‘ইউরোস্টার’ রেল যোগাযোগ ফের চালু : এখনও আটকা পড়ে আছে হাজার হাজার মানুষ
রয়টার্স, আল জাজিরা
ইউরোপে প্রচণ্ড তুষারপাতের ফলে বন্ধ হয়ে যাওয়া ‘ইউরোস্টার’ রেল যোগাযোগ আবার চালু হয়েছে। মঙ্গলবার হাজার হাজার যাত্রী নিয়ে লন্ডন থেকে ইউরোপের অন্যান্য স্থানে ‘ইউরোস্টার’ ট্রেনের চলাচল শুরু হয়।
তবে তীব্র শীত, তুষার এবং জমে থাকা বরফ রেলপথ ও সড়কপথে এখনও সমস্যা তৈরি করছে। এছাড়া ইতালি ও জার্মানির বিমান বন্দরগুলোতে ফ্লাইট দেরিতে ছেড়ে যায়, অনেক ফ্লাইট বাতিলও হয়। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরও তুষারপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহের শেষে খারাপ আবহাওয়ার ফলে প্রায় ইউরোস্টারের কয়েকটি ট্রেন ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সংযোগকারী সাগরতলের সুড়ঙ্গপথে প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকা পড়ে থাকলে প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী ট্রেনে বিদ্যুত্ সরবরাহ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, খাবার ও পানি ছাড়া তীব্র ভোগান্তির শিকার হয়। এরপর ইউরোস্টারের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। মঙ্গলবার সীমিত আকারে আবার চালু হওয়ার পরে সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস ইন্টারন্যাশনাল স্টেশন থেকে প্যারিসের উদ্দেশে একটি ট্রেন ছেড়ে যায়। অন্যদিকে প্যারিসের গার দ্যু নর্দ স্টেশন থেকে ফিরতি পথে একটি ট্রেন ছাড়ে। এ সময় স্টেশনে আরও হাজারখানেক যাত্রী পরের ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় ছিল স্টেশনটিতে। পাঁচশ’র মতো যাত্রী সঠিক তথ্য না দিতে পারায় ইউরোস্টারের কর্মচারীদের উদ্দেশে চেঁচামেচি করে অভিযোগ জানায়। ইউরোস্টারের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড ব্রাউন জানান, ক্রিসমাসের আগে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে না। ক্রিসমাসের সময়টা বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়ের একটি এবং এই সময় খারাপ আবহাওয়ার কারণে পুরো ইউরোপ জুড়ে সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
ব্রিটেনের বিমান বন্দরগুলো আগের দিনের আটকে থাকা ফ্লাইটগুলো চালু করছে এবং আরও অনেক ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্ব হতে পারে বা বাতিলও হতে পারে বলে যাত্রীদের সতর্ক করেছে। ইতালির আল ইতালিয়া এয়ারলাইন্সও তাদের ফ্লাইটগুলো আবার চালু করেছে। বার্লিনের টেগেল বিমান বন্দরে এক ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ থাকে এবং ফ্রাঙ্কফুটে প্রায় দুইশ’ ফ্লাইট আটকা পড়ে। ইউরোস্টার সেবায় এ ধরনের বিঘ্নের কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা আবহাওয়া থেকে ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলের অপেক্ষাকৃত উষ্ণ আবহাওয়ায় ঢোকার সময় বাষমায়নের ফলে ট্রেনের বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন হওয়া। ব্রিটিশ রেলওয়ের সাবেক প্রধান নির্বাহী ক্রিসটোফার গারনেটের নেতৃত্বে একটি পর্যবেক্ষক দল আগামী জানুয়ারি মাসে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন ক্রিসটোফার।
এদিকে বড়দিনের ছুটিকে সামনে রেখে হাজার হাজার মানুষ আটকে পড়েছে বিভিন্ন বিমানবন্দরে এবং তাদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। একই ধরনের অবস্থা রেল স্টেশন ও বাস স্টপেজগুলোতে। এদিকে ইজিজেট এয়ারওয়েজ তাদের পূর্বনির্ধারিত প্রায় ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। একই সঙ্গে প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে রিয়ান এয়ার ও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজও তাদের নির্ধারিত ফ্লাইটগুলো বিলম্ব ও বাতিলের ঘোষণা দেয়।
