তীব্র শীতে জনদুর্ভোগ
আমার দেশ ডেস্ক
দেশের বিভিন্ন স্থানে গত কয়েকদিন যাবত শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শীতবস্ত্রহীন দরিদ্র মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে। দেখা দিয়েছে কোল্ড ডায়রিয়া, নিউমোনিয়াসহ নানা রোগ, শীতে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে। অন্যদিকে ঘন কুয়াশায় যানবাহন চলাচলেও বিঘ্ন ঘটছে। শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় জনদুর্ভোগের খবর পাঠিয়েছেন আমাদের প্রতিনিধিরা।
গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় গত তিন দিনে কুয়াশা কিছুটা হালকা হয়ে এলেও শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। শীতের এ তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অথচ সরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ না করায় দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষকে শীতবস্ত্রের জন্য ধনীদের দারস্থ হতে দেখা যাচ্ছে।
ভৈরব : গত কয়েক দিনের ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে ভৈরবের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনভর ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে গোটা এলাকা। কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সারাদিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা। ফলে এলাকার দরিদ্র ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। অপরদিকে সড়ক ও নৌপথে যানবাহন চলাচলে তৈরি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বেড়ে গেছে যাত্রীদের দুর্ভোগ। অন্যদিকে শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে স্বল্প আয়ের লোকদের ভিড় বেড়ে গেছে স্থানীয় পুরনো কাপড়ের বাজারগুলোতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঘন কুয়াশার কারণে ভৈরব নদী বন্দর থেকে সিলেট, সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলের ৩০টি উপজেলার সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নদীপথে চলাচলকারী ওই বিশাল অঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অপরদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্বাভাবিক গতি নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে যানবাহনগুলো গন্তব্যে পৌঁছতে না পারায় যাত্রী দুর্ভোগ বেড়েছে। সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের।
দৌলতখান (ভোলা) : গত কয়েক দিনের হাড়কাঁপানো শীতে হতদরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। তীব্র শীতে অনেকেই সন্ধ্যার পর বাসাবাড়ি থেকে হাটবাজারে বের হচ্ছে না। সকাল ৯টার আগে ব্যবসায়ীরাও দোকানপাট খুলছেন না। ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা। মেঘনার ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবানীপুর ও সৈয়দপুর গুপ্তগঞ্জ এলাকার মানুষের ঘরে কোনো শীতবস্ত্র নেই। মেঘনায় সর্বস্বান্ত এসব মানুষ শীতে নিদারুণ কষ্ট পাচ্ছে।
এসব শীতার্ত মাুনষের সাহায্যে সরকারি-বেসরকারি কোনো সংস্থা এগিয়ে আসেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, এসব অসহায় মানুষের জন্য শীতবস্ত্র চেয়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে; এখনও মেলেনি।
তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) : ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত পড়ায় তাড়াশে সরকারি সহযোগিতায় তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বস্ত্রহীন মানুষ চরম কষ্ট পাচ্ছে। অপরদিকে শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু এবং বৃদ্ধরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চলনবিল অধ্যুষিত বৃহত্তর তাড়াশ উপজেলায় শুধু ২শ’ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত বরাদ্দ কম্বলগুলো বিতরণ করা হয়নি।
গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় গত তিন দিনে কুয়াশা কিছুটা হালকা হয়ে এলেও শীতের তীব্রতা বেড়ে গেছে। শীতের এ তীব্রতায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। অথচ সরকারিভাবে শীতবস্ত্র বিতরণ না করায় দুস্থ ও ছিন্নমূল মানুষকে শীতবস্ত্রের জন্য ধনীদের দারস্থ হতে দেখা যাচ্ছে।
ভৈরব : গত কয়েক দিনের ঘন কুয়াশা আর তীব্র শীতে ভৈরবের জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। দিনভর ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকছে গোটা এলাকা। কুয়াশার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে শীতের তীব্রতা। সারাদিনেও মিলছে না সূর্যের দেখা। ফলে এলাকার দরিদ্র ও খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। অপরদিকে সড়ক ও নৌপথে যানবাহন চলাচলে তৈরি হয়েছে প্রতিবন্ধকতা। বেড়ে গেছে যাত্রীদের দুর্ভোগ। অন্যদিকে শীতের তীব্রতা থেকে বাঁচতে স্বল্প আয়ের লোকদের ভিড় বেড়ে গেছে স্থানীয় পুরনো কাপড়ের বাজারগুলোতে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ঘন কুয়াশার কারণে ভৈরব নদী বন্দর থেকে সিলেট, সুনামগঞ্জসহ হাওরাঞ্চলের ৩০টি উপজেলার সঙ্গে নৌ-যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। ফলে নদীপথে চলাচলকারী ওই বিশাল অঞ্চলের হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অপরদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে চলাচলকারী যানবাহনকে দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্বাভাবিক গতি নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় নির্দিষ্ট সময়ে যানবাহনগুলো গন্তব্যে পৌঁছতে না পারায় যাত্রী দুর্ভোগ বেড়েছে। সৃষ্টি হচ্ছে যানজটের।
দৌলতখান (ভোলা) : গত কয়েক দিনের হাড়কাঁপানো শীতে হতদরিদ্র অসহায় শীতার্ত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলেছে। তীব্র শীতে অনেকেই সন্ধ্যার পর বাসাবাড়ি থেকে হাটবাজারে বের হচ্ছে না। সকাল ৯টার আগে ব্যবসায়ীরাও দোকানপাট খুলছেন না। ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে হাড়কাঁপানো ঠাণ্ডা। মেঘনার ভাঙনে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ভবানীপুর ও সৈয়দপুর গুপ্তগঞ্জ এলাকার মানুষের ঘরে কোনো শীতবস্ত্র নেই। মেঘনায় সর্বস্বান্ত এসব মানুষ শীতে নিদারুণ কষ্ট পাচ্ছে।
এসব শীতার্ত মাুনষের সাহায্যে সরকারি-বেসরকারি কোনো সংস্থা এগিয়ে আসেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইফুল ইসলাম জানান, এসব অসহায় মানুষের জন্য শীতবস্ত্র চেয়ে বার্তা পাঠানো হয়েছে; এখনও মেলেনি।
তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) : ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীত পড়ায় তাড়াশে সরকারি সহযোগিতায় তেমন উল্লেখযোগ্য কোনো সুযোগ-সুবিধা না পাওয়ায় বস্ত্রহীন মানুষ চরম কষ্ট পাচ্ছে। অপরদিকে শীতজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু এবং বৃদ্ধরা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি চলনবিল অধ্যুষিত বৃহত্তর তাড়াশ উপজেলায় শুধু ২শ’ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এ সংবাদ লেখা পর্যন্ত বরাদ্দ কম্বলগুলো বিতরণ করা হয়নি।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


