Amardesh
আজঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯, ১৭ পৌষ ১৪১৬, ১৩ হররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

সকালের প্রথম ওভারেই ধসে গেল পাকিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক
জয় দিয়েই বছরটা শেষ করল রিকি পন্টিংয়ের দল। মেলবোর্নে কাল অস্ট্রেলিয়া প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারাল ১৭০ রানের বড় ব্যবধানে। দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তান অলআউট হয়ে যায় ২৫১ রানে। ফলে তিন টেস্টের সিরিজে অস্ট্রেলিয়া এগিয়ে গেল ১-০ ম্যাচে। চতুর্থ দিনের খেলা শেষে মনে হচ্ছিল মেলবোর্ন টেস্ট সব উত্তেজনার পসরা সাজিয়েছে পঞ্চম দিনের জন্য। কারণ জিততে হলে পাকিস্তানের কাল দরকার ছিল ২৫২ রানের। হাতে ৭ উইকেট। ক্রিজে ছিলেন দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যান অধিনায়ক মোহাম্মদ ইউসুফ ৪৫ এবং তরুণ তুর্কি উমর আকমল ২৭ রানে। কাজেই একটা স্বপ্ন তো দেখছিলই পাকিস্তান। কিন্তু পঞ্চমদিনের প্রথম ওভারেই সব উত্তেজনার ইতি টেনে দেন বাঁহাতি অজি পেসার মিচেল জনসন। তার ওভারের চতুর্থ বলেই উইকেটকিপার ব্রাড হাডিনকে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান উমর। পরের বলেই আউট মিসবাহ উল হক। এবারও জনসনের বলে ক্যাচ লোফেন হাডিনই। পাকিস্তানের জয়ের আশা মোটামুটি শেষ হয়ে যায় তখনই। তারপর শুধু ছিল হার বাঁচানোর লড়াই। সে লড়াইয়েও টিকতে পারেনি সফরকারীরা। কারণ শেষদিনের পিচে জ্বলে ওঠেন অজি অফস্পিনার নাথান হরিজ। জনসনের সঙ্গে ধ্বংসযজ্ঞে যোগ দেন তিনিও। তার পরিণামেই বক্সিং ডে টেস্টের শেষদিনে আগের দিনের ৩ উইকেটে ১৭০ রানের সঙ্গে আর মাত্র ৮১ রান যোগ করে গুটিয়ে যায় মোহম্মদ ইউসুফের দল। দু’দলের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে সিডনিতে ৩ জানুয়ারি।
পঞ্চম দিনে জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ৭টি উইকেট। তাদের টার্গেটটাই পূরণ করেছে তারা। প্রথম ওভারেই পাকিস্তানের নির্ভরযোগ্য দুই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান উমর এবং মিসবাহকে ফিরিয়ে দিয়ে যে জনসন ম্যাচের গতিই বদলে দেন, সেটি ম্যাচ শেষে স্বীকারও করেছেন পাকিস্তান অধিনায়ক ইউসুফ। আর স্পিনার নাথান হরিজ পাকিস্তানের লেজটা ছেঁটে দেন। ক্যারিয়ারের প্রথম ৫ উইকেট শিকার করায় পঞ্চম দিনের লাঞ্চের একটু পরই ২৫১ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের ইনিংস। সতীর্থদের যাওয়া-আসার মাঝে অধিনায়ক ইউসুফ একাই লড়াই করেছেন ৬১ রানের ইনিংসটি খেলে।
অস্ট্রেলিয়ার কাছে টানা দশটি টেস্ট হারল পাকিস্তান। আর এ জয়ের ফলে ২০০৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার ঝুলিতে জমা হলো ৭টি টেস্ট জয়। ৩টি করে টেস্ট তারা হেরেছে এবং ড্র করেছে। ২০০৮ সালে পরিসংখ্যানটি ছিল এমন ৫-৫-৪। দুর্দান্ত ব্যাটিং পারফরমেন্সের কারণে মেলবোর্ন টেস্টের ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন শেন ওয়াটসন। সিডনিতে দ্বিতীয় টেস্টে পাকিস্তান দুই স্পিনার খেলাতে পারে—এমন আভাসই দিয়েছেন ইউসুফ। যার অর্থ সিডনিতে অফস্পিনার সাইদ আজমলের সঙ্গে খেলবেন আঙুলের ইনজুরি কাটিয়ে ওঠা লেগস্পিনার দানিশ কানেরিয়াও। বাদ পড়তে যাচ্ছেন পেসার আবদুর রউফ। ওদিকে অস্ট্রেলিয়া প্রথামাফিক মেলবোর্নে জয়ী দলটিই রেখে দিয়েছে সিডনির জন্য।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
অস্ট্রেলিয়া : ৪৫৪/১০ ও ২২৫/৮ ডিক্লেয়ার।
পাকিস্তান : ২৫৮/১০ ও ২৫১/১০ (মোহাম্মদ ইউসুফ ৬১, ফয়সাল ইকবাল ৪৮; হরিজ ৫/১০১, জনসন ৩/৪৬)।
ফল : অস্ট্রেলিয়া ১৭০ রানে জয়ী।
ম্যান অব দ্য ম্যাচ : শেন ওয়াটসন।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?