চলে গেলেন হেনা দাস
২০ জুলাই আমরা হারিয়েছি কিংবদন্তি নারী নেত্রী কমরেড হেনা দাসকে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। পৃথিবী থেকে বিদায় নিলেও তিনি চিরদিন বেঁচে থাকবেন মানুষের মনে তার বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের জন্য। ক্লাস সেভেনে পড়ার সময়ই তিনি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েন এবং ১৯৩৮ সালে স্টুডেন্ট ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত হন। মেট্রিকুলেশন পাস করার পর তিনি ‘সুরমাভেলি গার্লস স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন’ প্রতিষ্ঠা করেন। ইন্টারমিডিয়েট পাস করার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। ‘মহিলা আত্মরক্ষা সমিতি’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা তিনি। তিনি চা-বাগানের নারী শ্রমিকদের নিয়ে ট্রেড ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৫৮ সালে হেনা দাস ঢাকায় এসে শিক্ষিকা হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। স্বাধীনতার পর হেনা দাস ড. কুদরত-ই-খুদার নেতৃত্বে গঠিত বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনে কাজ করেন। তিনি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদিকা এবং পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। ১৯৭০ সালে তিনি মহিলা পরিষদে যোগ দেন। পরে কবি সুফিয়া কামালের মৃত্যুর পর সংগঠনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। কমরেড হেনা দাস মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। আজীবন নারী উন্নয়নে কাজ করে যাওয়া এই মহিয়সী নারীর প্রতি আমাদের বিনম্র শ্রদ্ধা।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


