রাঙ্গুনিয়ায় উত্পাদন কম : কৃষক হতাশ
নুরুল আবছার চৌধুরী, রাঙ্গুনিয়া
রাঙ্গুনিয়ায় চলতি আমনের ফলন সন্তোষজনক হয়নি। ধানের ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় কৃষকরা হতাশ। আমন মৌসুমে পরিমিত সার ও ভালো কীটনাশক ওষুধ না পাওয়াতে ধানের শীষ আসার সময় গুনগুনিয়া রোগে আক্রান্ত হয়। এ কারণে ধান গাছগুলো সফলভাবে ফলন দিতে পারেনি বলে কৃষকরা জানিয়েছেন।
কৃষকরা জানান, আমনের রোপা রোপণের সময় যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে সেই অনুপাতে উত্পাদন হয়নি। চলতি বছর প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ৪০-৪৫ আড়ির (প্রতি আড়ি সমান ১০ কেজি) ওপরে ধান উত্পাদন হয়নি। অথচ মধ্যমমানের ফলন হলে ৫০-৭০ আড়ি ধান উত্পাদন হয়। ভালো ফলন হলে প্রতি কানিতে ৭০-১০০ আড়ি ধান উত্পাদন হয়।
কৃষক এসএম সেলিম বলেন, শস্য ভাণ্ডারখ্যাত উত্তর চট্টগ্রামের বৃহত্তম গুমাইবিলে ধানের ফলন এবার সন্তোষজনক হয়নি। ২ হাজার ৫০০ একর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। কিছু কিছু কৃষকের ধান পুরোপুরি না পাকায় ঘরে তুলতে একটু দেরি হচ্ছে। বগাবিলির কৃষক সোনামণি জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ধানের ফলন কম হয়েছে। নকল সার ও ভেজাল কীটনাশকের কারণে ফলন কম হয়েছে।
মরিয়মনগর চৌমুহনী রাইস মিলের মালিক তপন দে বলেন, আমনের ফলন গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। কৃষকরা বাড়তি টাকা খরচ করে ধানের ন্যায্যমূল্যে দাম না পাওয়াতে লোকসান গুনতে হবে। গত বছর ধানের দাম প্রতি আড়ি ১১০-১৩০ টাকা ছিল। এ বছর ধানের দাম কিছুটা বেড়েছে। ১৩০-১৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
কৃষকরা জানান, আমনের রোপা রোপণের সময় যে পরিমাণ টাকা খরচ হয়েছে সেই অনুপাতে উত্পাদন হয়নি। চলতি বছর প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ৪০-৪৫ আড়ির (প্রতি আড়ি সমান ১০ কেজি) ওপরে ধান উত্পাদন হয়নি। অথচ মধ্যমমানের ফলন হলে ৫০-৭০ আড়ি ধান উত্পাদন হয়। ভালো ফলন হলে প্রতি কানিতে ৭০-১০০ আড়ি ধান উত্পাদন হয়।
কৃষক এসএম সেলিম বলেন, শস্য ভাণ্ডারখ্যাত উত্তর চট্টগ্রামের বৃহত্তম গুমাইবিলে ধানের ফলন এবার সন্তোষজনক হয়নি। ২ হাজার ৫০০ একর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। কিছু কিছু কৃষকের ধান পুরোপুরি না পাকায় ঘরে তুলতে একটু দেরি হচ্ছে। বগাবিলির কৃষক সোনামণি জানান, গত বছরের তুলনায় এ বছর ধানের ফলন কম হয়েছে। নকল সার ও ভেজাল কীটনাশকের কারণে ফলন কম হয়েছে।
মরিয়মনগর চৌমুহনী রাইস মিলের মালিক তপন দে বলেন, আমনের ফলন গত বছরের চেয়ে কম হয়েছে। কৃষকরা বাড়তি টাকা খরচ করে ধানের ন্যায্যমূল্যে দাম না পাওয়াতে লোকসান গুনতে হবে। গত বছর ধানের দাম প্রতি আড়ি ১১০-১৩০ টাকা ছিল। এ বছর ধানের দাম কিছুটা বেড়েছে। ১৩০-১৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


