এয়ারটেল টেলিকম বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে
জিয়াউদ্দিন সাইমুম
বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে ভারতীয় এয়ারটেলের অন্তর্ভুক্তি সুস্থ প্রতিযোগিতার জন্ম নাও দিতে পারে, এমনটাই আশঙ্কা করছেন টেলিকম বিশেষজ্ঞরা। তারা মনে করছেন, যে সেক্টরটির শীর্ষ ছয়টি টেলিকম অপারেটরের মধ্যে পাঁচটি এখনও লাভের মুখ দেখেনি, সেখানে ফরেন ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট বা এফডিআই সুফল নাও দিতে পারে।
অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) সভাপতি জাকিউল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের টেলিকম বাজার চারটি মানসম্মত টেলিফোন অপারেটরের উপযোগী। এখানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রতিযোগীর সংখ্যা না বাড়িয়ে সুষ্ঠু নীতিমালার আলোকে এফডিআই কাজে লাগানো উচিত। টেলিকম খাতে অস্থিরতা না বাড়িয়ে আইপি বা ওয়াইম্যাক্স খাতে এফডিআই বাড়ানো গেলে তা দেশের জন্য ইতিবাচক প্রমাণিত হবে। তবে তিনি টেলিখাতে প্রতিযোগিতাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এর কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ভোক্তারা বাড়তি সুবিধা প্রত্যাশা করতেই পারেন। নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও তাদের থাকছে। কিন্তু বাণিজ্যিক দিকটি উপেক্ষিত হলে অন্য কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাকে বাগিয়ে নেয়ার একটা উটকো প্রতিযোগিতা সৃষ্টির আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন টেলিকম বিশেষজ্ঞ বলেন, প্রচলিত ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসের বাইরে নতুন ও আকর্ষণীয় কিছু উপহার দিতে পারলে এয়ারটেল বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে জায়গা করে নিতেও পারে। অপটিক্যাল ফাইবার কানেক্টিভিটি থাকলে তারাও ব্যবসার সুযোগ পাবে। কিন্তু তারা যদি ভারত থেকে কল সেন্টারগুলো অপারেট করে, তাহলে বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে অস্থিরতা বাড়বে। তিনি বলেন, ধরা যাক এয়ারটেল মোবাইলে টিভি ফ্যাসিলিটি দেবে। কিন্তু টিভি ফ্যাসিলিটি পেতে সেটটির জন্য পকেট থেকে ৩০ হাজার টাকা খসাতে হবে। আবার ছয় লাখ টিভি ফ্যাসিলিটির মোবাইল একযোগে অপারেশনে থাকলে তার লোড ওদের সার্ভার নিতে পারবে তো? ওয়ারিদের বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই তাদের এগিয়ে যেতে হবে।
এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকও ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে বলে বাজারে জোর গুঞ্জন রয়েছে। টেলিটকের শেয়ার কেনার ব্যাপারে ভিয়েতটেল যে আগ্রহী দেখিয়েছে, তা এখন আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে মন্ত্রীও জানিয়েছে। ভিয়েতটেলের প্রস্তাবটি যাচাই করার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নজরুল ইসলামকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। গত অক্টোবরে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ভিয়েতটেল বাংলাদেশের টেলিটকে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে এমটব সভাপতি জাকিউল ইসলাম বলেন, টেলিটককে ভিয়েতটেলের হাতে তুলে দেয়ার আগে ভিয়েতনামী টেলিকম কোম্পানিটির আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা যাচাই করা উচিত। টেলিনর অথবা ওরাসকমের যে ধরনের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তার তুলনায় পিছিয়ে থাকায় ওয়ারিদকে বিভিন্ন দেশে