গৌরীপুরে ভেজাল সার
গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলায় সরকারি নীতিমালার তোয়াক্কা না করে অসাধু খুচরা দোকানিরা ভারতীয় ভেজাল সার এবং কীটনাশকের রমরমা ব্যবসা অবাধে চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে এলাকার নিরীহ কৃষকসমাজ। স্থানীয় অসাধু খুচরা ব্যবসায়ীরা সারে ভেজাল দিয়ে লাইসেন্সপ্রাপ্ত সার ডিলারগণের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে বাজারে বিক্রি করে ডিলারদের ওপর দায় চাপিয়ে চলেছে। এসব ভেজাল সার ও কীটনাশক ব্যবহার করার ফলে জমির মাটি উর্বরতা হারিয়ে বহুলাংশে উত্পাদন ব্যাহত হচ্ছে। এতে কৃষকরা চরমভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ রহস্যজনক কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছেন। জানা গেছে, কতিপয় সার ব্যবসায়ী স্থানীয় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অবহিত না করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিশেষ পন্থায় ম্যানেজ করে ইউরিয়া ও ননইউরিয়া সার আমদানি করার লাইসেন্স সংগ্রহ করছে। কৃষক মারার জন্যই এসব দু’নম্বর সার আনা হয়েছে। ব্যবসায়ীরা দোকানে ভালো সার সাজিয়ে রেখে গোপন গোডাউন থেকে নিম্নমানের নকল ও ভেজাল সার বিক্রি করে নিজেরা অধিক লাভবান হচ্ছে। পক্ষান্তরে কৃষকরা এসব সার জমিতে প্রয়োগ করে উত্পাদনের ক্ষেত্রে মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন। গৌরীপুর উপজেলা শহর ও শহরতলির হাটবাজার ঘুরে দেখা গেছে, লাইসেন্সবিহীন ও বিশেষ পন্থায় নির্দিষ্ট সার বিক্রির লাইসেন্সপ্রাপ্ত ব্যবসায়ীরা ইউরিয়াসহ অবাধে সকল প্রকার সার বিক্রি করে চলেছেন। সরকারিভাবে প্রতি ৫০ কেজি ইউরিয়া সার ৫৮৫ টাকা বিক্রি করার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে অভিযোগ উঠেছে, কোনো কোনো ব্যবসায়ী নিম্নমানের এবং ওজনে কম দিয়ে প্রতি বস্তা ইউরিয়া সার ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকায় বিক্রি করছে। ইউরিয়া ছাড়াও টিএসপি, এসএসপি, জিপসাম, মিশ্র, ডিএপি, পটাশ ও অন্যান্য সার সরকারি মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি করে প্রকৃত সার ডিলার ও বৈধ সার ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা হচ্ছে বলে সার ব্যবসায়ীরা এ প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
অপরদিকে গৌরীপুরে কীটনাশক লাইসেন্সধারী দোকানের পাশাপাশি নামে-বেনামে সার/কীটনাশক বিক্রেতা রয়েছে শতাধিক। এদের অনেকের বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে নকল ও নিষিদ্ধ ভারতীয় কীটনাশক বিক্রির অভিযোগ। সূত্রমতে, কীটনাশক বিক্রেতাদের প্রত্যেকের স্টক, সেলস রেজিস্ট্রার থাকার পাশাপাশি কীটনাশক অর্ডিন্যান্স ৭১ অনুযায়ী পরিদর্শন বইও থাকতে হয়। এছাড়াও ক্রেতাদের বিক্রি রসিদও দিতে হয়। এক্ষেত্রে এসব অসাধু ব্যবসাযী সরকারি নিয়মনীতির ধার না ধেরে কোম্পানির ইনট্যাক্ট কীটনাশকের বোতল খুলে তা খুচরা বিক্রি করে থাকে, যা কীটনাশক বিক্রি আইনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। স্থানীয়ভাবে এসব তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ কখনওই খতিয়ে দেখেন না বিষয়টি। