কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ
কুমারখালী (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে ভর্তি পরীক্ষায় নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে বিক্ষোভ করেছেন অভিভাবকরা। সোমবার এ ব্যাপারে অভিভাবকরা জোটবদ্ধ হয়ে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে দেখা করেন। মঙ্গলবার অভিভাবকরা ডিসি কোর্ট চত্বরে জড়ো হয়ে জিলা স্কুলের দুর্নীতিবাজ পাঁচ শিক্ষকের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর জিলা স্কুলে ৩য় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় শ্রেণীর ২৪০টি আসনের বিপরীতে ফরম বিক্রি হয় ১ হাজার ১৯১টি। কয়েকজন অভিভাবক জানান, জিলা স্কুলের শিক্ষক এফকে লোটাস, শ্যামল, মাহাবুব, শ্রীবাস ও আনিসুজ্জামান নিজেদের বাড়িতে কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রদের পড়িয়ে আসছিলেন। তাদের কাছে ভর্তি পরীক্ষার জন্য যারা কোচিং করেছে, তারাই শুধু উত্তীর্ণ হয়েছে। শ্রেণীতে মোট আসন ২৪০টি হলেও পরে আরও ৮ জনকে অবৈধভাবে ভর্তি করা হয়েছে বলে অভিভাবকরা জানান। এদিকে ৬ষ্ঠ শ্রেণীত ২০০৮ সালে ১২০ জনকে ভর্তি করা হলেও এবার সেক্ষেত্রে মাত্র ৩১ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এ কারণে অনেক মেধাবী ছাত্র এবার জিলা স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না।
জানা গেছে, ২৬ ও ২৭ ডিসেম্বর জিলা স্কুলে ৩য় ও ৬ষ্ঠ শ্রেণীর ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় শ্রেণীর ২৪০টি আসনের বিপরীতে ফরম বিক্রি হয় ১ হাজার ১৯১টি। কয়েকজন অভিভাবক জানান, জিলা স্কুলের শিক্ষক এফকে লোটাস, শ্যামল, মাহাবুব, শ্রীবাস ও আনিসুজ্জামান নিজেদের বাড়িতে কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রদের পড়িয়ে আসছিলেন। তাদের কাছে ভর্তি পরীক্ষার জন্য যারা কোচিং করেছে, তারাই শুধু উত্তীর্ণ হয়েছে। শ্রেণীতে মোট আসন ২৪০টি হলেও পরে আরও ৮ জনকে অবৈধভাবে ভর্তি করা হয়েছে বলে অভিভাবকরা জানান। এদিকে ৬ষ্ঠ শ্রেণীত ২০০৮ সালে ১২০ জনকে ভর্তি করা হলেও এবার সেক্ষেত্রে মাত্র ৩১ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এ কারণে অনেক মেধাবী ছাত্র এবার জিলা স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


