মঠবাড়িয়ায় ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে আহত ৭
মঠবাড়িয়া প্রতিনিধি
মঠবাড়িয়া পৌরসভার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামে রোববার একটি সংখ্যালঘু পরিবারের বিরোধপূর্ণ জমির ধান কাটা নিয়ে সংঘর্ষে ৭ জন মারাত্মক আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন ফারুক, কামাল, হারুন, বেল্লাল, আলতাফ হোসেন, আলী আকবর ও সুমন বেপারী। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের সংখ্যালঘু সুমতি রানী শীলের সঙ্গে সাবেক কমিশনার আদম আলী মল্লিকের ১২ বিঘা জমি নিয়ে ২৫ বছর ধরে মামলা চলছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। রোববার সকালে সংখালঘু পরিবারের সুমতি রানী শীলের পক্ষের লোকজন ওই জমিতে ধান কাটার প্রস্তুতি নিতে গেলে আদম আলী মল্লিকের ২০-২৫ জনের একটি লাঠিয়াল বাহিনী পক্ষের লোকজন বাধা দেয় এবং তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ৭ জন আহত হন। এ খবর পেয়ে পৌর মেয়র রফিউদ্দিন ফেরদৌস, ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন, ওসি নুরুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এদিকে সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য মৃণাল শীলের বাড়ি ভাংচুর করে এবং মালামাল লুট করে নেয়। এ সময় ওই এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করলে সংখ্যালঘুরা বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে যায়। বর্তমানে ওই এলাকার ৩০টি সংখ্যালঘু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ মিঠাখালী গ্রামের সংখ্যালঘু সুমতি রানী শীলের সঙ্গে সাবেক কমিশনার আদম আলী মল্লিকের ১২ বিঘা জমি নিয়ে ২৫ বছর ধরে মামলা চলছে। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে দেওয়ানি আদালতে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। রোববার সকালে সংখালঘু পরিবারের সুমতি রানী শীলের পক্ষের লোকজন ওই জমিতে ধান কাটার প্রস্তুতি নিতে গেলে আদম আলী মল্লিকের ২০-২৫ জনের একটি লাঠিয়াল বাহিনী পক্ষের লোকজন বাধা দেয় এবং তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে ৭ জন আহত হন। এ খবর পেয়ে পৌর মেয়র রফিউদ্দিন ফেরদৌস, ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন, ওসি নুরুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এদিকে সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্য মৃণাল শীলের বাড়ি ভাংচুর করে এবং মালামাল লুট করে নেয়। এ সময় ওই এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করলে সংখ্যালঘুরা বাড়ি ঘর ছেড়ে চলে যায়। বর্তমানে ওই এলাকার ৩০টি সংখ্যালঘু পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। এ ব্যাপারে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


