শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শনকালে পররাষ্ট্র সচিব : দু’দেশের মধ্যে বৈঠক করে প্রত্যাবাসন শুরু হবে
কক্সবাজার প্রতিনিধি
পররাষ্ট্র সচিব মিজারুল কায়েস বলেছেন, মিয়ানমার হচ্ছে বন্ধুপ্রতিম দেশ। দু’দেশের উচ্চপর্যায়ে বৈঠক করে যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের কাজ শুুরু করা হবে। আগামী ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় বাংলাদেশ-মিয়ানমার পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে চতুর্থ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা নাগরিকদের প্রত্যাবাসনের প্রস্তাব দেয়া হবে। প্রস্তাবে ইতিবাচক সাড়া পাওয়া গেলে জানুয়ারি মাসেই প্রত্যাবাসন কার্যক্রম শুরু হবে। গতকাল কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ও টেকনাফের নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্প পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উখিয়া রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সংগ্রাম কমিটির আহ্বায়ক অধ্যক্ষ হামিদুল হক চৌধুরী ও সদস্য-সচিব নুর মোহাম্মদ সিকদার ১১ দফা দাবি সংবলিত রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয় নিয়ে পররাষ্ট্র সচিবকে স্মারকলিপি প্রদান করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ত্রাণ ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন কর্মকর্তা ফিরোজ সালাউদ্দিন, জেলা প্রশাসক গিয়াস উদ্দিন আহমদ, ইউএনএইচসিআরের কান্ট্রি ডিরেক্টর সাবের আজম, পুলিশ সুপার সাখাওয়াত হোসাইন, উখিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ গোলামুর রহমান, কুতুপালং ক্যাম্প ইনচার্জ ফজলে রাব্বী।
উল্লেখ্য, কুতুপালং ও নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে রেজিস্টার্ড ২৮ হাজার ও অবৈধ ৭০ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গা রয়েছে।
উল্লেখ্য, কুতুপালং ও নয়াপাড়া শরণার্থী ক্যাম্পে রেজিস্টার্ড ২৮ হাজার ও অবৈধ ৭০ হাজারের কাছাকাছি রোহিঙ্গা রয়েছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া

