চুনারুঘাটে সৌরবিদ্যুত্ প্যানেল স্থাপনের হিড়িক : পথ না থাকলেও আঁধারে আলো জ্বলে, চলে মোবাইল টাওয়ার
সৈয়দ মিজানুর রহমান, হবিগঞ্জ থেকে ফিরে
পিচঢালা পথ শেষ, শুরু গ্রামের আঁকাবাঁকা কাঁচা রাস্তা। সিলেটের হবিগঞ্জ জেলা সীমানা প্রায় শেষ হয়ে একেবারে ভারত সীমান্তের একটি অজপাড়াগাঁ হরিণমারা। কাঁচা রাস্তা পেরিয়ে এক সময় পায়ে হেঁটেই যেতে হয় এই গ্রামে। পাশের গ্রাম বরজুস, হিমালিয়া, হরিশংকরপুর, শাহপুর—সব ক’টিতেই পায়ে হেঁটে যেতে হয়। তবে যেই গাঁয়ে চলাচলের রাস্তা নেই, সেই গাঁয়ে গিয়ে চোখে পড়ল রাতের আঁধারে ঝলমলে বিদ্যুতের বাতি জ্বলছে। জানা গেল, এই বিদ্যুত্ বাতি জ্বলার পেছনে সরকারের কোনো কৃতিত্ব নেই। গ্রামের লোকজন নিজেরাই নিজেদের ঘরে বাতিল জ্বালাতে বসিয়েছেন সৌর প্যানেল।
চুনারুঘাটের সীমান্তঘেঁষা এসব গ্রামের প্রায় অর্ধেক পরিবারের ঘরেই সৌর বিদ্যুত্ প্রকল্প রয়েছে। এসব গ্রামের মানুষের বিদ্যুতের প্রতি আগ্রহ দেখে বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোনও চালু করেছে মোবাইল সেবা। স্থাপন করা হয়েছে বিরাট এক টাওয়ার। যে টাওয়ার চালাতে বসানো হয়েছে সৌর বিদ্যুত্ প্যানেল। চুনারুঘাটের রানিগাঁও ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের মানুষ এখন মোবাইল ব্যবহার করছেন।
সম্প্রতি গ্রামীণফোন ঢাকা থেকে একদল সংবাদকর্মী নিয়ে যায় চুনারুঘাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের মোবাইল টাওয়ার পরিচালনা দেখাতে। সেখানে গিয়ে চোখে পড়ল বিশাল একটি টাওয়ার রাত-দিন চলছে সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। ৪ কিলোওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করে চালানো হচ্ছে গ্রামীণফোনের একটি বেইস ট্রান্স রিসিভার বা বিটিএস সেন্টার। কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোলার প্যানেল স্থাপনে ব্যয় বেশি হলেও, এখন পরিচালনা খরচ খুবই কম হচ্ছে। যেসব বিটিএস জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুত্ দিয়ে চলে সেগুলোর পরিচালনা ব্যয়ের তুলনায় সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে পরিচালিত বিটিএস চালাতে প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয় কম হচ্ছে। সারা দেশে এরকম ১৩টি বিটিএস আছে, যেগুলো চলছে সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। আগামী ২০১০ সালের মধ্যে একশ’টি বিটিএস চলবে সৌর বিদ্যুতে। এ প্রকল্পটি ২০০৭ সালে শুরু হয়েছিল বলে জানান গ্রামীণফোনের কর্মকর্তারা।
শাহ্পুর গ্রামের আবদুস শহিদের বাড়িতেও রয়েছে সৌর বিদ্যুত্ প্রকল্প। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আবদুস শহিদ একটি টেলিভিশন, ৬টি বৈদ্যুতিক বাতি, একটি বৈদ্যুতিক পাখা ও মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ দেয়াসহ অন্যান্য কাজ করছেন সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। পেশায় কৃষক আবদুস শহিদ কী করে জানলেন সৌর বিদ্যুতের কথা? প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে এই গ্রামের স্কুলমাস্টার শওকত আলী মাস্টার ঢাকায় গিয়েছিলেন একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। কর্মশালা থেকে তিনি ধারণা পান সৌর বিদ্যুত্ প্রকল্পের। তার স্থাপিত ছোট একটি প্যানেল দেখতে আশপাশের দশ গ্রামে হৈচৈ পড়ে যায়।
