আন্তর্জাতিক : আলোচিত নারীরা
নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে উন্নতির চরম শিখরে ওঠে যেসব নারী স্বদেশ ও বিশ্ববাসীর আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছেন, তাদের কয়েকজন :
সারাহ পলিন : আমেরিকার ইতিহাসে কোনো পরাজিত ভাইস প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এত আলোচনা হয়নি যতটা হচ্ছে সারাহ পলিনকে নিয়ে। অনেকে অবশ্য তার সমালোচনাও করেন। তবে তিনি তাতে কখনও ক্ষুণ্ন হন না, বরং সমালোচনা থেকে আত্মশুদ্ধির প্রেরণা সঞ্চয় করেন। সারাহ পলিনের বাবা তার মেয়ে সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি কখনও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পশ্চাত্পসরণ করেন না—একটু সরে এসে লড়াইয়ের জন্য শক্তি সঞ্চয় করেন।
মিশেল ওবামা : প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ফার্স্ট লেডি হিসেবে মিশেল ওবামার কাছে আমেরিকাবাসীর প্রত্যাশা অনেক। আর ব্যক্তিত্ব ও অভিব্যক্তির মধ্য দিয়ে হার্ভার্ডে শিক্ষাপ্রাপ্ত এই আইনজ্ঞ বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন, নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যে তিনি অত্যন্ত সচেতন। আমেরিকার ফার্স্ট লেডি, এমনকি বারাক ওবামার স্ত্রী হওয়ার আগেও কর্মক্ষেত্রে প্রতিভা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। তাই সবাই আশা করছে ২০১০ সালে মিশেল ওবামা নানাক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতা প্রমাণে সক্ষম হবেন।
সোনিয়া সোটোমেয়র : সোনিয়া প্রথম পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত আমেরিকা সুপ্রিমকোর্টের তৃতীয় নারী বিচারপতি— এটাই তার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসার মূল কথা নয়, তার চেয়েও বড় কথা গত একশ’ বছরের ইতিহাসে তাকেই ধরা হয় সবচেয়ে বিচক্ষণ ও প্রাজ্ঞ বিচারপতি। বারাক ওবামা কর্তৃক এমন এক নারীকে সুপ্রিমকোর্টের বিচারক মনোনীত করায় তার বিপক্ষীয় রক্ষণশীল সিনেটররা ব্যাপক সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। তবে সিনেট কমিটির চূড়ান্ত নির্বাচনী সাক্ষাত্কারে যেভাবে নিজের জ্ঞান ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন, তা তাকে এ যাবতকালের শ্রেষ্ঠ নারী বিচারকের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
হিলারি ক্লিনটন : তিনিই এখন ক্লিনটন পরিবারের একমাত্র সদস্য যার প্রতি সারা বিশ্বের দৃষ্টি নিবদ্ধ। ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং নড়বড়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সফলতা-ব্যর্থতার ওপর যেখানে প্রেসিডেন্টের আসন নির্ভর করে, সেখানে কাজ করার চেয়ে হিলারি বরং এখন সফলতার সঙ্গেই তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট বুশ তার রুক্ষ হাতে সারা বিশ্বে যে বিরূপ সম্পর্ক তৈরি করে গেছেন, আপন প্রজ্ঞা, ব্যক্তিত্ব ও দায়িত্ববোধের বিনিময়ে হিলারি ক্লিনটন তা সহজ ও মসৃণ করার চেষ্টা করছেন ওবামা সরকারের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