তাদের ইউনিটগুলো একে একে ছেড়ে দিতে হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিটের সিংহভাগ শেয়ার বুঝে নিতে বাংলাদেশ সফরে এসে গত মঙ্গলবার এয়ারটেলের চেয়ারম্যান সুনীল ভারতি মিত্তাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (এমটব) সভাপতি জাকিউল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশের টেলিকম বাজার চারটি মানসম্মত টেলিফোন অপারেটরের উপযোগী। এখানে অপ্রয়োজনীয়ভাবে প্রতিযোগীর সংখ্যা না বাড়িয়ে সুষ্ঠু নীতিমালার আলোকে এফডিআই কাজে লাগানো উচিত। টেলিকম খাতে অস্থিরতা না বাড়িয়ে আইপি বা ওয়াইম্যাক্স খাতে এফডিআই বাড়ানো গেলে তা দেশের জন্য ইতিবাচক প্রমাণিত হবে। তবে তিনি টেলিখাতে প্রতিযোগিতাকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এর কিছু ইতিবাচক দিকও রয়েছে। ভোক্তারা বাড়তি সুবিধা প্রত্যাশা করতেই পারেন। নতুন নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও তাদের থাকছে। কিন্তু বাণিজ্যিক দিকটি উপেক্ষিত হলে অন্য কোম্পানিগুলোর কর্মকর্তাকে বাগিয়ে নেয়ার একটা উটকো প্রতিযোগিতা সৃষ্টির আশঙ্কা কিন্তু থেকেই যাবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন টেলিকম বিশেষজ্ঞ বলেন, প্রচলিত ভ্যালু অ্যাডেড সার্ভিসের বাইরে নতুন ও আকর্ষণীয় কিছু উপহার দিতে পারলে এয়ারটেল বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে জায়গা করে নিতেও পারে। অপটিক্যাল ফাইবার কানেক্টিভিটি থাকলে তারাও ব্যবসার সুযোগ পাবে। কিন্তু তারা যদি ভারত থেকে কল সেন্টারগুলো অপারেট করে, তাহলে বাংলাদেশের টেলিকম বাজারে অস্থিরতা বাড়বে। তিনি বলেন, ধরা যাক এয়ারটেল মোবাইলে টিভি ফ্যাসিলিটি দেবে। কিন্তু টিভি ফ্যাসিলিটি পেতে সেটটির জন্য পকেট থেকে ৩০ হাজার টাকা খসাতে হবে। আবার ছয় লাখ টিভি ফ্যাসিলিটির মোবাইল একযোগে অপারেশনে থাকলে তার লোড ওদের সার্ভার নিতে পারবে তো? ওয়ারিদের বিদ্যমান অবকাঠামো ব্যবহার করেই তাদের এগিয়ে যেতে হবে।
এদিকে রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটকও ভিয়েতনামের প্রতিষ্ঠানের হাতে যাচ্ছে বলে বাজারে জোর গুঞ্জন রয়েছে। টেলিটকের শেয়ার কেনার ব্যাপারে ভিয়েতটেল যে আগ্রহী দেখিয়েছে, তা এখন আলোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে মন্ত্রীও জানিয়েছে। ভিয়েতটেলের প্রস্তাবটি যাচাই করার জন্য ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নজরুল ইসলামকে প্রধান করে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। গত অক্টোবরে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজু সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ভিয়েতটেল বাংলাদেশের টেলিটকে ২৫ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে। এ প্রসঙ্গে এমটব সভাপতি জাকিউল ইসলাম বলেন, টেলিটককে ভিয়েতটেলের হাতে তুলে দেয়ার আগে ভিয়েতনামী টেলিকম কোম্পানিটির আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা যাচাই করা উচিত। টেলিনর অথবা ওরাসকমের যে ধরনের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তার তুলনায় পিছিয়ে থাকায় ওয়ারিদকে বিভিন্ন দেশে তাদের ইউনিটগুলো একে একে ছেড়ে দিতে হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ওয়ারিদের বাংলাদেশী ইউনিটের সিংহভাগ শেয়ার বুঝে নিতে বাংলাদেশ সফরে এসে গত মঙ্গলবার এয়ারটেলের চেয়ারম্যান সুনীল ভারতি মিত্তাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ রাজুর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