এর পর থেকে শাহপুর ও আশপাশের গ্রামগুলোতে শুরু হয় সৌর বিদ্যুত্ প্যানেল স্থাপনের হিড়িক। সম্প্রতি গ্রামীণফোনের টাওয়ারটিও চালু হয়েছে সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। কথা হয় শওকত আলী মাস্টারের সঙ্গে। তিনি বলেন, শহর থেকে বেশ দূরের এই গ্রামে সরকারি গ্রিডের বিদ্যুত্ পাওয়ার আশা করেন না তারা। তবে সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা, বিদ্যুত্সমৃদ্ধ এসব গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার যাতে এগিয়ে আসে।
চুনারুঘাটের সীমান্তঘেঁষা এসব গ্রামের প্রায় অর্ধেক পরিবারের ঘরেই সৌর বিদ্যুত্ প্রকল্প রয়েছে। এসব গ্রামের মানুষের বিদ্যুতের প্রতি আগ্রহ দেখে বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীণফোনও চালু করেছে মোবাইল সেবা। স্থাপন করা হয়েছে বিরাট এক টাওয়ার। যে টাওয়ার চালাতে বসানো হয়েছে সৌর বিদ্যুত্ প্যানেল। চুনারুঘাটের রানিগাঁও ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামের মানুষ এখন মোবাইল ব্যবহার করছেন।
সম্প্রতি গ্রামীণফোন ঢাকা থেকে একদল সংবাদকর্মী নিয়ে যায় চুনারুঘাটের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তাদের মোবাইল টাওয়ার পরিচালনা দেখাতে। সেখানে গিয়ে চোখে পড়ল বিশাল একটি টাওয়ার রাত-দিন চলছে সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। ৪ কিলোওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদন করে চালানো হচ্ছে গ্রামীণফোনের একটি বেইস ট্রান্স রিসিভার বা বিটিএস সেন্টার। কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সোলার প্যানেল স্থাপনে ব্যয় বেশি হলেও, এখন পরিচালনা খরচ খুবই কম হচ্ছে। যেসব বিটিএস জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুত্ দিয়ে চলে সেগুলোর পরিচালনা ব্যয়ের তুলনায় সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে পরিচালিত বিটিএস চালাতে প্রায় ৮০ শতাংশ ব্যয় কম হচ্ছে। সারা দেশে এরকম ১৩টি বিটিএস আছে, যেগুলো চলছে সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। আগামী ২০১০ সালের মধ্যে একশ’টি বিটিএস চলবে সৌর বিদ্যুতে। এ প্রকল্পটি ২০০৭ সালে শুরু হয়েছিল বলে জানান গ্রামীণফোনের কর্মকর্তারা।
শাহ্পুর গ্রামের আবদুস শহিদের বাড়িতেও রয়েছে সৌর বিদ্যুত্ প্রকল্প। সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, আবদুস শহিদ একটি টেলিভিশন, ৬টি বৈদ্যুতিক বাতি, একটি বৈদ্যুতিক পাখা ও মোবাইলের ব্যাটারি চার্জ দেয়াসহ অন্যান্য কাজ করছেন সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। পেশায় কৃষক আবদুস শহিদ কী করে জানলেন সৌর বিদ্যুতের কথা? প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ২০০৬ সালে এই গ্রামের স্কুলমাস্টার শওকত আলী মাস্টার ঢাকায় গিয়েছিলেন একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায়। কর্মশালা থেকে তিনি ধারণা পান সৌর বিদ্যুত্ প্রকল্পের। তার স্থাপিত ছোট একটি প্যানেল দেখতে আশপাশের দশ গ্রামে হৈচৈ পড়ে যায়।
এর পর থেকে শাহপুর ও আশপাশের গ্রামগুলোতে শুরু হয় সৌর বিদ্যুত্ প্যানেল স্থাপনের হিড়িক। সম্প্রতি গ্রামীণফোনের টাওয়ারটিও চালু হয়েছে সৌর বিদ্যুত্ দিয়ে। কথা হয় শওকত আলী মাস্টারের সঙ্গে। তিনি বলেন, শহর থেকে বেশ দূরের এই গ্রামে সরকারি গ্রিডের বিদ্যুত্ পাওয়ার আশা করেন না তারা। তবে সরকারের কাছে তাদের প্রত্যাশা, বিদ্যুত্সমৃদ্ধ এসব গ্রামের শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার যাতে এগিয়ে আসে।
-
ব্যবসা বাণিজ্য


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