অপরা উইনফ্রে : সারা বিশ্বে সমাদৃত টিভি উপস্থাপক অপরা উইনফ্রে জানিয়ে দিয়েছেন, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পর তিনি আর টিভি শোতে উপস্থিত হবেন না। অপরা দেখিয়ে দিয়েছেন জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক হওয়ার জন্য সবচেয়ে সুন্দর, আকর্ষণীয় দেহ বা জাঁকজমক পোশাকের প্রয়োজন হয় না—প্রয়োজন ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তার। অপরা তার রাজত্ব গড়েছেন এই দৃষ্টিভঙ্গিতে যে, তিনি আমাদের মতোই একজন অতি সাধারণ মানুষ।
সেরেনা উইলিয়ামস : ২০০৯-এর ২৮ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনটেনিস টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্ব এবং বোন ভেনাস উইলিয়ামসের সঙ্গে যৌথভাবে চূড়ান্ত পর্বে ওঠার সময় সর্বসার্কুল্যে তার আয় পৌঁছে ছিল ২২ কোটি ৭৫ লাখ ৩ হাজার ৫৭৫ ডলারে। নারী খেলোয়াড় হিসেবে সর্বকালের সর্বোচ্চ প্রাইজমানি অর্জন করার পর সেরেনা বলেন, ‘আমি টেনিস খেলার অঙ্গনে আসার পর গত ১৪ বছরে নারী খেলোয়াড়দের অনেক অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
মারজিয়াহ ভাহিদ দাস্তজারদি : ইসলামী বিপ্লবের ৩০ বছর পর এই প্রথম ইরানে কোন নারী মন্ত্রী হলেন। বর্তমান ইরান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মারজিয়াহ ভাহিদ দাস্তজারদি।
আজরা জাফরি : আফগানিস্তানের প্রথম নারী মেয়র আজরা জাফরি দেশের সবচেয়ে নতুন ও দরিদ্রতম প্রদেশ দাইকুন্দির উন্নয়নের জন্য অঙ্গীকার করেছেন। তবে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আফগানিস্তানে নারী অধিকার পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি হচ্ছে। আজরা জাফরি বলেন, আমি আফগানিস্তানের প্রথম নারী মেয়র হতে পেরে দারুণ গর্বিত। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আফগান এখনও সেই সমাজে পরিণত হয়নি, যেখানে নারীকে পুরুষের মতো কাজ করাকে মানা হয়।
সালতামামী গ্রন্থনা : এনায়েত রসুল, কানিতা ইশারা
সোহরাব আলম, রাজিয়া সুলতানা, রিজওয়ানা নিরা
সারাহ পলিন : আমেরিকার ইতিহাসে কোনো পরাজিত ভাইস প্রেসিডেন্টকে নিয়ে এত আলোচনা হয়নি যতটা হচ্ছে সারাহ পলিনকে নিয়ে। অনেকে অবশ্য তার সমালোচনাও করেন। তবে তিনি তাতে কখনও ক্ষুণ্ন হন না, বরং সমালোচনা থেকে আত্মশুদ্ধির প্রেরণা সঞ্চয় করেন। সারাহ পলিনের বাবা তার মেয়ে সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, তিনি কখনও যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পশ্চাত্পসরণ করেন না—একটু সরে এসে লড়াইয়ের জন্য শক্তি সঞ্চয় করেন।
মিশেল ওবামা : প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ফার্স্ট লেডি হিসেবে মিশেল ওবামার কাছে আমেরিকাবাসীর প্রত্যাশা অনেক। আর ব্যক্তিত্ব ও অভিব্যক্তির মধ্য দিয়ে হার্ভার্ডে শিক্ষাপ্রাপ্ত এই আইনজ্ঞ বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন, নিজের দায়িত্ব ও কর্তব্যে তিনি অত্যন্ত সচেতন। আমেরিকার ফার্স্ট লেডি, এমনকি বারাক ওবামার স্ত্রী হওয়ার আগেও কর্মক্ষেত্রে প্রতিভা ও বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছেন তিনি। তাই সবাই আশা করছে ২০১০ সালে মিশেল ওবামা নানাক্ষেত্রে নিজের যোগ্যতা প্রমাণে সক্ষম হবেন।
