গরু পালন করে স্বাবলম্বী প্রতিবন্ধী আবদুল কুদ্দুস
আরিফুল আবেদীন টিটো, ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বংকিরা গ্রামের প্রতিবন্ধী আবদুল কুদ্দুস এক ব্যতিক্রমী গরুর খামার গড়ে তুলেছেন। বিপুলসংখ্যক গরু পালন করতে তার তেমন একটা খরচ নেই। ৪৮ বছর ধরে তিনি মাঠে গরু চরিয়ে এক আদর্শ কৃষকে পরিণত হয়েছেন। পৈতৃক মাত্র ১৬ বিঘা জমি থেকে গরু পালন করে এখন তার চাষাবাদযোগ্য ৭৪ বিঘা জমি। গ্রামের বয়োবৃদ্ধ আইয়ুব হোসেন বিশ্বাস জানান, বংকিরা গ্রামের ছানারুদ্দীন মণ্ডলের তিন ছেলের মধ্যে আবদুল কুদ্দুস ছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী। মাঠে কাজ করতে না পারায় ১৯৬১ সালে বাবার কয়েকটি গাভী নিয়ে প্রতিবন্ধী আবদুল কুদ্দুস গরু পালন শুরু করেন। কয়েকটি গাভী থেকে তার খামারে এখন ছোট-বড় শতাধিক গরু। গরু পালন করতে কুদ্দুসের তেমন খরচ হয় না। তিনজন রাখাল ও প্রতিবন্ধী আবদুল কুদ্দুস নিজে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাঠে গরু চরিয়ে থাকেন। খামারবাড়িতে গরুর খাবারের প্রয়োজন হয় না। আবদুল কুদ্দুস জানান, গাভী ও এঁড়ে গরুগুলোকে তিনি বিভিন্ন নামে ডেকে থাকেন। গরুর নাম ধরে ডাকলেই আবদুল কুদ্দুসের কাছে ছুটে আসে কিংবা অন্যের ফসলের ক্ষেত থেকে ফিরে আসে। কুদ্দুসের বড় ভাই বিশারত আলী মণ্ডল জানান, দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের গরুর খামার থেকে প্রায় এক হাজার গরু বিক্রি করে মাঠে জমি কেনা হয়েছে। এখন প্রতি বছরই খামার থেকে ২০টি গরু বিক্রি করে সংসারের প্রয়োজন মেটানো হয়।
এভাবে আবদুল কুদ্দুসের তিন ভাইয়ের মাঠে এখন জমির পরিমাণ ৭৪ বিঘা।
গ্রামের ইউপি মেম্বার শুকদেব কর্মকার জানান, প্রতিবন্ধী হলেও চিরকুমার আবদুল কুদ্দুস গরু পালন করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা অনুকরণীয়। গরু পালনের মাধ্যমে তাদের একান্নবর্তী পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। তিনি এখন গোটা জেলার মডেল গরুর খামারি।
এভাবে আবদুল কুদ্দুসের তিন ভাইয়ের মাঠে এখন জমির পরিমাণ ৭৪ বিঘা।
গ্রামের ইউপি মেম্বার শুকদেব কর্মকার জানান, প্রতিবন্ধী হলেও চিরকুমার আবদুল কুদ্দুস গরু পালন করে যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা অনুকরণীয়। গরু পালনের মাধ্যমে তাদের একান্নবর্তী পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে। তিনি এখন গোটা জেলার মডেল গরুর খামারি।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


