নবীগঞ্জে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে শিশু নিহত : আহত অর্ধশতাধিক
নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
নবীগঞ্জ উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের সাকুয়া গ্রামে শুক্রবার বিকাল ও গতকাল দফায় দফায় সংঘর্ষে শিশু লিজা বেগম (২ মাস) নিহত এবং মহিলাসহ কমপক্ষে অর্ধশতাধিক লোক আহত হয়েছে। আহতদের সিলেট, হবিগঞ্জ ও নবীগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৪ জনকে আটক করেছে। এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার উল্লেখিত গ্রামে একটি রাস্তায় মাটি কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত দু’দিন ধরে এলাকার বহুল আলোচিত সাগর-শান্তি বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার বিকাল ও রাতে উভয়পক্ষে সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। এর জের ধরে গতকাল বিকালে সাগর বাহিনীর লোকজন শান্তিবাহিনীর নিমার উদ্দিন মেম্বার ও জবেদ আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় নিমার উদ্দিনের লোকজন পাল্টা হামলা চালালে মহিলাসহ কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সাগর বাহিনীর হামলায় শান্তি বাহিনীর ছমির আলীর শিশুকন্যা লিজা বেগম ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ এবং হবিগঞ্জ ও নবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক সাজিদুল একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের গ্রেফতার না করে হামলায় আক্রান্তদের বাড়ি থেকে শামীম, মংলা মিয়া, আবদুল আহাদ ও তছর উদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। দারোগা সাজিদুল এ সময় সাংবাদিকদের হামলায় আহতদের ছবি তুলতে বাধা দেয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ রিপোর্ট লেখার সময় সাকুয়া গ্রামে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্র জানায়, উপজেলার উল্লেখিত গ্রামে একটি রাস্তায় মাটি কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত দু’দিন ধরে এলাকার বহুল আলোচিত সাগর-শান্তি বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। শুক্রবার বিকাল ও রাতে উভয়পক্ষে সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়। এর জের ধরে গতকাল বিকালে সাগর বাহিনীর লোকজন শান্তিবাহিনীর নিমার উদ্দিন মেম্বার ও জবেদ আলীর বাড়িতে হামলা চালায়। এ সময় নিমার উদ্দিনের লোকজন পাল্টা হামলা চালালে মহিলাসহ কমপক্ষে ৪০ জন আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সাগর বাহিনীর হামলায় শান্তি বাহিনীর ছমির আলীর শিশুকন্যা লিজা বেগম ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহতদের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ এবং হবিগঞ্জ ও নবীগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে চিকিত্সা দেয়া হয়েছে। খবর পেয়ে নবীগঞ্জ থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক সাজিদুল একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে হামলাকারীদের গ্রেফতার না করে হামলায় আক্রান্তদের বাড়ি থেকে শামীম, মংলা মিয়া, আবদুল আহাদ ও তছর উদ্দিনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। দারোগা সাজিদুল এ সময় সাংবাদিকদের হামলায় আহতদের ছবি তুলতে বাধা দেয়। এ ঘটনায় সাংবাদিকদের মাঝে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ রিপোর্ট লেখার সময় সাকুয়া গ্রামে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


