বিডিআর বিদ্রোহের বিচার : রাঙামাটিতে ৭৫ জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল
রাঙামাটি প্রতিনিধি
রাঙামাটির বিশেষ আদালত-৪-এ বিচারাধীন রাঙামাটির রাজনগর ক্যাম্পের অভিযুক্ত ৯ জওয়ানের বিচার কাজ ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করে বাঘাইছড়ি উপজেলার ৯ ব্যাটালিয়নের বিদ্রোহের বিচার কাজ শুরু করেছেন।
গতকাল রাঙামাটি সেক্টর হেডকোয়ার্টারে স্থাপিত বিশেষ আদালত-৪-এর কার্যক্রম সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়। গত তিনদিনে রাজনগর ক্যাম্পে বিদ্রোহ মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। পরে আদালত রাজনগর ক্যাম্পের অভিযুক্তদের বিচার ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বিরতি দেন। অভিযুক্তদের আদালতে সাফাই সাক্ষীর সুযোগ থাকলেও রাজনগর ক্যাম্পের অভিযুক্তরা সাফাই সাক্ষী না দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় চায়। পরে আদালত ৯ জওয়ানকে তাদের বক্তব্য আদালতে উপস্থাপনের সময় দেন।
বিরতির পর বেলা ৩টায় আবার আদালত বসলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৯ ব্যাটালিয়নের বিদ্রোহের বিচার কাজ শুরু হয়। আদালতের বিচার কাজের শুরুতে ৯ ব্যাটালিয়নের নায়েব সুবেদার মোঃ রেজাউর রহমান (সিগন্যাল) ব্যাটালিয়নের ৭৫ জওয়ানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ দাখিল করেন। এর আগে মামলার প্রসিকিউটর লে. কর্নেল শামীমুর রহমান তার বক্তব্য তুলে ধরেন। আদালত প্রসিকিউটরের বক্তব্য শোনেন এবং উত্থাপিত অভিযোগ আমলে নেন।
অভিযুক্ত ৭৫ জওয়ানের মধ্যে ১৭ জন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রাঙামাটি জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। বাকি ৫৮ জন বিডিআর মারিশ্যা জোনে কোয়ার্টার গার্ডে অন্তরীণ ছিলেন।
আদালত কোয়ার্টার গার্ডে অন্তরীণ ৫৮ জওয়ানকে গ্রেফতার করে রাঙামাটি জেলহাজতে পাঠানোর জন্য মামলার প্রসিকিউটরকে ব্যবস্থা গ্রহণ ও আজকের আদালতে অভিযুক্ত ৭৫ জওয়ানকে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর আদালত আজ সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়।
গতকাল আদালত শেষ হওয়ার আগে বিডিআর মারিশ্যা জোনে কোয়ার্টার গার্ডে অন্তরীণ ৫৮ জওয়ানকে রাঙামাটি সেক্টর হেডকোয়ার্টারে হাজির করা হয়। পরে তাদের আদালতের নির্দেশ মতে রাঙামাটি জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত ৭৫ জনকে আজকের আদালতে হাজির করা হবে।
রাঙামাটি বিডিআর সেক্টরের ম্যাকানিকাল ট্রান্সফোর্ট ভবনের দ্বিতীয়তলায় স্থাপিত বিশেষ এ আদালতে একটানা বিচার কার্যক্রম চলবে। বিচারক প্যানেলে উপস্থিত রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ সোহরাওয়ার্দী, বিডিআর কর্মকর্তা লে. কর্নেল মোঃ আবদুর রউফ ও মেজর গোলাম মোস্তফা আল মামুন।
মামলার পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লে. কর্নেল হাবিবুল করিম। বিশেষ পিপি হিসেবে তাকে সহয়তা করেন সরকারি কৌঁসুলি মোসারফ হোসেন কাজল।
বিডিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে সেনাবাহিনীর সদস্য, র্যাব ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
গতকাল রাঙামাটি সেক্টর হেডকোয়ার্টারে স্থাপিত বিশেষ আদালত-৪-এর কার্যক্রম সকাল সাড়ে ৯টায় শুরু হয়। গত তিনদিনে রাজনগর ক্যাম্পে বিদ্রোহ মামলার ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। পরে আদালত রাজনগর ক্যাম্পের অভিযুক্তদের বিচার ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে বিরতি দেন। অভিযুক্তদের আদালতে সাফাই সাক্ষীর সুযোগ থাকলেও রাজনগর ক্যাম্পের অভিযুক্তরা সাফাই সাক্ষী না দিয়ে আত্মপক্ষ সমর্থনের সময় চায়। পরে আদালত ৯ জওয়ানকে তাদের বক্তব্য আদালতে উপস্থাপনের সময় দেন।
বিরতির পর বেলা ৩টায় আবার আদালত বসলে রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার ৯ ব্যাটালিয়নের বিদ্রোহের বিচার কাজ শুরু হয়। আদালতের বিচার কাজের শুরুতে ৯ ব্যাটালিয়নের নায়েব সুবেদার মোঃ রেজাউর রহমান (সিগন্যাল) ব্যাটালিয়নের ৭৫ জওয়ানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের অভিযোগ দাখিল করেন। এর আগে মামলার প্রসিকিউটর লে. কর্নেল শামীমুর রহমান তার বক্তব্য তুলে ধরেন। আদালত প্রসিকিউটরের বক্তব্য শোনেন এবং উত্থাপিত অভিযোগ আমলে নেন।
অভিযুক্ত ৭৫ জওয়ানের মধ্যে ১৭ জন রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় রাঙামাটি জেলা কারাগারে আটক রয়েছেন। বাকি ৫৮ জন বিডিআর মারিশ্যা জোনে কোয়ার্টার গার্ডে অন্তরীণ ছিলেন।
আদালত কোয়ার্টার গার্ডে অন্তরীণ ৫৮ জওয়ানকে গ্রেফতার করে রাঙামাটি জেলহাজতে পাঠানোর জন্য মামলার প্রসিকিউটরকে ব্যবস্থা গ্রহণ ও আজকের আদালতে অভিযুক্ত ৭৫ জওয়ানকে হাজির করার নির্দেশ দেয়া হয়। এরপর আদালত আজ সকাল সাড়ে ৯টা পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করা হয়।
গতকাল আদালত শেষ হওয়ার আগে বিডিআর মারিশ্যা জোনে কোয়ার্টার গার্ডে অন্তরীণ ৫৮ জওয়ানকে রাঙামাটি সেক্টর হেডকোয়ার্টারে হাজির করা হয়। পরে তাদের আদালতের নির্দেশ মতে রাঙামাটি জেলা কারাগারে পাঠানো হয়। অভিযুক্ত ৭৫ জনকে আজকের আদালতে হাজির করা হবে।
রাঙামাটি বিডিআর সেক্টরের ম্যাকানিকাল ট্রান্সফোর্ট ভবনের দ্বিতীয়তলায় স্থাপিত বিশেষ এ আদালতে একটানা বিচার কার্যক্রম চলবে। বিচারক প্যানেলে উপস্থিত রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেলের প্রতিনিধি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ সোহরাওয়ার্দী, বিডিআর কর্মকর্তা লে. কর্নেল মোঃ আবদুর রউফ ও মেজর গোলাম মোস্তফা আল মামুন।
মামলার পিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন লে. কর্নেল হাবিবুল করিম। বিশেষ পিপি হিসেবে তাকে সহয়তা করেন সরকারি কৌঁসুলি মোসারফ হোসেন কাজল।
বিডিআর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে সেনাবাহিনীর সদস্য, র্যাব ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


