ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে ৭৩ সৌদি সেনা নিহত
ডন অনলাইন
সৌদি আরব বলেছে ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত তাদের ৭৩ জন সৈন্য নিহত হয়েছে। তবে তারা এও দাবি করেছে যে, লড়াই প্রায় শেষ হয়ে এসেছে।
এক টেলিভিশন সাক্ষাত্কারে সহ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালেদ বিন সুলতান বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় বড় ধরনের অভিযান প্রায় শেষ হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন লড়াই কিংবা গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। আমাদের সেনারা ওদের জবাব দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, লড়াইয়ে আমাদের ৭৩ জন সেনা মারা গেছে। ২৬ জনের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। তবে তাদের মধ্যে যে ১২ জন নিহত হয়েছে, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের লাশ পাওয়া যায়নি।’ সৌদি আরব তাদের ইয়েমেন সীমান্ত অঞ্চলে হাওতি নামের ইয়েমেনি শিয়া বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে গত মাসে অভিযান শুরু করে। বিদ্রোহীরা সীমান্ত দিয়ে সৌদিতে অনুপ্রবেশ করার সময় দুই সীমান্তরক্ষীকে গুলি করে হত্যা করে। এদিকে বিদ্রোহীদের এক মুখপাত্র সৌদি দাবিকে অসার অভিহিত করে বলেছেন, ‘লড়াই শেষ হতে এখনও অনেক দেরি।’ মোহাম্মদ আবদেল সালেম নামের ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘তাদের কথায় এটা প্রমাণ হচ্ছে যে, এখানে একটা বড় ধরনের লড়াই চলছে। আর এজন্য সম্পূর্ণ দায়ী সৌদিরাই।’ তিনি সৌদি বিমান থেকে বেসামরিক লোকজনের ওপর গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
আল জাজিরা টিভির সঙ্গে টেলিফোন সাক্ষাত্কারে তিনি আরও বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে আমাদের সৈন্যরা অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।’ এর আগে বিদ্রোহীরা তাদের ওয়েবসাইটে বলেছিল, গত সোমবার থেকে সৌদি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারগুলো উত্তর ইয়েমেনে ৩৯ বার আক্রমণ চালিয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের ভয় হচ্ছে, ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে আল কায়দা সন্ত্রাসীরা গাঁটছড়া বেঁধে অপতত্পরতা চালাতে পারে। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বের সর্বোচ্চ তেল রফতানিকারক দেশটির বিরুদ্ধে আঘাত হানার জন্য শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। সৌদি আরব লড়াইয়ে সাফল্য দাবি করলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সৌদি আরবকে এই লড়াই অনেকদিন ধরে করতে হবে। কারণ, অস্ত্রশস্ত্রের দিক থেকে শ্রেয়তর পক্ষ হলেও ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে পাহাড়ে গেরিলা যুদ্ধ চালানোর মতো অভিজ্ঞতার ঘাটতি তাদের রয়েছে।
হাওতি বিদ্রোহীরা ২০০৪ সাল থেকে তাদের লড়াই চালিয়ে আসছে ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে। তাদের অভিযোগ, তারা আর্থিক, সামাজিক ও ধর্মীয় দিক থেকে সরকারি নিগ্রহের শিকার।
এক টেলিভিশন সাক্ষাত্কারে সহ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালেদ বিন সুলতান বলেন, ‘সীমান্ত এলাকায় বড় ধরনের অভিযান প্রায় শেষ হয়ে গেছে। মাঝে মধ্যে বিচ্ছিন্ন লড়াই কিংবা গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। আমাদের সেনারা ওদের জবাব দিচ্ছে।’
তিনি বলেন, লড়াইয়ে আমাদের ৭৩ জন সেনা মারা গেছে। ২৬ জনের সন্ধান এখনও পাওয়া যায়নি। তবে তাদের মধ্যে যে ১২ জন নিহত হয়েছে, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া গেছে। তাদের লাশ পাওয়া যায়নি।’ সৌদি আরব তাদের ইয়েমেন সীমান্ত অঞ্চলে হাওতি নামের ইয়েমেনি শিয়া বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে গত মাসে অভিযান শুরু করে। বিদ্রোহীরা সীমান্ত দিয়ে সৌদিতে অনুপ্রবেশ করার সময় দুই সীমান্তরক্ষীকে গুলি করে হত্যা করে। এদিকে বিদ্রোহীদের এক মুখপাত্র সৌদি দাবিকে অসার অভিহিত করে বলেছেন, ‘লড়াই শেষ হতে এখনও অনেক দেরি।’ মোহাম্মদ আবদেল সালেম নামের ওই মুখপাত্র আরও বলেন, ‘তাদের কথায় এটা প্রমাণ হচ্ছে যে, এখানে একটা বড় ধরনের লড়াই চলছে। আর এজন্য সম্পূর্ণ দায়ী সৌদিরাই।’ তিনি সৌদি বিমান থেকে বেসামরিক লোকজনের ওপর গোলাবর্ষণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।
আল জাজিরা টিভির সঙ্গে টেলিফোন সাক্ষাত্কারে তিনি আরও বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে আমাদের সৈন্যরা অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে।’ এর আগে বিদ্রোহীরা তাদের ওয়েবসাইটে বলেছিল, গত সোমবার থেকে সৌদি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারগুলো উত্তর ইয়েমেনে ৩৯ বার আক্রমণ চালিয়েছে।
এদিকে সৌদি আরব ও তাদের পশ্চিমা মিত্রদের ভয় হচ্ছে, ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে আল কায়দা সন্ত্রাসীরা গাঁটছড়া বেঁধে অপতত্পরতা চালাতে পারে। এর মাধ্যমে তারা বিশ্বের সর্বোচ্চ তেল রফতানিকারক দেশটির বিরুদ্ধে আঘাত হানার জন্য শক্তি সঞ্চয় করতে পারে। সৌদি আরব লড়াইয়ে সাফল্য দাবি করলেও বিশ্লেষকরা মনে করছেন, সৌদি আরবকে এই লড়াই অনেকদিন ধরে করতে হবে। কারণ, অস্ত্রশস্ত্রের দিক থেকে শ্রেয়তর পক্ষ হলেও ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের সঙ্গে পাহাড়ে গেরিলা যুদ্ধ চালানোর মতো অভিজ্ঞতার ঘাটতি তাদের রয়েছে।
হাওতি বিদ্রোহীরা ২০০৪ সাল থেকে তাদের লড়াই চালিয়ে আসছে ইয়েমেন সরকারের বিরুদ্ধে। তাদের অভিযোগ, তারা আর্থিক, সামাজিক ও ধর্মীয় দিক থেকে সরকারি নিগ্রহের শিকার।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


