীবনের সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এক জনপদ। চরের গ্রামগুলো একেকটি যেন বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। চরাঞ্চলের অধিকাংশ মানুষই ভূমিহীন। বৃহত্ এই চরের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ বসবাস করলেও অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিত্সা ও বাসস্থানসহ সব নাগরিক মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। তেঁতুলিয়া ও মেঘনার বৃহত্ এই চরগুলোতে শীত যেন জেঁকে বসেছে। বিকাল হতেই মানুষ সব কাজ ফেলে জরাজীর্ণ ঘরে জড়োসড়ো হয়ে থাকছে। হাড়কাঁপানো শীতে শীতবস্ত্রের অভাবে এসব দরিদ্র মানুষের বেশির ভাগই নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছে।
চরশিকদারের ময়ফুল বেগম (৭০) বলেন, আমরা নদীর পারের মানুষ। এই হানে শীত বেশি। নাতনাতনি নিয়া কোনো রহম বাইচ্ছা আছি। গত দুটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আইলা ও সিডরে ময়ফুল বেগমের ঘরটি পানিতে ভেসে যায়। অর্থের অভাবে ঘর আর তোলা হয়নি। কোনোমতে ঝুপড়ি বানিয়ে খাসজমিতে পড়ে আছেন। ময়ফুলের শীতবস্ত্র বলতে পুরনো কাপগের তৈরি ছেড়া দুটি কাঁথা। এ দিয়েই ৪ নাতনিকে নিয়ে রাত কাটান। সকালে খড়ের স্তূপে আগুন দিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করেন। ময়ফুলের আকুতি, দেশের রাজার ভোট অইয়া গেছে। তার পরও সরকার থেইক্যা আমাগো কেউ দেখতে আইল না।
বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন লায়ন এম নজরুল ইসলাম চৌধুরী ফাউন্ডেশনের সাবেক সচিব মোহাম্মদ ইয়াছিন জানান, গত দু’বছর আমরা বিচ্ছিন্ন চরের মানুষদের শীত বস্ত্র দিয়েছি। এবার উপজেলার ২০টি ইউনিয়নে ১০ হাজার হতদরিদ্রের মাঝে শীতবস্ত্রহীন মানুষের জন্য ১০ হাজার কম্বল বিতরণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সেই অনুযায়ী উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে ফাউন্ডেশনের কর্মীরা প্রকৃত দুস্থদের তালিকা তৈরি করছে। এদিকে চরঞ্চলের শীতে কষ্ট পাওয়া মানুষের দাবি চৌধুরী ফাউন্ডেশনের মতো চরফ্যাশন উপজেলার বিত্তবান ও স্থানীয় সংসদ সদস্যকেও চরের এই মানুষের জন্য শীতবস্ত্র নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


