পন্টিংয়ের আরও দুটি রেকর্ড
স্পোর্টস ডেস্ক
যে কোনো ক্রিকেটারকে জিজ্ঞেস করুন—তার আসল স্বপ্ন কোনটি? জবাব আসবে একটিই—দেশের হয়ে টেস্ট খেলা। এই ওয়ানডে এবং টি-টুয়েন্টির যুগেও যেটি সব ক্রিকেটারের আরাধ্য স্বপ্ন। আর সেই টেস্ট জয়ের আনন্দ-অনুভূতিটা কেমন? সেটি জানতে চাইলে এখন সবার আগে আপনাকে যেতে হবে অস্ট্রেলীয় অধিনায়ক রিকি পন্টিংয়ের কাছে। কারণ টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে খেলোয়াড় এবং অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি জয়ের রেকর্ড যে এখন তারই দখলে। কাল মেলবোর্নে প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে ১৭০ রানে হারাতেই ওই দুই রেকর্ড চলে আসে পন্টিংয়ের হাতে। খেলোয়াড় হিসেবে পন্টিংয়ের এটি ৯৩ নম্বর টেস্ট জয়। ৯২ টেস্ট জয় নিয়ে যেটি আগে দখল করেছিলেন পন্টিংয়েরই সাবেক সতীর্থ স্পিন জাদুকর শেন ওয়ার্ন। আর অধিনায়ক হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয়ের রেকর্ড ছিল পন্টিংয়ের পূর্বসূরি স্টিভ ওয়াহর। তিনি জিতেছিলেন ৪১ টেস্ট। পন্টিংয়ের সংখ্যাটা এখন ৪২। গ্রেট ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি এখন তাহলে পন্টিংয়ের নামের পাশে গ্রেট ক্যাপ্টেন কথাটাও লাগানো যেতে পারে।
এমন একটা জয়ে তাই স্বভাবতই একটু বেশিই উচ্ছ্বসিত পন্টিং। বলেছেন ‘অধিনায়ক এবং খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়তে পেরে ভালোই লাগছে। এটা একটা বোনাস প্রাপ্তি হলো। তবে তারচেয়েও বড় প্রাপ্তি হলো, আমরা দলটাকে আবার গুছিয়ে আনতে পেরেছি, যারা ফের একটা ইউনিট হিসেবে গড়ে উঠতে যাচ্ছে। বেশ কিছু গ্রেট ক্রিকেটারের অবসরে যে শূন্যতা অজি ক্রিকেট দলে তৈরি হয়েছিল, তা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি। তবে আমাদের আরও পথ যেতে হবে। এই মুহূর্তে আমার কাজ হলো দলের তরুণ ক্রিকেটারদের এক সুরে গেঁথে আবার এক নম্বর দলে পরিণত হওয়ার টার্গেট বাস্তবায়ন করা।’
’৯০ দশকের মাঝামাঝি অস্ট্রেলিয়া দলে তরুণ রিকি পন্টিংয়ের আবির্ভাব হয়েছিল। তখন থেকেই শুরু হয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটে অজিদের রাজত্ব, যা সেরা মানে পৌঁছায় স্টিভ ওয়াহর সময়। সেটাকে ধরেই রেখেছিলেন রিকি পন্টিং। কিন্তু হেডেন, ম্যাকগ্রা, ওয়ার্ন, মার্টিন, গিলক্রিস্ট, ল্যাঙ্গার, গিলেস্পিসহ একাধিক গ্রেট ক্রিকেটার অবসর নিলে অজিরা তাদের সাম্রাজ্য হারিয়ে ফেলে। পন্টিংয়ের নেতৃত্বে দু’বার অ্যাশেজ হারে অস্ট্রেলিয়া। দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেও। পরিসংখ্যানই বলছে, ২০০৮ এবং ২০০৯ সালে টেস্টে অজিদের পারফরমেন্স একেবারেই গড়পড়তা। এই দুই বছরে পন্টিংয়ের নেতৃত্বে অজিরা ২৬ টেস্ট খেলেছে। তাতে জয় ১২ টেস্টে। হার ৭ এবং ড্রও ৭ টেস্টে। তবে অজিরা যে ফের ঘুরে দাঁড়াতে যাচ্ছে সেটি কিন্তু পরিষ্কার। এবং তাতে যে পন্টিং আরও কিছু রেকর্ড গড়বেন সেটিও নিশ্চিত।
এমন একটা জয়ে তাই স্বভাবতই একটু বেশিই উচ্ছ্বসিত পন্টিং। বলেছেন ‘অধিনায়ক এবং খেলোয়াড় হিসেবে সবচেয়ে বেশি টেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়তে পেরে ভালোই লাগছে। এটা একটা বোনাস প্রাপ্তি হলো। তবে তারচেয়েও বড় প্রাপ্তি হলো, আমরা দলটাকে আবার গুছিয়ে আনতে পেরেছি, যারা ফের একটা ইউনিট হিসেবে গড়ে উঠতে যাচ্ছে। বেশ কিছু গ্রেট ক্রিকেটারের অবসরে যে শূন্যতা অজি ক্রিকেট দলে তৈরি হয়েছিল, তা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়িয়েছি। তবে আমাদের আরও পথ যেতে হবে। এই মুহূর্তে আমার কাজ হলো দলের তরুণ ক্রিকেটারদের এক সুরে গেঁথে আবার এক নম্বর দলে পরিণত হওয়ার টার্গেট বাস্তবায়ন করা।’
’৯০ দশকের মাঝামাঝি অস্ট্রেলিয়া দলে তরুণ রিকি পন্টিংয়ের আবির্ভাব হয়েছিল। তখন থেকেই শুরু হয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেটে অজিদের রাজত্ব, যা সেরা মানে পৌঁছায় স্টিভ ওয়াহর সময়। সেটাকে ধরেই রেখেছিলেন রিকি পন্টিং। কিন্তু হেডেন, ম্যাকগ্রা, ওয়ার্ন, মার্টিন, গিলক্রিস্ট, ল্যাঙ্গার, গিলেস্পিসহ একাধিক গ্রেট ক্রিকেটার অবসর নিলে অজিরা তাদের সাম্রাজ্য হারিয়ে ফেলে। পন্টিংয়ের নেতৃত্বে দু’বার অ্যাশেজ হারে অস্ট্রেলিয়া। দেশের মাটিতে টেস্ট সিরিজ হারে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেও। পরিসংখ্যানই বলছে, ২০০৮ এবং ২০০৯ সালে টেস্টে অজিদের পারফরমেন্স একেবারেই গড়পড়তা। এই দুই বছরে পন্টিংয়ের নেতৃত্বে অজিরা ২৬ টেস্ট খেলেছে। তাতে জয় ১২ টেস্টে। হার ৭ এবং ড্রও ৭ টেস্টে। তবে অজিরা যে ফের ঘুরে দাঁড়াতে যাচ্ছে সেটি কিন্তু পরিষ্কার। এবং তাতে যে পন্টিং আরও কিছু রেকর্ড গড়বেন সেটিও নিশ্চিত।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


