রাবিতে চাঁদাবাজি : শিক্ষককে পেটালো ছাত্রলীগ নেতা
রাবি প্রতিনিধি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা সম্পাদক এমদাদুল হক পিটিয়েছে ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক অনুপম হিরা মণ্ডলকে। গতকাল দুপুরে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি ও তার সার্টিফিকেট কেড়ে নেয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ করলে ওই শিক্ষককে পিটিয়ে গুরুতর আহত করা হয়। এর প্রতিবাদে ফোকলোর বিভাগের জরুরি সভা শেষে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রলীগ নেতা এমদাদের ছাত্রত্ব বাতিল না হওয়া পর্যন্ত ফোকলোর বিভাগের শিক্ষকদের ক্লাস বর্জন ও বিভাগ বন্ধের ঘোষণা দেয়া হয়। একই ঘটনার প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। ধর্মঘটের সমর্থনে বিকাল ৪টায় শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল বের করে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়, ফোকলোর বিভাগের শিক্ষকরা ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিতে গেলে তার আশ্বাসে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলবে বলে জানা গেছে। এদিকে শিক্ষক পেটানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রাবির শিক্ষকদের একটি অংশ। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরও একই দাবি জানায়। তদন্ত করে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা বলেছে ছাত্রলীগ।
রাবির ফোকলোর বিভাগে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক অনুপম হিরা মণ্ডলের ভাতিজা হিমানিস বিশ্বাস গতকাল ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রথম বর্ষে ভর্তি হতে যায়। দুপুরে ক্যাম্পাসের জুবেরী মাঠে ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের এমবিএ দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র এমদাদুল হক তার সহযোগী ছাত্রলীগ নেতা ডালিমকে নিয়ে তার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে এবং মূল সার্টিফিকেটসহ কাগজপত্র কেড়ে নেয়। বিষয়টি অনুপম হিরা মণ্ডলকে ফোনে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা এমদাদ ও ডালিম তাকে কিল-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে কাজলা পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। সাংবাদিকরা এ খবর কাভার করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে প্রক্টর চৌধুরী জাকারিয়া সাংবাদিকদের সেখান থেকে বের করে দেন। উপস্থিত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা সাংবাদিকদের ছবি তুলতে নিষেধ করে। পরে আহত শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন খান ছাত্রলীগ নেতা এমদাদকে মতিহার থানায় নিয়ে যান।
ছাত্রলীগ নেতার হাতে ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক প্রহৃত হওয়ার ঘটনায় বেলা ৩টার দিকে ফোকলোর বিভাগে এক জরুরি সভা বসে। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর মোঃ শাহিদুর রহমান লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অভিযু্ক্ত ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে ক্লাস বর্জন, উপাচার্যকে স্মারকলিপি প্রদান, বিভাগীয় সব কার্যক্রম বন্ধ ও সব বিভাগের শিক্ষকদের ক্লাস বর্জনের দাবিতে শিক্ষক সমিতির কাছে আবেদন জানানো হবে। তবে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিতে গেলে তার আশ্বাসে ফোকলোর বিভাগ তাদের ক্লাস বর্জনসহ সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে বিভাগীয় সভাপতি জানান।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা যায়, ফোকলোর বিভাগের শিক্ষকরা ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিতে গেলে তার আশ্বাসে ক্লাস বর্জন কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে। তবে শিক্ষার্থীদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট চলবে বলে জানা গেছে। এদিকে শিক্ষক পেটানোর ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবি জানিয়েছেন রাবির শিক্ষকদের একটি অংশ। ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরও একই দাবি জানায়। তদন্ত করে দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা বলেছে ছাত্রলীগ।
রাবির ফোকলোর বিভাগে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষক অনুপম হিরা মণ্ডলের ভাতিজা হিমানিস বিশ্বাস গতকাল ব্যবস্থাপনা বিভাগে প্রথম বর্ষে ভর্তি হতে যায়। দুপুরে ক্যাম্পাসের জুবেরী মাঠে ছাত্রলীগের উপ-গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের এমবিএ দ্বিতীয় সেমিস্টারের ছাত্র এমদাদুল হক তার সহযোগী ছাত্রলীগ নেতা ডালিমকে নিয়ে তার কাছে ৩০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে এবং মূল সার্টিফিকেটসহ কাগজপত্র কেড়ে নেয়। বিষয়টি অনুপম হিরা মণ্ডলকে ফোনে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে যান। এ সময় ছাত্রলীগ নেতা এমদাদ ও ডালিম তাকে কিল-ঘুষি মেরে গুরুতর আহত করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে কাজলা পুলিশ ফাঁড়িতে সোপর্দ করে। সাংবাদিকরা এ খবর কাভার করতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে প্রক্টর চৌধুরী জাকারিয়া সাংবাদিকদের সেখান থেকে বের করে দেন। উপস্থিত ছাত্রলীগ ক্যাডাররা সাংবাদিকদের ছবি তুলতে নিষেধ করে। পরে আহত শিক্ষকের লিখিত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ তোফাজ্জেল হোসেন খান ছাত্রলীগ নেতা এমদাদকে মতিহার থানায় নিয়ে যান।
ছাত্রলীগ নেতার হাতে ফোকলোর বিভাগের শিক্ষক প্রহৃত হওয়ার ঘটনায় বেলা ৩টার দিকে ফোকলোর বিভাগে এক জরুরি সভা বসে। সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিভাগের সভাপতি প্রফেসর মোঃ শাহিদুর রহমান লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অভিযু্ক্ত ছাত্রলীগ নেতার ছাত্রত্ব বাতিলের দাবিতে ক্লাস বর্জন, উপাচার্যকে স্মারকলিপি প্রদান, বিভাগীয় সব কার্যক্রম বন্ধ ও সব বিভাগের শিক্ষকদের ক্লাস বর্জনের দাবিতে শিক্ষক সমিতির কাছে আবেদন জানানো হবে। তবে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে উপাচার্যকে স্মারকলিপি দিতে গেলে তার আশ্বাসে ফোকলোর বিভাগ তাদের ক্লাস বর্জনসহ সব কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছে বলে বিভাগীয় সভাপতি জানান।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


