কমলাপুরে আরেকটি ড্র
স্পোর্টস রিপোর্টার
কমলাপুর স্টেডিয়ামে আরেকটি নিষ্প্রাণ ম্যাচ হয়েছে কাল। আগের দিন ফরাশগঞ্জ-চট্টগ্রাম মোহামেডানের মতো কাল একই মাঠে ব্রাদার্স-রহমতগঞ্জ ম্যাচটিও গোলশূন্য ড্র হয়। এবারে দলবদলে বিধ্বস্ত হওয়া ব্রাদার্সকে কাল খেলা নয়, তাদের বিখ্যাত কমলা রঙের জার্সি দেখে চিনতে হয়েছে। দলের দুই বিদেশি ফুটবলার এনোক ও স্টিভেন বড়দিনের উত্সব পালন করতে ছুটি নিয়ে দেশে গেছে। ফলে তাদের অনুপস্থিতিতে ব্রাদার্স আরও দুর্বল হয়ে যায়। ৯০ মিনিটের ম্যাচে ব্রাদার্স একটিও গোলের উত্স তৈরি করতে পারেনি। ৪ ম্যাচে ব্রাদার্সের পয়েন্ট ৬।
ব্রাদার্সের প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ আহামরি কিছু খেলেনি। তবে অপেক্ষাকৃত ভালো ফুটবল খেলেছে তারা। প্রথমার্ধে দুটি সহজ গোলের সুযোগও তৈরি করেছিল পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ ক্লাবটি। ৩৩ মিনিটে চৌম্রিন রাখাইন থেকে ইদ্রিস ছোট বক্সে কোনাকুনি শট নিলে ব্রাদার্সের গোলকিপার ইরান শেখ ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন। ৪০ মিনিটে রাসেল বক্সের বাইরে থেকে পাস দেন সতীর্থ ইদ্রিসকে। ইদ্রিস ক্রস ফেলেন বাক্সে। কিন্তু মামুন ব্রাদার্স গোলকিপার ইরান শেখকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। প্রথম দুই ম্যাচে ফরাশগঞ্জ ও চট্টগ্রাম মোহামেডানের কাছে হারের পর কালই প্রথম পয়েন্টের মুখ দেখল রহমতগঞ্জ। ৩ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট ১। বিরতির পর দুই দলই উদ্দেশ্যহীন ফুটবল খেললে আর গোল হয়নি। ম্যাচশেষে ব্রাদার্স কোচ ওয়াসিম অপেক্ষাকৃত ভালো খেলার কৃতিত্ব দেন প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জকে। রহমতগঞ্জ কোচ মীর ফারুক বলেন, ‘ম্যাচে আমরাই ভালো খেলেছি। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় গোল আসেনি।’ কাল কমলাপুর স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা জাতীয় দলের সাবেক উইঙ্গার মনু বলেন, ‘এরা কী ফুটবল খেলে! এই যদি হয় আমাদের খেলার মান, তাহলে সাফে ব্যর্থতা তো স্বাভাবিক ঘটনা। আগামী প্রজন্মের ফুটবলারদের মান দেখে আমি সত্যিই হতাশ।’
কমলাপুর স্টেডিয়ামের মাঠ উন্নয়নের কাজ চলছে। তবে মাঠ এখনও শক্ত, অসমতল ও অমসৃণ। প্রেসবক্সে জায়গা নেই। সাংবাদিকদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ম্যাচ কাভার করতে হয়। বাথরুম-সিঁড়ি-মেঝ অপরিচ্ছন্ন। স্টেডিয়ামের বাইরে এমন এক জায়গায় আজ ও আগামীকালের ফিকশ্চার দেয়া হয়েছে যে, তা খালি চোখে পড়তে কষ্ট হয়। প্রচার-প্রচারণা নেই বললেই চলে পেশাদার লীগের। গতকালও এমন নির্জীব ম্যাচ দেখতে শ’খানেক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
ব্রাদার্সের প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জ আহামরি কিছু খেলেনি। তবে অপেক্ষাকৃত ভালো ফুটবল খেলেছে তারা। প্রথমার্ধে দুটি সহজ গোলের সুযোগও তৈরি করেছিল পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী এ ক্লাবটি। ৩৩ মিনিটে চৌম্রিন রাখাইন থেকে ইদ্রিস ছোট বক্সে কোনাকুনি শট নিলে ব্রাদার্সের গোলকিপার ইরান শেখ ঝাঁপিয়ে পড়ে রক্ষা করেন। ৪০ মিনিটে রাসেল বক্সের বাইরে থেকে পাস দেন সতীর্থ ইদ্রিসকে। ইদ্রিস ক্রস ফেলেন বাক্সে। কিন্তু মামুন ব্রাদার্স গোলকিপার ইরান শেখকে একা পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। প্রথম দুই ম্যাচে ফরাশগঞ্জ ও চট্টগ্রাম মোহামেডানের কাছে হারের পর কালই প্রথম পয়েন্টের মুখ দেখল রহমতগঞ্জ। ৩ ম্যাচ শেষে তাদের পয়েন্ট ১। বিরতির পর দুই দলই উদ্দেশ্যহীন ফুটবল খেললে আর গোল হয়নি। ম্যাচশেষে ব্রাদার্স কোচ ওয়াসিম অপেক্ষাকৃত ভালো খেলার কৃতিত্ব দেন প্রতিপক্ষ রহমতগঞ্জকে। রহমতগঞ্জ কোচ মীর ফারুক বলেন, ‘ম্যাচে আমরাই ভালো খেলেছি। কিন্তু স্ট্রাইকারদের ব্যর্থতায় গোল আসেনি।’ কাল কমলাপুর স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা জাতীয় দলের সাবেক উইঙ্গার মনু বলেন, ‘এরা কী ফুটবল খেলে! এই যদি হয় আমাদের খেলার মান, তাহলে সাফে ব্যর্থতা তো স্বাভাবিক ঘটনা। আগামী প্রজন্মের ফুটবলারদের মান দেখে আমি সত্যিই হতাশ।’
কমলাপুর স্টেডিয়ামের মাঠ উন্নয়নের কাজ চলছে। তবে মাঠ এখনও শক্ত, অসমতল ও অমসৃণ। প্রেসবক্সে জায়গা নেই। সাংবাদিকদের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ম্যাচ কাভার করতে হয়। বাথরুম-সিঁড়ি-মেঝ অপরিচ্ছন্ন। স্টেডিয়ামের বাইরে এমন এক জায়গায় আজ ও আগামীকালের ফিকশ্চার দেয়া হয়েছে যে, তা খালি চোখে পড়তে কষ্ট হয়। প্রচার-প্রচারণা নেই বললেই চলে পেশাদার লীগের। গতকালও এমন নির্জীব ম্যাচ দেখতে শ’খানেক দর্শক উপস্থিত ছিলেন।
-
খেলাধুলা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