সোনিয়া সোটোমেয়র : সোনিয়া প্রথম পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত আমেরিকা সুপ্রিমকোর্টের তৃতীয় নারী বিচারপতি— এটাই তার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসার মূল কথা নয়, তার চেয়েও বড় কথা গত একশ’ বছরের ইতিহাসে তাকেই ধরা হয় সবচেয়ে বিচক্ষণ ও প্রাজ্ঞ বিচারপতি। বারাক ওবামা কর্তৃক এমন এক নারীকে সুপ্রিমকোর্টের বিচারক মনোনীত করায় তার বিপক্ষীয় রক্ষণশীল সিনেটররা ব্যাপক সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। তবে সিনেট কমিটির চূড়ান্ত নির্বাচনী সাক্ষাত্কারে যেভাবে নিজের জ্ঞান ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন, তা তাকে এ যাবতকালের শ্রেষ্ঠ নারী বিচারকের স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।
হিলারি ক্লিনটন : তিনিই এখন ক্লিনটন পরিবারের একমাত্র সদস্য যার প্রতি সারা বিশ্বের দৃষ্টি নিবদ্ধ। ভঙ্গুর অর্থনীতি এবং নড়বড়ে স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সফলতা-ব্যর্থতার ওপর যেখানে প্রেসিডেন্টের আসন নির্ভর করে, সেখানে কাজ করার চেয়ে হিলারি বরং এখন সফলতার সঙ্গেই তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। প্রেসিডেন্ট বুশ তার রুক্ষ হাতে সারা বিশ্বে যে বিরূপ সম্পর্ক তৈরি করে গেছেন, আপন প্রজ্ঞা, ব্যক্তিত্ব ও দায়িত্ববোধের বিনিময়ে হিলারি ক্লিনটন তা সহজ ও মসৃণ করার চেষ্টা করছেন ওবামা সরকারের এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
অপরা উইনফ্রে : সারা বিশ্বে সমাদৃত টিভি উপস্থাপক অপরা উইনফ্রে জানিয়ে দিয়েছেন, ২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের পর তিনি আর টিভি শোতে উপস্থিত হবেন না। অপরা দেখিয়ে দিয়েছেন জনপ্রিয় টিভি উপস্থাপক হওয়ার জন্য সবচেয়ে সুন্দর, আকর্ষণীয় দেহ বা জাঁকজমক পোশাকের প্রয়োজন হয় না—প্রয়োজন ব্যক্তিত্ব ও বুদ্ধিমত্তার। অপরা তার রাজত্ব গড়েছেন এই দৃষ্টিভঙ্গিতে যে, তিনি আমাদের মতোই একজন অতি সাধারণ মানুষ।
সেরেনা উইলিয়ামস : ২০০৯-এর ২৮ জানুয়ারি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনটেনিস টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত পর্ব এবং বোন ভেনাস উইলিয়ামসের সঙ্গে যৌথভাবে চূড়ান্ত পর্বে ওঠার সময় সর্বসার্কুল্যে তার আয় পৌঁছে ছিল ২২ কোটি ৭৫ লাখ ৩ হাজার ৫৭৫ ডলারে। নারী খেলোয়াড় হিসেবে সর্বকালের সর্বোচ্চ প্রাইজমানি অর্জন করার পর সেরেনা বলেন, ‘আমি টেনিস খেলার অঙ্গনে আসার পর গত ১৪ বছরে নারী খেলোয়াড়দের অনেক অর্জন সম্ভব হয়েছে।’
মারজিয়াহ ভাহিদ দাস্তজারদি : ইসলামী বিপ্লবের ৩০ বছর পর এই প্রথম ইরানে কোন নারী মন্ত্রী হলেন। বর্তমান ইরান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মারজিয়াহ ভাহিদ দাস্তজারদি।
আজরা জাফরি : আফগানিস্তানের প্রথম নারী মেয়র আজরা জাফরি দেশের সবচেয়ে নতুন ও দরিদ্রতম প্রদেশ দাইকুন্দির উন্নয়নের জন্য অঙ্গীকার করেছেন। তবে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, আফগানিস্তানে নারী অধিকার পরিস্থিতির দিন দিন অবনতি হচ্ছে। আজরা জাফরি বলেন, আমি আফগানিস্তানের প্রথম নারী মেয়র হতে পেরে দারুণ গর্বিত। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আফগান এখনও সেই সমাজে পরিণত হয়নি, যেখানে নারীকে পুরুষের মতো কাজ করাকে মানা হয়।
সালতামামী গ্রন্থনা : এনায়েত রসুল, কানিতা ইশারা
সোহরাব আলম, রাজিয়া সুলতানা, রিজওয়ানা নিরা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