শুধুমাত্র আকাশ পথেই না, একই অবস্থা রেল স্টেশনে।
সেখানে আটকা পড়ে আছে প্রায় পঞ্চাম হাজার মানুষ। আর তুষার ঝড়ে এ পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলোতে নিহত হয়েছেন প্রায় ৯০ জন। এর মধ্যে পোল্যান্ডেরই ৪২ জন। ইউরোপ জুড়ে তাপমাত্রা নেমে এসেছে মাইনাস বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
তবে তীব্র শীত, তুষার এবং জমে থাকা বরফ রেলপথ ও সড়কপথে এখনও সমস্যা তৈরি করছে। এছাড়া ইতালি ও জার্মানির বিমান বন্দরগুলোতে ফ্লাইট দেরিতে ছেড়ে যায়, অনেক ফ্লাইট বাতিলও হয়। পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরও তুষারপাতের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে।
গত সপ্তাহের শেষে খারাপ আবহাওয়ার ফলে প্রায় ইউরোস্টারের কয়েকটি ট্রেন ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মধ্যে সংযোগকারী সাগরতলের সুড়ঙ্গপথে প্রায় ১৬ ঘণ্টা আটকা পড়ে থাকলে প্রায় আড়াই হাজার যাত্রী ট্রেনে বিদ্যুত্ সরবরাহ, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ, খাবার ও পানি ছাড়া তীব্র ভোগান্তির শিকার হয়। এরপর ইউরোস্টারের ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। মঙ্গলবার সীমিত আকারে আবার চালু হওয়ার পরে সকাল ৭টা ৪১ মিনিটে লন্ডনের সেন্ট প্যানক্রাস ইন্টারন্যাশনাল স্টেশন থেকে প্যারিসের উদ্দেশে একটি ট্রেন ছেড়ে যায়। অন্যদিকে প্যারিসের গার দ্যু নর্দ স্টেশন থেকে ফিরতি পথে একটি ট্রেন ছাড়ে। এ সময় স্টেশনে আরও হাজারখানেক যাত্রী পরের ট্রেনের জন্য অপেক্ষায় ছিল স্টেশনটিতে। পাঁচশ’র মতো যাত্রী সঠিক তথ্য না দিতে পারায় ইউরোস্টারের কর্মচারীদের উদ্দেশে চেঁচামেচি করে অভিযোগ জানায়। ইউরোস্টারের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড ব্রাউন জানান, ক্রিসমাসের আগে রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হবে না। ক্রিসমাসের সময়টা বছরের সবচেয়ে ব্যস্ত সময়ের একটি এবং এই সময় খারাপ আবহাওয়ার কারণে পুরো ইউরোপ জুড়ে সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।
ব্রিটেনের বিমান বন্দরগুলো আগের দিনের আটকে থাকা ফ্লাইটগুলো চালু করছে এবং আরও অনেক ফ্লাইট ছাড়তে বিলম্ব হতে পারে বা বাতিলও হতে পারে বলে যাত্রীদের সতর্ক করেছে। ইতালির আল ইতালিয়া এয়ারলাইন্সও তাদের ফ্লাইটগুলো আবার চালু করেছে। বার্লিনের টেগেল বিমান বন্দরে এক ঘণ্টা বিমান চলাচল বন্ধ থাকে এবং ফ্রাঙ্কফুটে প্রায় দুইশ’ ফ্লাইট আটকা পড়ে। ইউরোস্টার সেবায় এ ধরনের বিঘ্নের কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা আবহাওয়া থেকে ফ্রান্সের উত্তরাঞ্চলের অপেক্ষাকৃত উষ্ণ আবহাওয়ায় ঢোকার সময় বাষমায়নের ফলে ট্রেনের বিদ্যুত্ বিচ্ছিন্ন হওয়া। ব্রিটিশ রেলওয়ের সাবেক প্রধান নির্বাহী ক্রিসটোফার গারনেটের নেতৃত্বে একটি পর্যবেক্ষক দল আগামী জানুয়ারি মাসে তাদের প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন ক্রিসটোফার।
এদিকে বড়দিনের ছুটিকে সামনে রেখে হাজার হাজার মানুষ আটকে পড়েছে বিভিন্ন বিমানবন্দরে এবং তাদের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। একই ধরনের অবস্থা রেল স্টেশন ও বাস স্টপেজগুলোতে। এদিকে ইজিজেট এয়ারওয়েজ তাদের পূর্বনির্ধারিত প্রায় ১৮০টি ফ্লাইট বাতিল করেছে। একই সঙ্গে প্রচণ্ড তুষারপাতের কারণে রিয়ান এয়ার ও ব্রিটিশ এয়ারওয়েজও তাদের নির্ধারিত ফ্লাইটগুলো বিলম্ব ও বাতিলের ঘোষণা দেয়।
শুধুমাত্র আকাশ পথেই না, একই অবস্থা রেল স্টেশনে।
সেখানে আটকা পড়ে আছে প্রায় পঞ্চাম হাজার মানুষ। আর তুষার ঝড়ে এ পর্যন্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশগুলোতে নিহত হয়েছেন প্রায় ৯০ জন। এর মধ্যে পোল্যান্ডেরই ৪২ জন। ইউরোপ জুড়ে তাপমাত্রা নেমে এসেছে মাইনাস বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