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ভেজাল কীটনাশক ও নিম্নমানের সার অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ কৃষকের অভিযোগ, এ সব নকল, ভেজাল ও নিষিদ্ধ কীটনাশক জমিতে ব্যবহার করে তারা পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করতে পারছেন না। উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের কৃষক মালেক, নাজিম উদ্দিন, মইলাকান্দা ইউনিয়নের এমদাদুল, বাসার, কাঞ্চন, রেজাউল ইসলামসহ অনেকেই জানান, দেশীয় কীটনাশকের মতো ভারতীয় কীটনাশকের ব্যবহার একটু মাত্রায় বেশি প্রয়োগ করা হলেই বিশেষ করে ধানের জমি বিনষ্ট হয়ে যায়। এদিকে দেশি কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় অনেক কৃষকই সস্তায় ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সস্তায় ভেজাল কীটনাশক সুপার কালার, শক্তি, রিপকড, থাইডিন, ইন্ডেফিল পাউডার, গিলসিপ ব্যবহার করে উত্পাদন ক্ষতিতে পড়ছে কৃষককুল। এক্ষেত্রে বাজার তদারকি ও জমিতে সার-কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের সচেতন করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কার্ষকর ভূমিকা নেই বললেই চলে।
অপরদিকে গৌরীপুরে কীটনাশক লাইসেন্সধারী দোকানের পাশাপাশি নামে-বেনামে সার/কীটনাশক বিক্রেতা রয়েছে শতাধিক। এদের অনেকের বিরুদ্ধে রয়েছে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে নকল ও নিষিদ্ধ ভারতীয় কীটনাশক বিক্রির অভিযোগ। সূত্রমতে, কীটনাশক বিক্রেতাদের প্রত্যেকের স্টক, সেলস রেজিস্ট্রার থাকার পাশাপাশি কীটনাশক অর্ডিন্যান্স ৭১ অনুযায়ী পরিদর্শন বইও থাকতে হয়। এছাড়াও ক্রেতাদের বিক্রি রসিদও দিতে হয়। এক্ষেত্রে এসব অসাধু ব্যবসাযী সরকারি নিয়মনীতির ধার না ধেরে কোম্পানির ইনট্যাক্ট কীটনাশকের বোতল খুলে তা খুচরা বিক্রি করে থাকে, যা কীটনাশক বিক্রি আইনে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। স্থানীয়ভাবে এসব তদারকির দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষ কখনওই খতিয়ে দেখেন না বিষয়টি। ফলে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের নাকের ডগায় উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে ভেজাল কীটনাশক ও নিম্নমানের সার অবাধে বিক্রি করা হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন এলাকার অধিকাংশ কৃষকের অভিযোগ, এ সব নকল, ভেজাল ও নিষিদ্ধ কীটনাশক জমিতে ব্যবহার করে তারা পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করতে পারছেন না। উপজেলার বোকাইনগর ইউনিয়নের কৃষক মালেক, নাজিম উদ্দিন, মইলাকান্দা ইউনিয়নের এমদাদুল, বাসার, কাঞ্চন, রেজাউল ইসলামসহ অনেকেই জানান, দেশীয় কীটনাশকের মতো ভারতীয় কীটনাশকের ব্যবহার একটু মাত্রায় বেশি প্রয়োগ করা হলেই বিশেষ করে ধানের জমি বিনষ্ট হয়ে যায়। এদিকে দেশি কীটনাশকের দাম বেশি হওয়ায় অনেক কৃষকই সস্তায় ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। সস্তায় ভেজাল কীটনাশক সুপার কালার, শক্তি, রিপকড, থাইডিন, ইন্ডেফিল পাউডার, গিলসিপ ব্যবহার করে উত্পাদন ক্ষতিতে পড়ছে কৃষককুল। এক্ষেত্রে বাজার তদারকি ও জমিতে সার-কীটনাশক ব্যবহারে কৃষকদের সচেতন করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের কার্ষকর ভূমিকা নেই বললেই চলে।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


