Amardesh
আজঃ ঢাকা, রোববার ২৭ ডিসেম্বর ২০০৯, ১৩ পৌষ ১৪১৬, ৭ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

টাকার বিপরীতে ডলার শক্তিশালী

অর্থনৈতিক রিপোর্টার
গত সপ্তাহেও আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে বাংলাদেশী টাকার বিপরীতে মার্কিন ডলার শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখে। সপ্তাহ শেষে ডলারের চাহিদা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশী টাকার বিপরীতে ডলার বেশ কিছুটা শক্তিশালী হয়ে ওঠে। সপ্তাহ শেষে সরাসরি ট্রেডিংয়ে প্রতি মার্কিন ডলার বাংলাদেশী টাকার বিপরীতে ৬৯ টাকা ২৫ পয়সায় লেনদেন হতে দেখা যায়।
সিটি ব্যাংক এনএ’র মুদ্রাবাজার পর্যালোচনায় বলা হয়, দুবাই ঋণ সঙ্কট ঘনীভূত হওয়ার আশঙ্কায় মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে সপ্তাহ শুরু হয়। এ সময় ডলার জাপানি ইয়েনের বিপরীতে মার্কিন ডলার দুই মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে প্রতি ডলার ৯১ দশমিক ৫৭ ইয়েনে কেনাবেচা হয়। আন্তর্জাতিক রেটিং এজেন্সি ‘মুডি’ গ্রিসের ক্রেডিট রেটিংয়ের অবনমন ঘটলে ইউরোপীয় একক মুদ্রা ইউরো ডলারের বিপরীতে প্রায় তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে আসে। প্রতি ইউরো এ সময় ১ দশমিক ৪২১৯ ডলারে কেনাবেচা হয়। সপ্তাহের শেষ দিকে গৃহায়ন খাতের হতাশাজনক খবরে মার্কিন অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে শঙ্কা দেখা দিলে ডলারের দরপতন ঘটে। বুধবার প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায় গত মাসে মার্কিন মুলুকে নতুন গৃহ বিক্রি সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ছিল। এই খবরে ইউরো মার্কিন ডলারের বিপরীতে শক্তিশালী হয়ে ১ দশমিক ৪৪০০ ডলারে পৌঁছে যায়। ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং এ সপ্তাহে ডলারের বিপরীতে ১ দশমিক ৬০০০ লেভেল ভেঙে নিচে নেমে আসে। তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে কানাডীয় ডলার সপ্তাহজুড়ে শক্তিশালী অবস্থান ধরে রাখে। বৃহস্পতিবার কানাডীয় ডলার মার্কিন ডলারের বিপরীতে প্রায় তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠে যায়। এ সময় প্রতি মার্কিন ডলার ১ দশমিক ০৪৮৫ কানাডিয়ান ডলারে লেনদেন হয়। সপ্তাহ শেষে প্রতি ইউরো ১ দশমিক ৪৩৯৪ ডলারে, প্রতি স্টার্লিং ১ দশমিক ৫৯৬২ ডলারে, প্রতি ডলার ৯১ দশমিক ২৯ ইয়েনে লেনদেন হয়। অপরিশোধিত তেলের নাইমেক্স সূচক ৭২ ডলারের কিছুটা উপরে থেকে সপ্তাহ শুরু করে। তবে সপ্তাহের শেষ দিকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আশার চেয়ে বেশি মজুত হ্রাসের খবরে মার্কিন মুলুকে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে এরূপ ইঙ্গিত প্রকাশ পাওয়ায় তেলের দাম বৃদ্ধি পেতে থাকে। পরপর তৃতীয় সপ্তাহের মতো হ্রাস পেয়ে তেলের মজুত জানুয়ারি মাসের পর গত সপ্তাহে ন্যূনতম পর্যায়ে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে প্রকাশ পায়। এ সময় অপরিশোধিত তেলের নাইমেক্স সূচক ব্যারেলপ্রতি ৭৭ দশমিক ৪৪ ডলারে উঠে যায়। অপরদিকে ডলারের শক্তি বৃদ্ধিতে বিকল্প বিনিয়োগ হিসেবে স্বর্ণের চাহিদা হ্রাস পেয়ে স্বর্ণের দাম সাড়ে ৬ সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায় আউন্সপ্রতি ১,০৯৩ দশমিক ৪০ ডলারে নেমে আসে।
সপ্তাহ শেষে ডলারের দরপতনে স্বর্ণের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়ে আউন্সপ্রতি ১,১০৪ দশমিক ৮০ ডলারে পৌঁছে। শুক্রবার প্রতি আউন্স রৌপ্য ১৭ দশমিক ৪৪ ডলারে ও প্রতি টন কপার ৬,৯০০ ডলারে কেনাবেচা হয়েছে। আন্তঃব্যাংক কলমানির বাজারে গত সপ্তাহে সুদের হার তিন দশমিক পাঁচ শতাংশ থেকে চার দশমিক পাঁচ শতাংশের মধ্যে থাকতে দেখা গেছে।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?