সীতাকুণ্ডে জাহাজ কাটার সময় বিস্ফোরণে ৪ শ্রমিক নিহত : ট্যাঙ্কার গ্যাস ফ্রি না করার অভিযোগ
চট্টগ্রাম ব্যুরো ও সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে শিপব্রেকিং ইয়ার্ডে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ৪ শ্রমিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ১৫ জন। নিখোঁজ রয়েছেন বেশ কয়েকজন। গতকাল সকালে উপজেলার মাদামবিবি এলাকায় অবস্থিত রহিম শিপইয়ার্ডে এ দুর্ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ এবং আমাদের সীতাকুণ্ড প্রতিনিধি জানিয়েছেন, সকালে মাদামবিবি হাট এলাকায় রহিম শিপইয়ার্ডে (ডায়মন্ড স্টিল) কাটার জন্য আনা জ্বালানি তেলবাহী ট্যাঙ্কার এমটিএগেট জাহাজটি শ্রমিকরা কাটতে যান।
শিপব্রেকিংয়ের কাটার শ্রমিকরা গ্যাস কাটার দিয়ে অয়েল ট্যাঙ্কারটি কাটতে শুরু করলে হঠাত্ করে বিকট শব্দে ট্যাঙ্কার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনে এবং আগুনের লেলিহান শিখা দেখে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চট্টগ্রাম ও কুমিরা স্টেশন থেকে দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। শিপইয়ার্ডের আশপাশের পানির উত্স না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা দমকল বাহিনীর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। দমকল বাহিনীর চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন জানিয়েছেন, শিপইয়ার্ডের আধা কিলোমিটারের মধ্যে পানির কোনো উত্স না থাকায় দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আগুন নেভানোর কাজে বেগ পেতে হয়। বিকাল ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এ ধরনের অয়েল ট্যাঙ্কার কাটার আগে ট্যাঙ্কারকে গ্যাস ফ্রি করে নিতে হয়। কিন্তু ইয়ার্ড মালিকরা গ্যাস ফ্রি না করেই জাহাজটি কাটার জন্য শ্রমিক নিয়োগ করে। গ্যাস কাটার দিয়ে অয়েল ট্যাঙ্কারটি কাটতে গিয়ে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। সীতাকুণ্ড থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে, অন্যজনের শরীর আগুনে ঝলছে যাওয়ায় তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় পাওয়া ৩ শ্রমিক হচ্ছেন সেলিম, পিতা-মৃত ওয়াকেব আলী, গ্রাম আনোইল, উপজেলা-কাঁঠালিয়া, জেলা-ঝালকাঠি, রানা মিয়া, পিতা-মৃত রহিজ মণ্ডল, গ্রাম-জোড় আলী, ধুনট, বগুড়া ও রবিউল, পিতা-আহমদ, গ্রাম-বাকাপুর, উপজেলা-মান্দা, জেলা-নওগাঁ।
সীতাকুণ্ড পুলিশ জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ১০ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রামের মেডিকেল সেন্টারসহ বেশ কয়েকটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত শ্রমিকরা হচ্ছেন নুরু, নজরুল ইসলাম, মিন্টু, কালাম, সোহরাব, নুরুল আলম, লুত্ফর ও সাদ্দাম। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে বলে স্থানীয় শ্রমিকরা জানিয়েছে। তবে ইয়ার্ড ম্যানেজার মোঃ সেলিম আহত ও নিহত শ্রমিকদের কারও নাম জানাতে পারেননি।
শিপব্রেকিংয়ের কাটার শ্রমিকরা গ্যাস কাটার দিয়ে অয়েল ট্যাঙ্কারটি কাটতে শুরু করলে হঠাত্ করে বিকট শব্দে ট্যাঙ্কার বিস্ফোরিত হয়ে আগুন ধরে যায়। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শুনে এবং আগুনের লেলিহান শিখা দেখে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চট্টগ্রাম ও কুমিরা স্টেশন থেকে দমকল বাহিনীর দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। শিপইয়ার্ডের আশপাশের পানির উত্স না থাকায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা দমকল বাহিনীর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ে। দমকল বাহিনীর চট্টগ্রামের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ জসিমউদ্দিন জানিয়েছেন, শিপইয়ার্ডের আধা কিলোমিটারের মধ্যে পানির কোনো উত্স না থাকায় দূর থেকে পানি সংগ্রহ করে আগুন নেভানোর কাজে বেগ পেতে হয়। বিকাল ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, এ ধরনের অয়েল ট্যাঙ্কার কাটার আগে ট্যাঙ্কারকে গ্যাস ফ্রি করে নিতে হয়। কিন্তু ইয়ার্ড মালিকরা গ্যাস ফ্রি না করেই জাহাজটি কাটার জন্য শ্রমিক নিয়োগ করে। গ্যাস কাটার দিয়ে অয়েল ট্যাঙ্কারটি কাটতে গিয়ে এ ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। সীতাকুণ্ড থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় নিহত ৪ জনের মধ্যে ৩ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে, অন্যজনের শরীর আগুনে ঝলছে যাওয়ায় তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পরিচয় পাওয়া ৩ শ্রমিক হচ্ছেন সেলিম, পিতা-মৃত ওয়াকেব আলী, গ্রাম আনোইল, উপজেলা-কাঁঠালিয়া, জেলা-ঝালকাঠি, রানা মিয়া, পিতা-মৃত রহিজ মণ্ডল, গ্রাম-জোড় আলী, ধুনট, বগুড়া ও রবিউল, পিতা-আহমদ, গ্রাম-বাকাপুর, উপজেলা-মান্দা, জেলা-নওগাঁ।
সীতাকুণ্ড পুলিশ জানিয়েছে, এ দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন ১০ শ্রমিক। তাদের চট্টগ্রামের মেডিকেল সেন্টারসহ বেশ কয়েকটি ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। গুরুতর আহত শ্রমিকরা হচ্ছেন নুরু, নজরুল ইসলাম, মিন্টু, কালাম, সোহরাব, নুরুল আলম, লুত্ফর ও সাদ্দাম। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ২ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছে বলে স্থানীয় শ্রমিকরা জানিয়েছে। তবে ইয়ার্ড ম্যানেজার মোঃ সেলিম আহত ও নিহত শ্রমিকদের কারও নাম জানাতে পারেননি।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


