কচ্ছপগতিতে চলছে জবির গবেষণা কার্যক্রম : বাজেট প্রায় শূন্যের কোটায়
অলিউল্লাহ খান সোহরাব
বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য শিক্ষার সঙ্গে শিক্ষা আনুষঙ্গিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গবেষণা করা। কিন্তু জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে ঠিক তার বিপরীত। এখানে গবেষণা কার্যক্রম যেমন গতিহীন, তেমনি এ খাতে বাজেটও প্রায় শূন্যের কোটায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার চার বছর পার হলেও নানা সমস্যার কারণে এগোতে পারছে না গবেষণা কার্যক্রম। অনেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা না পেয়ে নিজেরাই ব্যক্তিগতভাবে গবেষণার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। কচ্ছপগতিতে চলছে বিজ্ঞান অনুষদের কয়েকটি বিভাগের গবেষণার কাজ। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও পর্যাপ্ত আর্থিক সহযোগিতার অভাবেই গবেষণা কার্যক্রমে বাধা গ্রুপ হচ্ছে বলে গবেষকরা অভিযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ বলছে, এ খাতে পর্যাপ্ত বাজেট না থাকায় গুরুত্বপূর্ণ এ বিষয়কে প্রাধান্য দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে গবেষণা খাতে বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল মাত্র ২ লাখ টাকা। চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছর শিক্ষা আনুষঙ্গিক ২ কোটি কাটার মধ্যে শুধু গবেষণা কাজে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬ লাখ টাকা। যা প্রয়োজনের তুলনায় শুধু অপ্রতুলই নয়, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের বাজেটের তুলনায় অনেকটা হাস্যকর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা আনুষঙ্গিক গবেষণার এ খাতে রাখা হয়েছে ২০ কোটি টাকার উপরে। যা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট বাজেটের চেয়েও বেশি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ খাতে রাখা হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকল্যাণ বিভাগের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো মাঠ পর্যায় বা অন্য কোনো পর্যায়ে গবেষণা করা হয়নি। অথচ এ দুই বিভাগেই শিক্ষার্থীদের মাঠ পর্যায়ে গবেষণা ও জরিপের বিভিন্ন কাজের কথা লেখা আছে সিলেবাসে। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা তাদের এসব অ্যাসাইনমেন্ট পূর্ণ করে বিগত বছরগুলোর বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট পেপার অনুসরণ করে। আর এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সবারই খরচ ও সময় বাঁচে। শিক্ষকরাও নিজস্বভাবে কোনো গবেষণা করছেন না। এরকম অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় সবকটি বিভাগেরই।
বিজ্ঞান অনুষদের রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যাসহ আরও কয়েকটি ল্যাবে আছে ময়লা, আবর্জনা, পুরনো যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সংযোগে সমস্যাসহ অধিকাংশ যন্ত্রপাতিই অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।
এর মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামরুল আলম খান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গবেষণা করে পাথরকুচি পাতা থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদন করে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছেন। পাথরকুচি পাতা থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদনের পর তিনি এখন সমুদ্রের ঢেউ থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদন করার জন্য তার একটি টিম নিয়ে গবেষণার কাজ করছেন। এছাড়াও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম এরই মধ্যে বাংলাদেশের সিডর ঘূর্ণিঝড়ের ওপর একটি গবেষণা করেছেন। যা তিনি গত ২৩ ও ২৪ ফেবু্রয়ারি জাপানের সীমা শহরে উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারে উপস্থাপন করেছেন।
এছাড়াও মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল অদুদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সালাহউদ্দীনসহ আরও অনেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গবেষণারত রয়েছেন। আর এ গবেষণাগুলো চলছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য একটি তহবিল রয়েছে। ওই তহবিল থেকে অর্থ সাহায্য পেলে গবেষণার কাজকে আরও গতিশীল করা যাবে।
আমরা শিক্ষকদের বিশেষ করে তরুণ শিক্ষকদের গবেষণার কাজকে জোরদার করার জন্য সহযোগিতা করছি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে গবেষণা খাতে বাজেটে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল মাত্র ২ লাখ টাকা। চলতি ২০০৯-১০ অর্থবছর শিক্ষা আনুষঙ্গিক ২ কোটি কাটার মধ্যে শুধু গবেষণা কাজে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৬ লাখ টাকা। যা প্রয়োজনের তুলনায় শুধু অপ্রতুলই নয়, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যলয়ের বাজেটের তুলনায় অনেকটা হাস্যকর। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা আনুষঙ্গিক গবেষণার এ খাতে রাখা হয়েছে ২০ কোটি টাকার উপরে। যা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট বাজেটের চেয়েও বেশি। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এ খাতে রাখা হয়েছে প্রায় ৬ কোটি টাকা।
সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সমাজবিজ্ঞান ও সমাজকল্যাণ বিভাগের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো মাঠ পর্যায় বা অন্য কোনো পর্যায়ে গবেষণা করা হয়নি। অথচ এ দুই বিভাগেই শিক্ষার্থীদের মাঠ পর্যায়ে গবেষণা ও জরিপের বিভিন্ন কাজের কথা লেখা আছে সিলেবাসে। এখানকার ছাত্রছাত্রীরা তাদের এসব অ্যাসাইনমেন্ট পূর্ণ করে বিগত বছরগুলোর বিভিন্ন অ্যাসাইনমেন্ট পেপার অনুসরণ করে। আর এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী সবারই খরচ ও সময় বাঁচে। শিক্ষকরাও নিজস্বভাবে কোনো গবেষণা করছেন না। এরকম অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রায় সবকটি বিভাগেরই।
বিজ্ঞান অনুষদের রসায়ন, পদার্থবিজ্ঞান, উদ্ভিদবিদ্যাসহ আরও কয়েকটি ল্যাবে আছে ময়লা, আবর্জনা, পুরনো যন্ত্রপাতি, বৈদ্যুতিক সংযোগে সমস্যাসহ অধিকাংশ যন্ত্রপাতিই অকেজো অবস্থায় পড়ে আছে।
এর মধ্যে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. কামরুল আলম খান ব্যক্তিগত উদ্যোগে গবেষণা করে পাথরকুচি পাতা থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদন করে ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়েছেন। পাথরকুচি পাতা থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদনের পর তিনি এখন সমুদ্রের ঢেউ থেকে বিদ্যুত্ উত্পাদন করার জন্য তার একটি টিম নিয়ে গবেষণার কাজ করছেন। এছাড়াও বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম এরই মধ্যে বাংলাদেশের সিডর ঘূর্ণিঝড়ের ওপর একটি গবেষণা করেছেন। যা তিনি গত ২৩ ও ২৪ ফেবু্রয়ারি জাপানের সীমা শহরে উপকূলীয় অঞ্চলের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তর্জাতিক সেমিনারে উপস্থাপন করেছেন।
এছাড়াও মনোবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সাইফুদ্দিন, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল অদুদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সালাহউদ্দীনসহ আরও অনেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে গবেষণারত রয়েছেন। আর এ গবেষণাগুলো চলছে ব্যক্তিগত উদ্যোগে।
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার জন্য একটি তহবিল রয়েছে। ওই তহবিল থেকে অর্থ সাহায্য পেলে গবেষণার কাজকে আরও গতিশীল করা যাবে।
আমরা শিক্ষকদের বিশেষ করে তরুণ শিক্ষকদের গবেষণার কাজকে জোরদার করার জন্য সহযোগিতা করছি।
-
মহানগর


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


