৫শ’ ইয়াবা ট্যাবলেট ও সাড়ে ৮ লাখ টাকাসহ ইয়াবা সম্রাট রফিক ও দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার
স্টাফ রিপোর্টার
রাজধানীর রমনা থানা এলাকা থেকে ৫শ’ যৌন উত্তেজক ইয়াবা ট্যাবলেট ও সাড়ে ৮ লাখ টাকাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাব জানায়, গত শুক্রবার রাতে গ্রেফতার হওয়া রফিকুল ইসলাম দেশে ইয়াবা সম্রাট হিসেবে পরিচিত। অপরজন তার সহযোগী আবুল কালাম। তারা টেকনাফের বাসিন্দা। তারা প্রতি মাসে টেকনাফ থেকে কোটি কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকায় সরবরাহ করত।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, রফিকুল ইসলাম তাদের জানিয়েছে, সে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে টেকনাফ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি সরবরাহ করত।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে রফিক আরও জানিয়েছে, গত তিন বছর ধরে সে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। সে এখন দেশের ইয়াবা ব্যবসার সবচেয়ে বড় ডিলার। সে প্রতি সপ্তাহে ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ঢাকা শহরে সরবরাহ করে আসছিল। রফিক ইয়াবার ব্যবসা করে অল্প সময়ে অগাধ অর্থের মালিক বনে যায়। ইয়াবা সরবরাহে সে কম বয়সী ছেলেদের কাজে লাগাত। র্যাবের অভিযানে এর আগে আদাবর থানাধীন শ্যামলী রিং রোডের মহানন্দা ভবনের ৯/এ হোল্ডিংয়ের নিচতলা থেকে ২২৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রফিকের সহযোগী শুকুর আলী, ফরিদ আলমকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও নগরীর মোহাম্মদপুর থানাধীন আজিজ মহল্লা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৬শ’ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রফিকের অপর সহযোগী শহিদ এবং ১৩ বছরের মোন্নাফকে গ্রেফতার করে র্যাব। গ্রেফতারকৃত রফিকের বাবা আবদুল মোতালেব ওরফে মোতালেব সওদাগরও ইয়াবা ব্যবসায়ী। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
র্যাব কর্মকর্তারা জানান, রফিকুল ইসলাম তাদের জানিয়েছে, সে দীর্ঘদিন ধরে মিয়ানমার থেকে নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট সংগ্রহ করে টেকনাফ, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি সরবরাহ করত।
র্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে রফিক আরও জানিয়েছে, গত তিন বছর ধরে সে ইয়াবা ব্যবসায় জড়িত। সে এখন দেশের ইয়াবা ব্যবসার সবচেয়ে বড় ডিলার। সে প্রতি সপ্তাহে ৪৫ থেকে ৫০ লাখ টাকার ইয়াবা ঢাকা শহরে সরবরাহ করে আসছিল। রফিক ইয়াবার ব্যবসা করে অল্প সময়ে অগাধ অর্থের মালিক বনে যায়। ইয়াবা সরবরাহে সে কম বয়সী ছেলেদের কাজে লাগাত। র্যাবের অভিযানে এর আগে আদাবর থানাধীন শ্যামলী রিং রোডের মহানন্দা ভবনের ৯/এ হোল্ডিংয়ের নিচতলা থেকে ২২৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রফিকের সহযোগী শুকুর আলী, ফরিদ আলমকে গ্রেফতার করা হয়। এছাড়াও নগরীর মোহাম্মদপুর থানাধীন আজিজ মহল্লা এলাকার একটি ফ্ল্যাট থেকে ১৬শ’ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ রফিকের অপর সহযোগী শহিদ এবং ১৩ বছরের মোন্নাফকে গ্রেফতার করে র্যাব। গ্রেফতারকৃত রফিকের বাবা আবদুল মোতালেব ওরফে মোতালেব সওদাগরও ইয়াবা ব্যবসায়ী। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


