মিসরে ৪ হাজার বাংলাদেশী শ্রমিকের মানবেতর জীবন
শামসুস সালেহীন
মিসরের বিভিন্ন এলাকায় চার হাজার বাংলাদেশী মানবেতর দিন কাটাচ্ছে। তাদের অবৈধপথে এবং টুরিস্ট হিসেবে সেখানে পাচার করা হয়েছে। একটি সংঘবদ্ধ চক্র এখনও অবাধে ভ্রমণ ভিসায় বাংলাদেশী শ্রমিক পাচার করছে মিসরে। তারা কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাসের একশ্রেণীর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজশে মানুষ পাচার চালিয়ে যাচ্ছে। মিসর থেকে ফিরে আসা টাঙ্গাইলের মধুপুরের জালালউদ্দিন স্বপন, মাগুরার সোলেমান মিয়া, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার সাপদী গ্রামের মুছা মিয়া এসব তথ্য জানিয়েছেন।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, গত ১১ মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে ৭০ হাজার শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছে। প্রতিমাসে ৫ থেকে ৭ হাজার শ্রমিক দেশে ফেরত আসছে। ২০১০ সালের শুরুতেই মিসর, দুবাই, মরিসাস, সৌদি আরব, লিবিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সৌদি আরব ও মরিসাসসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমিক রফতানির ক্ষেত্রে যে সমস্যাগুলো রয়েছে তা সমাধান করতে পারেনি সরকার। মিসরের বিভিন্ন এলাকায় শত শত বাংলাদেশী শ্রমিক রয়েছে বিভিন্ন কারাগারে। তাদেরও নতুন বছরের শুরুতেই দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।
মিসরের বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে ফিরে আসা বাংলাদেশীরা জানিয়েছেন, ঢাকার বারিধারার একটি ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তা সাইফুল বাংলাদেশের নিরীহ শ্রমিকদের নানারকম প্রলোভন দেখিয়ে মিসরে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলছে। তাদের টুরিস্ট বা ‘গলাধাক্কা’ ভিসায় মিসরে পাচার করা হচ্ছে। সূত্র আরও জানায়, মিসরে শ্রমিক পাচার চক্রের সদস্য রাসেল, জুয়েল ওরফে ইসলাম, নাজমূল ওরফে আলী এবং কাউসার কায়রোসহ মিসরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশী শ্রমিকদের রিসিভ করে পাসপোর্ট রেখে গা ঢাকা দেয়। কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা জনৈক ওমর তাদের সহযোগিতা করছে বলে ফিরে আসা বাংলাদেশীদের অভিযোগ। ফলে ভালো চাকরির প্রলোভনে টুরিস্ট ভিসা ও অবৈধ পথে মিসরে গিয়ে বাংলাদেশী শ্রমিকরা মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। প্রতারিত হয়ে ফিরে আসা বাংলাদেশী শ্রমিক জালালউদ্দিন স্বপন, সোলেমান মিয়া ও মুছা মিয়া জানান, মিসরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশী সেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা সারাদিনে একবেলা খাবারও পাচ্ছে না। রাত কাটাচ্ছে বনে-জঙ্গলে। রাস্তায় বেরুতে পারছে না পুলিশের ভয়ে। ফিরে আসা বাংলাদেশীরা আরও জানান, কায়রোর আদম পাচার চক্রের সদস্য রাসেল ও জুয়েল ওরফে ইসলামের ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। টুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতেই তারা দেশে আসছে বলে সূত্র জানায়। এই চক্রের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের মধুপুরের জালালউদ্দিন স্বপন মিসরে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, মিসরে মানবেতর দিন কাটানোর পর অনেক কষ্টে এক কাপড়ে দেশে ফিরেছেন তিনি। এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মানুষ পাচার ও প্রতারকদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্র আরও জানায়, বিদেশ থেকে শ্রমিক ফেরত আসার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪৮১৭, ফেব্রুয়ারিতে ৮০০০, মার্চে ৯১২৭, এপ্রিলে ৮০৬৭, মে’তে ৮১৭৫, জুনে ৫০০০, জুলাইয়ে ৫৪০০, আগস্টে ৫৩৯৮, সেপ্টেম্বরে ৪৪৮২, অক্টোবরে ৫৪৯০ এবং নভেম্বরে ৩৩৪২ শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছে। গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি ফেরত এসেছে ২০ হাজার শ্রমিক। সূত্র জানায়, সুষ্ঠু কূটনৈতিক