খুচরো
টোট্টি ফিরছেন!
ইতালির দুর্ভাগা ফুটবলারদের যদি একটা তালিকা করা হয় তাহলে ওপরের সারিতে থাকবে তার নাম। পুরো ক্যারিয়ারেই ইনজুরি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে ফ্রান্সেস্কো টোট্টিকে। জার্মানিতে গত বিশ্বকাপেও এই ইনজুরি খেলতে দেয়নি তাকে। আরও একটা বিশ্বকাপ যখন সামনে তখন আবারও ইনজুরি কাটিয়ে উঠেছেন এই স্ট্রাইকার। গোল পাচ্ছেন প্রায় নিয়মিত। এ কারণেই সিরি-এ’তে তার ক্লাব এএস রোমার কোচ কার্লো ম্যাজোন বলছিলেন, ‘আমার মতে টোট্টিকে আবারও জাতীয় দলে ফেরানো উচিত। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোচ মার্সেলো লিপ্পির সেরা অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে ও। আমি তাকে খুব কাছ থেকে দেখছি। কখনোই তার সাফল্যের ক্ষুধা মরে যায় না। প্রতিটি ম্যাচেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া চেষ্টা থাকে ওর। আমার মনে হয় তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে ইতালি।’
কোচের এই কথার পর এখন গুঞ্জন—তাহলে কি আবারও জাতীয় দলে ফিরছেন টোট্টি? প্রশ্নের উত্তর এখন আজ্জুরিদের কোচ মার্সেলো লিপ্পিই ভালো দিতে পারবেন।
সতর্ক টেরি
কথার যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই জন টেরির। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ সতর্ক ইংলিশ এই ডিফেন্ডার। সমর্থকদের এখনও স্বপ্ন দেখাতে নারাজ তিনি, ‘আমি এখনও এটা বলতে চাই না যে বিশ্বকাপ জিততে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছি। আসলে বলে দেয়া সহজ। কিন্তু মাঠের ফুটবল এতটা সহজ নয়। তবে এটা বলতে চাই, আমরা নিজেদের উজাড় করে দিয়ে খেলব।’ এখানেই থামেনি এই তারকা ফুটবলার। সঙ্গে যোগ করলেন, ‘দেখুন আমাদের দলটা দুর্দান্ত। এখন আমরা যদি নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি তবে অবশ্যই কিছু একটা করতে পারব।’ ইন্টারনেট
চিন্তিত টোরেস
তাদের ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশার বেলুন ফুলেফেপে উঠেছে! সেই ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই বলা হচ্ছে এবার বিশ্বকাপ জিতবে স্পেন। অবশ্য শক্তির বিচারে এবার সত্যিকার অর্থেই ফেভারিট স্প্যানিশরা। তাছাড়া বিসেন্তে দেল বস্কের দল দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে পাচ্ছে চিলি, হন্ডুরাস ও সুইজারল্যান্ডকে। বলা হচ্ছে সহজেই এই বাধা পেরিয়ে যাবে তারা। কিন্তু এমন উচ্চাশা চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে ফার্নান্দো টোরেসকে। যেমনটা বলছিলেন, ‘দেখুন এটা বিশ্বকাপ। আগে থেকে এখানে কিছু বলা যায় না। সবচেয়ে বড় কথা হলো প্রত্যাশা যখন আকাশচুম্বী থাকে তখন ফুটবলাররা চাপে পড়ে যায়।’ এভাবে বললেও সমর্থকদের হতাশ করেননি টোরেস, ‘জানি না কি হবে। তবে আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েই খেলে যাবো। ডেভিড ভিলাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ তছনছ করে দেয়াই হবে আমার প্রথম লক্ষ্য।’ ইন্টারনেট
ভবিষ্যত্ বাণী
দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবল মাঠে গড়াতে এখনও মাসছয়েক বাকি। কিন্তু ফিকশ্চার তৈরি হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। জার্মানির সাবেক কোচ জুর্গেন ক্লিন্সম্যান এবার যোগ দিলেন সেই বিশ্লেষকের তালিকায়। বলছিলেন এবার বিশ্বকাপ চমকে দিতে পারে সবাইকে, ‘আফ্রিকার মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ। আমি নিশ্চিত অন্যরকম এক আমেজ পাবে সবাই। এখানে আগে থেকে বলে দেয়ার সুযোগ নেই কারা চ্যাম্পিয়ন হবে? এখানে ফেভারিট বলে কেউ থাকবে না।’
