১/১১ কালো দিবস এবং ২৫ জানুয়ারি গণতন্ত্র হত্যা দিবস : দূতাবাসের নিরাপত্তায় ভারতীয় বাহিনী সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি : দেলোয়ার
স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকার দূতাবাসে ভারতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ নিয়োগের প্রস্তাবে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, অন্য দেশ থেকে বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আসা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। গতকাল নয়াপল্টন বিএনপি কার্যা-লয়ে এক যৌথ সভাশেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্ব-ভৌমত্ব ও গণতন্ত্র নিয়ে ষড়যন্ত্র জনগণ কখনোই সহজভাবে নেয়নি এবং আগামীতেও নেবে না।
২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সরকার ও ১৯৭৫ সালের বাকশাল সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সরকার, তাদের ইন্ধনদাতা সেনা কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতাদের বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। গণতন্ত্র নস্যাত্কারী এ দুই সরকারের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড জাতির সামনে তুলে ধরতে ১১ জানুয়ারি ‘কালো দিবস’ ও ২৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করবে বিএনপি। যৌথ সভায় ১ জানুয়ারি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১৯ জানুয়ারি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভা শেষে ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, মিজানুর রহমান মিনু, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুর রহমান পটল, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, শামসুজ্জামান দুদু, রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, শিরিন সুলতানা, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শফিউল বারী বাবু, শাম্মী আখতার, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম খান আলিম প্রমুখ। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তার জন্য ৫০ জনের বিশেষ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল আসার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার সরকারের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনারসহ ঢাকায় অবস্থানরত সব কূটনীতিকের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। কিন্তু ভারতীয় হাইকমিশনারের জন্য কেন এই বিশেষ নিরাপত্তা? ভারত থেকে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আসার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা দেশের মানুষের জানার অধিকার রয়েছে। এটা সরকারকে অবশ্যই জানাতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা ও সদস্য বঙ্গভবনে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করে সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক ধারা বিনষ্ট করে। এরপর ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয় আরেকটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেনা সমর্থিত ওই সরকারের অধীনেই দুই বছর পর সাজানো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাই এই দিবসটি বিএনপি কালো দিবস হিসেবে পালন করবে।
ওয়ান-ইলেভেনের নায়কদের বিচারের ব্যাপারে বিএনপি কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে দেলোয়ার বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেরাই স্বীকার করেছে ওয়ান-ইলেভেন তাদের আন্দোলনের ফসল। সুতরাং তাদের কারণেই ওয়ান-ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে তাদেরই বিচারের উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
খোন্দকার দেলোয়ার বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। সব সংবাদপত্র বন্ধ করে কেবল চারটি সংবাদপত্র রেখে বাকস্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করেছিল। বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিল। গণতন্ত্র হত্যার এ দিবসটি সম্পর্কেও জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।
২০০৭ সালের ওয়ান-ইলেভেনের সরকার ও ১৯৭৫ সালের বাকশাল সরকারের সমালোচনা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ওয়ান-ইলেভেনের সরকার, তাদের ইন্ধনদাতা সেনা কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক নেতাদের বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। গণতন্ত্র নস্যাত্কারী এ দুই সরকারের নেতিবাচক কর্মকাণ্ড জাতির সামনে তুলে ধরতে ১১ জানুয়ারি ‘কালো দিবস’ ও ২৫ জানুয়ারি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ পালন করবে বিএনপি। যৌথ সভায় ১ জানুয়ারি ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ১৯ জানুয়ারি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৭৪তম জন্মবার্ষিকী পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সভা শেষে ব্রিফিংয়ে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বরচন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মোহাম্মদ শাহজাহান, মিজানুর রহমান মিনু, কেন্দ্রীয় নেতা ফজলুর রহমান পটল, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, শামসুজ্জামান দুদু, রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, শিরিন সুলতানা, হাবিব উন নবী খান সোহেল, শফিউল বারী বাবু, শাম্মী আখতার, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম খান আলিম প্রমুখ। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবরে ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের নিরাপত্তার জন্য ৫০ জনের বিশেষ নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ দল আসার বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার সরকারের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দাবি করেন। তিনি বলেন, ভারতীয় হাইকমিশনারসহ ঢাকায় অবস্থানরত সব কূটনীতিকের নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। কিন্তু ভারতীয় হাইকমিশনারের জন্য কেন এই বিশেষ নিরাপত্তা? ভারত থেকে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের আসার পেছনে অন্য কোনো কারণ আছে কিনা তা দেশের মানুষের জানার অধিকার রয়েছে। এটা সরকারকে অবশ্যই জানাতে হবে।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা ও সদস্য বঙ্গভবনে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদকে দিয়ে জরুরি অবস্থা জারি করে সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক ধারা বিনষ্ট করে। এরপর ড. ফখরুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত হয় আরেকটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার। সেনা সমর্থিত ওই সরকারের অধীনেই দুই বছর পর সাজানো সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাই এই দিবসটি বিএনপি কালো দিবস হিসেবে পালন করবে।
ওয়ান-ইলেভেনের নায়কদের বিচারের ব্যাপারে বিএনপি কোনো ব্যবস্থা নেবে কিনা জানতে চাইলে দেলোয়ার বলেন, আওয়ামী লীগ নিজেরাই স্বীকার করেছে ওয়ান-ইলেভেন তাদের আন্দোলনের ফসল। সুতরাং তাদের কারণেই ওয়ান-ইলেভেন সৃষ্টি হয়েছে। এ ব্যাপারে তাদেরই বিচারের উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে ভবিষ্যতে জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে হবে।
খোন্দকার দেলোয়ার বলেন, ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠা করে গণতন্ত্র হত্যা করেছিল। সব সংবাদপত্র বন্ধ করে কেবল চারটি সংবাদপত্র রেখে বাকস্বাধীনতার পথ রুদ্ধ করেছিল। বিশেষ ক্ষমতা আইন প্রয়োগ করে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা ও গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছিল। গণতন্ত্র হত্যার এ দিবসটি সম্পর্কেও জনগণের জানার অধিকার রয়েছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