তত্পরতার অভাব এবং প্রতারক চক্রের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই বিদেশ থেকে শ্রমিক ফেরত আসার ঘটনা আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানিয়েছে, গত ১১ মাসে বিভিন্ন দেশ থেকে ৭০ হাজার শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছে। প্রতিমাসে ৫ থেকে ৭ হাজার শ্রমিক দেশে ফেরত আসছে। ২০১০ সালের শুরুতেই মিসর, দুবাই, মরিসাস, সৌদি আরব, লিবিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক হাজার শ্রমিক দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। সৌদি আরব ও মরিসাসসহ বিশ্বের কয়েকটি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের শ্রমিক রফতানির ক্ষেত্রে যে সমস্যাগুলো রয়েছে তা সমাধান করতে পারেনি সরকার। মিসরের বিভিন্ন এলাকায় শত শত বাংলাদেশী শ্রমিক রয়েছে বিভিন্ন কারাগারে। তাদেরও নতুন বছরের শুরুতেই দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে।
মিসরের বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের উদ্ধৃতি দিয়ে ফিরে আসা বাংলাদেশীরা জানিয়েছেন, ঢাকার বারিধারার একটি ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তা সাইফুল বাংলাদেশের নিরীহ শ্রমিকদের নানারকম প্রলোভন দেখিয়ে মিসরে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করে তুলছে। তাদের টুরিস্ট বা ‘গলাধাক্কা’ ভিসায় মিসরে পাচার করা হচ্ছে। সূত্র আরও জানায়, মিসরে শ্রমিক পাচার চক্রের সদস্য রাসেল, জুয়েল ওরফে ইসলাম, নাজমূল ওরফে আলী এবং কাউসার কায়রোসহ মিসরের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশী শ্রমিকদের রিসিভ করে পাসপোর্ট রেখে গা ঢাকা দেয়। কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা জনৈক ওমর তাদের সহযোগিতা করছে বলে ফিরে আসা বাংলাদেশীদের অভিযোগ। ফলে ভালো চাকরির প্রলোভনে টুরিস্ট ভিসা ও অবৈধ পথে মিসরে গিয়ে বাংলাদেশী শ্রমিকরা মানবেতর অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে। প্রতারিত হয়ে ফিরে আসা বাংলাদেশী শ্রমিক জালালউদ্দিন স্বপন, সোলেমান মিয়া ও মুছা মিয়া জানান, মিসরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় ৪ হাজার বাংলাদেশী সেখানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। তারা সারাদিনে একবেলা খাবারও পাচ্ছে না। রাত কাটাচ্ছে বনে-জঙ্গলে। রাস্তায় বেরুতে পারছে না পুলিশের ভয়ে। ফিরে আসা বাংলাদেশীরা আরও জানান, কায়রোর আদম পাচার চক্রের সদস্য রাসেল ও জুয়েল ওরফে ইসলামের ২৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে। টুরিস্ট ভিসায় বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিতেই তারা দেশে আসছে বলে সূত্র জানায়। এই চক্রের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের মধুপুরের জালালউদ্দিন স্বপন মিসরে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন বলে জানান। তিনি বলেন, মিসরে মানবেতর দিন কাটানোর পর অনেক কষ্টে এক কাপড়ে দেশে ফিরেছেন তিনি। এ ব্যাপারে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, মানুষ পাচার ও প্রতারকদের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে মন্ত্রণালয় কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে থাকে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সূত্র আরও জানায়, বিদেশ থেকে শ্রমিক ফেরত আসার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ৪৮১৭, ফেব্রুয়ারিতে ৮০০০, মার্চে ৯১২৭, এপ্রিলে ৮০৬৭, মে’তে ৮১৭৫, জুনে ৫০০০, জুলাইয়ে ৫৪০০, আগস্টে ৫৩৯৮, সেপ্টেম্বরে ৪৪৮২, অক্টোবরে ৫৪৯০ এবং নভেম্বরে ৩৩৪২ শ্রমিক দেশে ফেরত এসেছে। গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি ফেরত এসেছে ২০ হাজার শ্রমিক। সূত্র জানায়, সুষ্ঠু কূটনৈতিক তত্পরতার অভাব এবং প্রতারক চক্রের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই বিদেশ থেকে শ্রমিক ফেরত আসার ঘটনা আগের চেয়ে অনেকগুণ বেড়েছে।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