মাইকেল বালাকের জার্মানিকে নিয়ে উচ্চাশা না করার ব্যাপারটি কানে এসেছে ক্লিন্সম্যানের। তিনি নিজেও এড়িয়ে গেলেন এ প্রসঙ্গ, ‘আসলে ফিফা র্যাংকিংয়ের সেরা আট দেশই কিন্তু ফেভারিট। এর মধ্যে ফ্রান্স এবং পর্তুগালকে একটু আলাদা করেই রাখতে চাই। এদের এক দেশ চ্যাম্পিয়ন হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।’ একইভাবে সাবেক এই ফুটবলার ও কোচ মনে করেন, অঘটন ঘটিয়ে আলোচনায় আসতে পারে আইভরি কোস্ট এবং চিলি। ইন্টারনেট
টেনিসের বর্ষসেরা ফেদেরার-সেরেনা
২০০৯ কিছুতেই ভুলতে পারবেন না রজার ফেদেরার। কেননা, এ বছরের উইম্বলডনই যে তাকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায়। সেন্টার কোর্টে ট্রফি জিতে পিট সাম্প্রাসের সেই ১৪ গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের রেকর্ড টপকে যান ফেদেরার। এ বছর হারিয়ে যাওয়া শ্রেষ্ঠত্বও পুনরুদ্ধার হয়েছে। রাফায়েল নাদালকে পেছনে ফেলে হয়েছেন নাম্বার ওয়ান টেনিস তারকা। বছর শেষে তারই স্বীকৃতি মিলেছে। সুইজারল্যান্ডের এই তারকা হয়েছেন আন্তজার্তিক টেনিস ফেডারেশনের বর্ষসেরা পুরুষ তারকা। পঞ্চমবারের মতো এই স্বীকৃতি পেলেন ফেদেরার। মেয়েদের বিভাগে দ্বিতীয়বারের মতো সেরা সেরেনা উইলিয়ামস। আগামী বছরের ১ জুন প্যারিসে এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হবে ফেদেরার এবং সেরেনার হাতে। পঞ্চমবারের মতো সেরা হয়েও সেই আগের মতো উচ্ছ্বসিত ফেদেরার, ‘এই স্বীকৃতির আবেদন আগের মতোই আমার কাছে। এই বছর অনেকটা স্বপ্নের মতো কেটেছে আমার। ক্যারিয়ারে প্রথম ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেছি। উইম্বলডনে অ্যান্ডি রডিককে হারিয়ে টপকে গেছি পিট সাম্প্রাসকে। র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানও পুনরুদ্ধার হয়েছে।’ ইন্টারনেট
ইতালির দুর্ভাগা ফুটবলারদের যদি একটা তালিকা করা হয় তাহলে ওপরের সারিতে থাকবে তার নাম। পুরো ক্যারিয়ারেই ইনজুরি তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে ফ্রান্সেস্কো টোট্টিকে। জার্মানিতে গত বিশ্বকাপেও এই ইনজুরি খেলতে দেয়নি তাকে। আরও একটা বিশ্বকাপ যখন সামনে তখন আবারও ইনজুরি কাটিয়ে উঠেছেন এই স্ট্রাইকার। গোল পাচ্ছেন প্রায় নিয়মিত। এ কারণেই সিরি-এ’তে তার ক্লাব এএস রোমার কোচ কার্লো ম্যাজোন বলছিলেন, ‘আমার মতে টোট্টিকে আবারও জাতীয় দলে ফেরানো উচিত। দক্ষিণ আফ্রিকায় কোচ মার্সেলো লিপ্পির সেরা অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে ও। আমি তাকে খুব কাছ থেকে দেখছি। কখনোই তার সাফল্যের ক্ষুধা মরে যায় না। প্রতিটি ম্যাচেই নিজেকে ছাড়িয়ে যাওয়া চেষ্টা থাকে ওর। আমার মনে হয় তার অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারে ইতালি।’
কোচের এই কথার পর এখন গুঞ্জন—তাহলে কি আবারও জাতীয় দলে ফিরছেন টোট্টি? প্রশ্নের উত্তর এখন আজ্জুরিদের কোচ মার্সেলো লিপ্পিই ভালো দিতে পারবেন।
সতর্ক টেরি
কথার যুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই জন টেরির। দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বেশ সতর্ক ইংলিশ এই ডিফেন্ডার। সমর্থকদের এখনও স্বপ্ন দেখাতে নারাজ তিনি, ‘আমি এখনও এটা বলতে চাই না যে বিশ্বকাপ জিততে আমরা দক্ষিণ আফ্রিকায় যাচ্ছি। আসলে বলে দেয়া সহজ। কিন্তু মাঠের ফুটবল এতটা সহজ নয়। তবে এটা বলতে চাই, আমরা নিজেদের উজাড় করে দিয়ে খেলব।’ এখানেই থামেনি এই তারকা ফুটবলার। সঙ্গে যোগ করলেন, ‘দেখুন আমাদের দলটা দুর্দান্ত। এখন আমরা যদি নিজেদের সেরা খেলাটা খেলতে পারি তবে অবশ্যই কিছু একটা করতে পারব।’ ইন্টারনেট
