পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে চীনের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাত্ : সড়কপথে চীনের সঙ্গে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ
কূটনৈতিক রিপোর্টার
মিয়ানমার হয়ে চীনের সঙ্গে সড়কপথে যুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ। এজন্য ত্রিদেশীয় সংযোগ সড়ক নির্মাণের উদ্যোগ বাস্তবায়নে চীনের সঙ্গে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে চীনা সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হু ঝেং উ সৌজন্য সাক্ষাত্ করতে এলে তিনি বাংলাদেশের এই আগ্রহের কথা জানান।
দুই মন্ত্রী বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ, বাণিজ্য বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনা মন্ত্রীকে জানান, বাংলাদেশ একচীন নীতিতে বিশ্বাসী। তিব্বত ও তাইওয়ান সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় ঢাকা।
জ্বালানি, বিদ্যুত্, ওষুধ ও যোগাযোগ খাতে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনা মন্ত্রীকে বলেন, মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিং পর্যন্ত সড়কপথে যুক্ত হওয়ার যে উদ্যোগ রয়েছে, তা সফল করতে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ।
এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, জলবায়ু বিষয়ক কোপেনহেগেন সম্মেলনে চীনের যে অবস্থান ছিল, তার প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্যই মূলত চীনা সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় এসেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, তা চীনা মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।
গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনির সঙ্গে চীনা সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী হু ঝেং উ সৌজন্য সাক্ষাত্ করতে এলে তিনি বাংলাদেশের এই আগ্রহের কথা জানান।
দুই মন্ত্রী বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ, বাণিজ্য বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলাসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনা মন্ত্রীকে জানান, বাংলাদেশ একচীন নীতিতে বিশ্বাসী। তিব্বত ও তাইওয়ান সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান চায় ঢাকা।
জ্বালানি, বিদ্যুত্, ওষুধ ও যোগাযোগ খাতে চীনা বিনিয়োগের আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনা মন্ত্রীকে বলেন, মিয়ানমার হয়ে চীনের কুনমিং পর্যন্ত সড়কপথে যুক্ত হওয়ার যে উদ্যোগ রয়েছে, তা সফল করতে কাজ করে যাবে বাংলাদেশ।
এদিকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, জলবায়ু বিষয়ক কোপেনহেগেন সম্মেলনে চীনের যে অবস্থান ছিল, তার প্রতি সমর্থন আদায়ের জন্যই মূলত চীনা সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় এসেছেন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশ যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে, তা চীনা মন্ত্রীকে জানানো হয়েছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


