খিলগাঁও আইডিয়াল সিটি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল খুন
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর খিলগাঁও আইডিয়াল সিটি কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল চন্দন চক্রবর্তী ওরফে সাজ্জাদ হোসেনকে (৪০) কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে খিলগাঁওয়ে খিদমাহ হাসপাতাল ও কমিউনিটি সেন্টারের মাঝখানের রাস্তা থেকে পুলিশ তার ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে। তার বুকে ও পিঠে ধারাল অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে। তার নাড়িভুঁড়ি রাস্তার ওপর পড়ে ছিল। পুলিশের ধারণা, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। চন্দন চার বছর আগে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি মুসলিম ধর্মমতে হাজারীবাগের কলেজছাত্রী আকলিমাকে বিয়ে করেন। এতদিন বিষয়টি গোপন ছিল। তাই মৃত্যুর পর তার লাশ দাফন নিয়ে হিন্দু আত্মীয়-স্বজন এবং স্ত্রীপক্ষের মুসলিম আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে টানাহেঁচড়া শুরু হয়েছে। একপক্ষ চাচ্ছে তাকে ইসলাম ধর্মমতে দাফন করতে। অপরপক্ষ চাচ্ছে হিন্দু রীতি অনুযায়ী দাহ করতে।
খিলগাঁও থানার সাব-ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান জানান, রাত পৌনে ১টায় এক পথচারীর কাছে তিনি জানতে পারেন খিদমাহ হাসপাতালের সামনের রাস্তায় এক ব্যক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পুলিশ হাসপাতালের সামনের রাস্তার মাঝখানে ডিভাইডারের ওপর থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। ছুরিকাঘাতে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ডিভাইডারের ওপর পড়েছিল। তাকে পুলিশের গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তির পকেটে দুটি মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনের নম্বর অনুযায়ী তার শাশুড়ি ও স্ত্রীকে ফোন করলে তারা এসে লাশ শনাক্ত করেন। স্ত্রী আকলিমা আক্তার জানান, নিহত ব্যক্তি তার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন। সে আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিল। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সে তাকে বিয়ে করে। মালিবাগের ৪৭৮ নম্বর ডিআইটি রোডে তাদের বাসা। আকলিমা আরও বলেন, শুক্রবার রাতে জরুরি কাজের কথা বলে তার স্বামী বাসা থেকে বের হন। তার সঙ্গে একটি ব্যাগ ছিল। এরপর তাকে আর পাওয়া যায়নি। খিলগাঁও থানার ওসি নাজিমউদ্দিন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্তের পর সব জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, ছিনতাইকারীদের হাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেনি বলে মনে হচ্ছে। কেননা ছিনতাইয়ের ঘটনা হলে পকেটে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, টাকা ও মানিব্যাগ নিয়ে যেত।
এদিকে নিহত চন্দন চক্রবর্তী ওরফে সাজ্জাদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং মুসলিম পরিবারে বিয়ের বিষয় অনেকটাই ধামাচাপা ছিল বলে জানা যায়। সাজ্জাদের শ্যালক গোলাম সরোয়ার বলেন, তার বোন আকলিমা হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি কলেজের শেষবর্ষের ছাত্রী। চার বছর আগে প্রাইভেট পড়ানোর সময় আকলিমার সঙ্গে চন্দন চক্রবর্তীর প্রেম হয়। এক পর্যায় সে আকলিমাকে বিয়ের প্রস্তাব করে। তখন আমাদের পরিবার থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। এরপর তিনি হিন্দু ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নিজের নাম রাখেন মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। বিয়ের পর বোনকে নিয়ে আলাদা বাসায় থাকত। তাদের কোনো সন্তান ছিল না। সরোয়ার হোসেন আরও বলেন, এর আগে সাজ্জাদের কোনো বিয়ে ছিল কিনা তা তাদের জানা নেই।