চিন্তিত টোরেস
তাদের ঘিরে সমর্থকদের প্রত্যাশার বেলুন ফুলেফেপে উঠেছে! সেই ইউরোপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর থেকেই বলা হচ্ছে এবার বিশ্বকাপ জিতবে স্পেন। অবশ্য শক্তির বিচারে এবার সত্যিকার অর্থেই ফেভারিট স্প্যানিশরা। তাছাড়া বিসেন্তে দেল বস্কের দল দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডে পাচ্ছে চিলি, হন্ডুরাস ও সুইজারল্যান্ডকে। বলা হচ্ছে সহজেই এই বাধা পেরিয়ে যাবে তারা। কিন্তু এমন উচ্চাশা চিন্তায় ফেলে দিচ্ছে ফার্নান্দো টোরেসকে। যেমনটা বলছিলেন, ‘দেখুন এটা বিশ্বকাপ। আগে থেকে এখানে কিছু বলা যায় না। সবচেয়ে বড় কথা হলো প্রত্যাশা যখন আকাশচুম্বী থাকে তখন ফুটবলাররা চাপে পড়ে যায়।’ এভাবে বললেও সমর্থকদের হতাশ করেননি টোরেস, ‘জানি না কি হবে। তবে আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েই খেলে যাবো। ডেভিড ভিলাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগ তছনছ করে দেয়াই হবে আমার প্রথম লক্ষ্য।’ ইন্টারনেট
ভবিষ্যত্ বাণী
দক্ষিণ আফ্রিকায় বিশ্বকাপ ফুটবল মাঠে গড়াতে এখনও মাসছয়েক বাকি। কিন্তু ফিকশ্চার তৈরি হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়ে গেছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। জার্মানির সাবেক কোচ জুর্গেন ক্লিন্সম্যান এবার যোগ দিলেন সেই বিশ্লেষকের তালিকায়। বলছিলেন এবার বিশ্বকাপ চমকে দিতে পারে সবাইকে, ‘আফ্রিকার মাটিতে প্রথম বিশ্বকাপ। আমি নিশ্চিত অন্যরকম এক আমেজ পাবে সবাই। এখানে আগে থেকে বলে দেয়ার সুযোগ নেই কারা চ্যাম্পিয়ন হবে? এখানে ফেভারিট বলে কেউ থাকবে না।’
মাইকেল বালাকের জার্মানিকে নিয়ে উচ্চাশা না করার ব্যাপারটি কানে এসেছে ক্লিন্সম্যানের। তিনি নিজেও এড়িয়ে গেলেন এ প্রসঙ্গ, ‘আসলে ফিফা র্যাংকিংয়ের সেরা আট দেশই কিন্তু ফেভারিট। এর মধ্যে ফ্রান্স এবং পর্তুগালকে একটু আলাদা করেই রাখতে চাই। এদের এক দেশ চ্যাম্পিয়ন হলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।’ একইভাবে সাবেক এই ফুটবলার ও কোচ মনে করেন, অঘটন ঘটিয়ে আলোচনায় আসতে পারে আইভরি কোস্ট এবং চিলি। ইন্টারনেট
টেনিসের বর্ষসেরা ফেদেরার-সেরেনা
২০০৯ কিছুতেই ভুলতে পারবেন না রজার ফেদেরার। কেননা, এ বছরের উইম্বলডনই যে তাকে নিয়ে গেছে অন্য এক উচ্চতায়। সেন্টার কোর্টে ট্রফি জিতে পিট সাম্প্রাসের সেই ১৪ গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের রেকর্ড টপকে যান ফেদেরার। এ বছর হারিয়ে যাওয়া শ্রেষ্ঠত্বও পুনরুদ্ধার হয়েছে। রাফায়েল নাদালকে পেছনে ফেলে হয়েছেন নাম্বার ওয়ান টেনিস তারকা। বছর শেষে তারই স্বীকৃতি মিলেছে। সুইজারল্যান্ডের এই তারকা হয়েছেন আন্তজার্তিক টেনিস ফেডারেশনের বর্ষসেরা পুরুষ তারকা। পঞ্চমবারের মতো এই স্বীকৃতি পেলেন ফেদেরার। মেয়েদের বিভাগে দ্বিতীয়বারের মতো সেরা সেরেনা উইলিয়ামস। আগামী বছরের ১ জুন প্যারিসে এক জমকালো অনুষ্ঠানে এই পুরস্কার তুলে দেয়া হবে ফেদেরার এবং সেরেনার হাতে। পঞ্চমবারের মতো সেরা হয়েও সেই আগের মতো উচ্ছ্বসিত ফেদেরার, ‘এই স্বীকৃতির আবেদন আগের মতোই আমার কাছে। এই বছর অনেকটা স্বপ্নের মতো কেটেছে আমার। ক্যারিয়ারে প্রথম ফ্রেঞ্চ ওপেন জিতেছি। উইম্বলডনে অ্যান্ডি রডিককে হারিয়ে টপকে গেছি পিট সাম্প্রাসকে। র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানও পুনরুদ্ধার হয়েছে।’ ইন্টারনেট
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


