ড্রাইভারের বদলি নিয়ে তোলপাড়
ভাণ্ডারিয়া প্রতিনিধি
ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারের বদলি নিয়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে রিট আবেদন করা হয়েছে। হাইকোর্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ৭ কর্মকর্তাকে শোকজ করেছেন।
জানা গেছে, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রাইভার মোঃ মোজ্জাম্মেল হোসেনকে ২ নভেম্বর ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করে এবং ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রাইভার মোঃ বাবুল খানকে পিরোজপুর সির্ভিল সার্জন অফিসে বদলি করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রাইভার মোজ্জাম্মেল হোসেনকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মানুষ যোগদান করতে না দেয়ার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানসহ উপজেলার সাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক বরাবরে আবেদন করলে বিতর্কিত ড্রাইভার মোজ্জাম্মেল হোসেনকে ২৬ নভেম্বর পুনরায় মেহেন্দিগঞ্জে প্রত্যাহার করে নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ড্রাইভার মোঃ মোজাম্মেল হোসেন পরিচালকের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে হাইকোটে ১৪ ডিসেম্বর রিট আবেদন করে। এতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক, পরিচালক (স্বাস্থ্য), বরিশাল বিভাগ, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন), সির্ভিল সার্জন, পিরোজপুর, উপজেলা স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা, ভাণ্ডারিয়া ও মেহেন্দিগঞ্জকে বিবাদী করা হয়।
একটি সূত্র জানায়, বিগত সরকারের আমলে ওই ড্রাইভার মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরিরত অবস্থায় প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে রাতারাতি প্রচুর কালোটাকা, বাস ও ট্রাকের মালিক হয়ে যায়। বর্তমানে ওই বাস মঠবাড়িয়া-ভাণ্ডারিয়া-পিরোজপুর সড়কে চলাচল করছে। সে কৌশলে ওই গাড়ির মালিক হিসেবে স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করে বলে জানা যায়। ড্রাইভার মোজ্জাম্মেল তার ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার জন্য মেহেন্দিগঞ্জ থেকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বেছে নিয়েছিল। এদিকে সাধারণ মানুষ ওই ড্রাইভারের কাছ থেকে সেবা পাবে না—এ কারণেই তাকে প্রত্যাখ্যান করে।
জানা গেছে, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রাইভার মোঃ মোজ্জাম্মেল হোসেনকে ২ নভেম্বর ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বদলি করে এবং ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রাইভার মোঃ বাবুল খানকে পিরোজপুর সির্ভিল সার্জন অফিসে বদলি করা হয়।
মেহেন্দিগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ড্রাইভার মোজ্জাম্মেল হোসেনকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মানুষ যোগদান করতে না দেয়ার জন্য উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যানসহ উপজেলার সাত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বরিশাল স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক বরাবরে আবেদন করলে বিতর্কিত ড্রাইভার মোজ্জাম্মেল হোসেনকে ২৬ নভেম্বর পুনরায় মেহেন্দিগঞ্জে প্রত্যাহার করে নেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ড্রাইভার মোঃ মোজাম্মেল হোসেন পরিচালকের বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হয়ে হাইকোটে ১৪ ডিসেম্বর রিট আবেদন করে। এতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, মহাপরিচালক, পরিচালক (স্বাস্থ্য), বরিশাল বিভাগ, সহকারী পরিচালক (প্রশাসন), সির্ভিল সার্জন, পিরোজপুর, উপজেলা স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা, ভাণ্ডারিয়া ও মেহেন্দিগঞ্জকে বিবাদী করা হয়।
একটি সূত্র জানায়, বিগত সরকারের আমলে ওই ড্রাইভার মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চাকরিরত অবস্থায় প্রভাবশালী এক নেতার ছত্রছায়ায় থেকে বিভিন্ন দুর্নীতির মাধ্যমে রাতারাতি প্রচুর কালোটাকা, বাস ও ট্রাকের মালিক হয়ে যায়। বর্তমানে ওই বাস মঠবাড়িয়া-ভাণ্ডারিয়া-পিরোজপুর সড়কে চলাচল করছে। সে কৌশলে ওই গাড়ির মালিক হিসেবে স্ত্রীর নাম ব্যবহার করে ব্যবসা পরিচালনা করে বলে জানা যায়। ড্রাইভার মোজ্জাম্মেল তার ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনার জন্য মেহেন্দিগঞ্জ থেকে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বেছে নিয়েছিল। এদিকে সাধারণ মানুষ ওই ড্রাইভারের কাছ থেকে সেবা পাবে না—এ কারণেই তাকে প্রত্যাখ্যান করে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


