সংবাদ সম্মেলনে আমিরা হক : কোপেনহেগেন সম্মেলনের ফলে বিশ্ববাসী হতাশ
কূটনৈতিক রিপোর্টার
জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল আমিরা হক বলেছেন, জলবায়ু বিষয়ে কোপেনহেগেন সম্মেলনের ফলাফলে বিশ্ববাসী হতাশ। আমরা ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য যা করতে চেয়েছিলাম তা পারিনি।
গতকাল হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। আমিরা হক প্রথম বাংলাদেশী মহিলা হিসেবে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি পূর্ব তিমুরে বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমিরা হক বলেন, কোপেনহেগেন সম্মেলনে আমাদের প্রত্যাশা ছিল আইনগতভাবে সবাই মানতে বাধ্য থাকবে, এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা। সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। এ জন্য বিশ্ববাসী হতাশ হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এ ব্যাপারে হতাশ। আমরা আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য যা করতে চেয়েছিলাম তা করতে পারিনি। বাংলাদেশের অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। জি-৭৭ গ্রুপের হয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বিভিন্ন দেশের সরকার নয়, জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি করতে হবে সচেতনতা।
শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমিরা হক বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। সুদান, আইভরি কোস্ট, পূর্ব তিমুরসহ অন্যান্য দেশের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী কর্মীরা প্রচুর সুনাম কুড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, শান্তিরক্ষী মিশনে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে বাংলাদেশীরা যাতে আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে পারে সেজন্য বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।
বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলছেই, গণমাধ্যমে সরকারের হুমকির বিষয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই বিষয়টিতে আমি মন্তব্য করতে পারি না। শুধু এটুকু বলব, বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংসদ সদস্যসহ মানবাধিকার নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে সবার মানবাধিকার নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশী মহিলা হিসেবে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ায় নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আমিরা হক বলেন, একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত। দেশের জন্য অবশ্যই এটা গর্বের বিষয়। আমি চেষ্টা করব আরও বেশি বাংলাদেশী যেন জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারে। আমি মনে করি, আমার এই নিয়োগ নতুন প্রজন্মকে বিশেষ করে মেয়েদেরকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
গতকাল হোটেল সোনারগাঁওয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। আমিরা হক প্রথম বাংলাদেশী মহিলা হিসেবে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি পূর্ব তিমুরে বিশেষ দূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমিরা হক বলেন, কোপেনহেগেন সম্মেলনে আমাদের প্রত্যাশা ছিল আইনগতভাবে সবাই মানতে বাধ্য থাকবে, এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর করা। সেই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়নি। এ জন্য বিশ্ববাসী হতাশ হয়েছে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এ ব্যাপারে হতাশ। আমরা আমাদের ভবিষ্যত্ প্রজন্মের জন্য যা করতে চেয়েছিলাম তা করতে পারিনি। বাংলাদেশের অর্জন সম্পর্কে তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। জি-৭৭ গ্রুপের হয়ে বাংলাদেশ ইতিবাচক ভূমিকা পালন করে চলেছে। তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় শুধু বিভিন্ন দেশের সরকার নয়, জনগণকেও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি করতে হবে সচেতনতা।
শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমিরা হক বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘের অধীনে শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছে। সুদান, আইভরি কোস্ট, পূর্ব তিমুরসহ অন্যান্য দেশের শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী কর্মীরা প্রচুর সুনাম কুড়িয়েছে। তিনি আরও বলেন, শান্তিরক্ষী মিশনে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে বাংলাদেশীরা যাতে আরও বেশি ভূমিকা পালন করতে পারে সেজন্য বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে।
বাংলাদেশে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চলছেই, গণমাধ্যমে সরকারের হুমকির বিষয়ে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাব দিতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, এই বিষয়টিতে আমি মন্তব্য করতে পারি না। শুধু এটুকু বলব, বাংলাদেশের সংবিধানে মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। এ ব্যাপারে সংসদ সদস্যসহ মানবাধিকার নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের একযোগে কাজ করতে হবে, যাতে সবার মানবাধিকার নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশী মহিলা হিসেবে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ায় নিজের অনুভূতির কথা জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আমিরা হক বলেন, একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত। দেশের জন্য অবশ্যই এটা গর্বের বিষয়। আমি চেষ্টা করব আরও বেশি বাংলাদেশী যেন জাতিসংঘের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত হতে পারে। আমি মনে করি, আমার এই নিয়োগ নতুন প্রজন্মকে বিশেষ করে মেয়েদেরকে অনুপ্রেরণা যোগাবে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


