ভারতের পক্ষে নতুন লবিস্ট সিটিজেন রাইটস মুভমেন্ট
স্টাফ রিপোর্টার
সিটিজেন রাইটস মুভমেন্ট ভারতের স্বার্থরক্ষায় নতুন লবিস্টের ভূমিকায় নেমেছে। গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর ও আমাদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা ’৭১-এর মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা স্মরণ করে ট্রানজিট, টিপাইমুখ বাঁধ সুবিধাসহ সব মেনে নেয়ার প্রস্তাব করেন। তাদের মতে, প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফরে কৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে ভারতের সব চাওয়া পূরণ করা উচিত। ট্রানজিট ও টিপাইমুখ বাঁধ চুক্তি হলে বাংলাদেশেরই উপকার হবে, ভারতের নয়। সিটিজেন রাইটস মুভমেন্টের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে এ আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, মেজর (অব.) মফিজুল হক সরকার, সাবেক পররাষ্ট্র সচিব মহিউদ্দিন আহমদ, সাংবাদিক আমিনুল ইসলাম বেদু, বিডিইএফের সভাপতি প্রকৌশলী সরদার আমিন।
আলোচনা সভার শুরুতে পাঁচ পৃষ্ঠার একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব তুষার রেহমান। তিনি এটিকে একটি গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ বলে দাবি করেন। অথচ প্রবন্ধের শেষ পৃষ্ঠায় ‘তথ্য সূত্র’ হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের নাম উল্লেখ রয়েছে। অনুষ্ঠানের পরিচালক মেজর (অব.) মফিজুল হক সরকার সাংবাদিকদের বলেন, তারা বিভিন্ন পত্রিকা কাটিংয়ের সমন্বয়ে এটি তৈরি করেছেন। প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর ভারতের মাটিতে মুক্তিযোদ্ধা, সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর অফিসারদের সমন্বয়ে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের সদর দফতর ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ও সেক্টর কমান্ডারদের দফতর পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি বৈঠকের মাধ্যমে দু’দেশের অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত দূরত্ব দূর করে প্রকৃত বন্ধুত্বের মর্যাদায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা অর্থাত্ মুক্তযুদ্ধকালীন ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ এর অবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করুক। প্রবন্ধে ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে’ ১১ দফা দাবি তোলা হয়, যার সবই ভারতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মংলা সমুদ্রবন্দর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং নেপাল-ভুটানকে যুক্ত করে প্রস্তাবিত ট্রানজিট ব্যবস্থা চালু করা, রাজধানীতে ‘মিত্রবাহিনী স্মৃতি কমপ্লেক্স’ নির্মাণ, নিম্ন মাধ্যমিক শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে ‘১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনে মিত্রবাহিনীর’ ভূমিকা শীর্ষক একটি অধ্যায় যোগ করা, ভারতীয় বাহিনীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা ও জেনারেল জে এস অরোরাকে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান ইত্যাদি। এতে ভারতকে বন্ধুরাষ্ট্র এবং চীনকে শত্রুরাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ভারত পক্ষে না থাকলে আমাদের স্বাধীনতা আসত না। স্বাধীন জাতি হিসেবে বেঁচে থাকার প্রতিদানস্বরূপ তাদের প্রতি আমাদের অকৃতজ্ঞ হলে চলবে না। সব দলই ভারতের তোষামোদ করে। দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখেই যে কোনো চুক্তি হতে পারে। সরদার আমিন বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের নয় বরং ভারতের জন্য ক্ষতিকর। এ বাঁধ হলে আমরা বিদ্যুত্ ও শুষ্ক মৌসুমে পানি পাব। একই সুরে কথা বলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তাব অনেকের ভালো লাগতে পারে আবার নাও লাগতে পারে। দেশের স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে।
আলোচনা সভার শুরুতে পাঁচ পৃষ্ঠার একটি প্রবন্ধ পাঠ করেন সংগঠনের মহাসচিব তুষার রেহমান। তিনি এটিকে একটি গবেষণালব্ধ প্রবন্ধ বলে দাবি করেন। অথচ প্রবন্ধের শেষ পৃষ্ঠায় ‘তথ্য সূত্র’ হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের নাম উল্লেখ রয়েছে। অনুষ্ঠানের পরিচালক মেজর (অব.) মফিজুল হক সরকার সাংবাদিকদের বলেন, তারা বিভিন্ন পত্রিকা কাটিংয়ের সমন্বয়ে এটি তৈরি করেছেন। প্রবন্ধে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর ভারতের মাটিতে মুক্তিযোদ্ধা, সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীর অফিসারদের সমন্বয়ে সশস্ত্র বাহিনী গড়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের সদর দফতর ও মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ও সেক্টর কমান্ডারদের দফতর পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লি বৈঠকের মাধ্যমে দু’দেশের অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত দূরত্ব দূর করে প্রকৃত বন্ধুত্বের মর্যাদায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা অর্থাত্ মুক্তযুদ্ধকালীন ১৯৭১ থেকে ১৯৭৫ এর অবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করুক। প্রবন্ধে ‘বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক উন্নয়নে’ ১১ দফা দাবি তোলা হয়, যার সবই ভারতের স্বার্থসংশ্লিষ্ট। এসব দাবির মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম মংলা সমুদ্রবন্দর, উত্তর-পূর্ব ভারত এবং নেপাল-ভুটানকে যুক্ত করে প্রস্তাবিত ট্রানজিট ব্যবস্থা চালু করা, রাজধানীতে ‘মিত্রবাহিনী স্মৃতি কমপ্লেক্স’ নির্মাণ, নিম্ন মাধ্যমিক শ্রেণীর পাঠ্যবইয়ে ‘১৬ ডিসেম্বর বিজয় অর্জনে মিত্রবাহিনীর’ ভূমিকা শীর্ষক একটি অধ্যায় যোগ করা, ভারতীয় বাহিনীর শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা ও জেনারেল জে এস অরোরাকে মরণোত্তর রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান ইত্যাদি। এতে ভারতকে বন্ধুরাষ্ট্র এবং চীনকে শত্রুরাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন বলেন, ভারত পক্ষে না থাকলে আমাদের স্বাধীনতা আসত না। স্বাধীন জাতি হিসেবে বেঁচে থাকার প্রতিদানস্বরূপ তাদের প্রতি আমাদের অকৃতজ্ঞ হলে চলবে না। সব দলই ভারতের তোষামোদ করে। দেশের সার্বভৌমত্ব অক্ষুণ্ন রেখেই যে কোনো চুক্তি হতে পারে। সরদার আমিন বলেন, টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের নয় বরং ভারতের জন্য ক্ষতিকর। এ বাঁধ হলে আমরা বিদ্যুত্ ও শুষ্ক মৌসুমে পানি পাব। একই সুরে কথা বলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ। তিনি বলেন, আমাদের প্রস্তাব অনেকের ভালো লাগতে পারে আবার নাও লাগতে পারে। দেশের স্বার্থে আমাদের কাজ করতে হবে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