অপরদিকে নিহত চন্দন চক্রবর্তী ওরফে সাজ্জাদের মামা নিবিড় কুমার মৈত্রী বলেন, চন্দন যে ধর্ম ত্যাগ করে বিয়ে করেছে তা পরিবারের কেউ জানত না। তিনি বলেন, চন্দন ১৪ বছর আগে বিয়ে করেছে। তার স্ত্রীর তিন্নি ঘোষ। সে কলকাতায় পড়াশোনা করছে। চন্দন মাঝেমধ্যে কলকাতায় গিয়ে স্ত্রীর কাছে থাকত। ঢাকায় তার দ্বিতীয় বিয়ের খবর স্ত্রী ও পরিবারের অজানা ছিল। তার বাবার নাম মৃত মোহিনী মোহন চক্রবর্তী। মানিকগঞ্জের শিবালয়ের বতনী শিমুলিয়া গ্রামে বাড়ি। মর্গ সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তের পর নিহত ব্যক্তির লাশ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে টানাহেঁচড়া শুরু হয়। গতকাল রাত পর্যন্ত মর্গ থেকে কোনো পক্ষকেই লাশ বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। প্রচলিত আইন ও দু’পক্ষের মধ্যে সমাধা না হওয়া পর্যন্ত লাশ মর্গে রাখা হবে। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় থানায় দু’পক্ষই হত্যা মামলা দায়েরের জন্য আবেদন করেছে।
খিলগাঁও থানার সাব-ইন্সপেক্টর মাহবুবুর রহমান জানান, রাত পৌনে ১টায় এক পথচারীর কাছে তিনি জানতে পারেন খিদমাহ হাসপাতালের সামনের রাস্তায় এক ব্যক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। পুলিশ হাসপাতালের সামনের রাস্তার মাঝখানে ডিভাইডারের ওপর থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে। ছুরিকাঘাতে তার নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে ডিভাইডারের ওপর পড়েছিল। তাকে পুলিশের গাড়িতে করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানায়, নিহত ব্যক্তির পকেটে দুটি মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ পাওয়া যায়। মোবাইল ফোনের নম্বর অনুযায়ী তার শাশুড়ি ও স্ত্রীকে ফোন করলে তারা এসে লাশ শনাক্ত করেন। স্ত্রী আকলিমা আক্তার জানান, নিহত ব্যক্তি তার স্বামী সাজ্জাদ হোসেন। সে আগে হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিল। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে সে তাকে বিয়ে করে। মালিবাগের ৪৭৮ নম্বর ডিআইটি রোডে তাদের বাসা। আকলিমা আরও বলেন, শুক্রবার রাতে জরুরি কাজের কথা বলে তার স্বামী বাসা থেকে বের হন। তার সঙ্গে একটি ব্যাগ ছিল। এরপর তাকে আর পাওয়া যায়নি। খিলগাঁও থানার ওসি নাজিমউদ্দিন বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্তের পর সব জানা যাবে। তিনি আরও বলেন, ছিনতাইকারীদের হাতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেনি বলে মনে হচ্ছে। কেননা ছিনতাইয়ের ঘটনা হলে পকেটে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, টাকা ও মানিব্যাগ নিয়ে যেত।
এদিকে নিহত চন্দন চক্রবর্তী ওরফে সাজ্জাদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ এবং মুসলিম পরিবারে বিয়ের বিষয় অনেকটাই ধামাচাপা ছিল বলে জানা যায়। সাজ্জাদের শ্যালক গোলাম সরোয়ার বলেন, তার বোন আকলিমা হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি কলেজের শেষবর্ষের ছাত্রী। চার বছর আগে প্রাইভেট পড়ানোর সময় আকলিমার সঙ্গে চন্দন চক্রবর্তীর প্রেম হয়। এক পর্যায় সে আকলিমাকে বিয়ের প্রস্তাব করে। তখন আমাদের পরিবার থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের কাছে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। এরপর তিনি হিন্দু ধর্ম ছেড়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নিজের নাম রাখেন মোঃ সাজ্জাদ হোসেন। বিয়ের পর বোনকে নিয়ে আলাদা বাসায় থাকত। তাদের কোনো সন্তান ছিল না। সরোয়ার হোসেন আরও বলেন, এর আগে সাজ্জাদের কোনো বিয়ে ছিল কিনা তা তাদের জানা নেই।
অপরদিকে নিহত চন্দন চক্রবর্তী ওরফে সাজ্জাদের মামা নিবিড় কুমার মৈত্রী বলেন, চন্দন যে ধর্ম ত্যাগ করে বিয়ে করেছে তা পরিবারের কেউ জানত না। তিনি বলেন, চন্দন ১৪ বছর আগে বিয়ে করেছে। তার স্ত্রীর তিন্নি ঘোষ। সে কলকাতায় পড়াশোনা করছে। চন্দন মাঝেমধ্যে কলকাতায় গিয়ে স্ত্রীর কাছে থাকত। ঢাকায় তার দ্বিতীয় বিয়ের খবর স্ত্রী ও পরিবারের অজানা ছিল। তার বাবার নাম মৃত মোহিনী মোহন চক্রবর্তী। মানিকগঞ্জের শিবালয়ের বতনী শিমুলিয়া গ্রামে বাড়ি। মর্গ সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তের পর নিহত ব্যক্তির লাশ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে টানাহেঁচড়া শুরু হয়। গতকাল রাত পর্যন্ত মর্গ থেকে কোনো পক্ষকেই লাশ বুঝিয়ে দেয়া হয়নি। প্রচলিত আইন ও দু’পক্ষের মধ্যে সমাধা না হওয়া পর্যন্ত লাশ মর্গে রাখা হবে। পুলিশ জানায়, এ ঘটনায় থানায় দু’পক্ষই হত্যা মামলা দায়েরের জন্য আবেদন করেছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


