কাশ্মীরকে ভারতের অংশ হিসেবে মানতে নারাজ বিশ্বব্যাংক
ডন অনলাইন
কাশ্মীরকে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সেই সঙ্গে বিশ্বব্যাংক আরও বলেছে, কোনো প্রকল্পের জন্য অর্থায়নকে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের ওপর ভারতের দাবির স্বীকৃতি হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। বিশ্বব্যাংক ভারতের বিতর্কিত ওই রাজ্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে অর্থায়নের ব্যাপারে ‘কোনো কিছুর সঙ্গে সম্পর্ক অস্বীকারমূলক’ একটি ধারা রেখেছে। এ ধারার ফলে ওই অঞ্চলে অর্থায়নকে ভূখণ্ডের ওপর সেদেশের দাবির প্রতি অনুমোদন হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের এক রিপোর্টে এ কথা জানা যায়।অধিকৃত রাজ্য সরকারের মাধ্যমে বিষয়টি নয়াদিল্লিকে জানানো হয়েছে। ‘অশংগ্রহণমূলক নদীর পানি প্রবাহ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ৭৪০ কোটি রুপি চেয়েছে। এই অর্থ হলে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা যাবে। ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বনমন্ত্রী মিয়া আলতাফ আহমদ প্রকল্পের জটিলতার ব্যাপারে আলোচনার জন্য সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা করেন। তর সঙ্গে সাংসদরাও ছিলেন।
অধিকৃত রাজ্য সরকার চায়, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এ ব্যাপারে যে জটিলতা রয়েছে আলোচনার মাধ্যমে নয়াদিল্লি তা মিটিয়ে ফেলুক। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিতর্কিত ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে জম্মু ও কাশ্মীরে বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে আরও অর্থায়নে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আলতাফ আহমদ বলেন, বিশ্বব্যাংক দাবি অস্বীকারমূলক প্রসঙ্গটি গত বছর উত্থাপন করে। প্রকল্প মূল্যায়নের পর অর্থায়নের পর্যায়ে এসে বিশ্বব্যাংক বিষয়টি উত্থাপন করে। তিনি বলেন, কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে চেষ্টা-তদবির করলে বিশ্বব্যাংক দাবি অস্বীকারমূলক ধারাটি পরিহারে রাজি হতে পারে বলে তার ধারণা।
রাজ্যের তিনটি প্রধান নদ সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর পানি নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহের অনুমোদনের জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তার প্রয়োজন। ১৯৬০ সালে সিন্ধুর পানি চুক্তির আওতায় এ প্রবাহের বিধান রয়েছে। আর এ চুক্তির ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চুক্তির একাদশ অনুচ্ছেদে জোরালো ভাষায় বলা হয়েছে, এটি শুধু পানির হিস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট থাকবে। অন্য কথায় বলা যায়, দুই পক্ষের মধ্যে ভূখণ্ডগত বিরোধের ক্ষেত্রে এর করণীয় কিছু নেই। পাকিস্তান-ভারতের গোলযোগপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাসে সিন্ধু চুক্তির সাফল্যের পেছনে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। চুক্তির তৃতীয় স্বাক্ষরকারী হিসেবে বিরাট কৃতিত্বের দাবিদার বিশ্বব্যাংক। চুক্তির পক্ষ হিসেবে বিশ্বব্যাংক ৮৯৫ মিলিয়ন ডলারের সিন্ধু অববাহিকা উন্নয়ন তহিবল গড়ে তোলে। এর মধ্যে ভারত দিয়েছে ১৭৪ মিলিয়ন ডলার।
এ বছর বহুজাতিক উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে দ্বিতীয় দফা সংঘাত দেখা দিল। এই রাজ্যের সীমান্ত নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। যা হোক, অংশগ্রহণমূলক নদীর পানি প্রবাহ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য নর্মান পিক্কিয়নির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গত বছর ৫ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত অধিকৃত রাজ্যটি পরিদর্শন করে।
এই প্রকল্পে ৮০ শতাংশ অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। আর অংশগ্রহণকারী পক্ষ হিসেবে রাজ্য সরকার ১৭ শতাংশ অর্থের জোগান দেবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৫০ হাজার ৬৭৫ গৃহস্থালি সরাসরি উপকৃত হবে।
মঙ্গলবার জাতিসংঘের এক রিপোর্টে এ কথা জানা যায়।অধিকৃত রাজ্য সরকারের মাধ্যমে বিষয়টি নয়াদিল্লিকে জানানো হয়েছে। ‘অশংগ্রহণমূলক নদীর পানি প্রবাহ ব্যবস্থাপনা’ প্রকল্পের জন্য বিশ্বব্যাংকের কাছে ৭৪০ কোটি রুপি চেয়েছে। এই অর্থ হলে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা যাবে। ভারত অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের বনমন্ত্রী মিয়া আলতাফ আহমদ প্রকল্পের জটিলতার ব্যাপারে আলোচনার জন্য সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জির সঙ্গে দেখা করেন। তর সঙ্গে সাংসদরাও ছিলেন।
অধিকৃত রাজ্য সরকার চায়, বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে এ ব্যাপারে যে জটিলতা রয়েছে আলোচনার মাধ্যমে নয়াদিল্লি তা মিটিয়ে ফেলুক। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিতর্কিত ভূখণ্ড হিসেবে বিবেচনা করে জম্মু ও কাশ্মীরে বিশ্বব্যাংক প্রকল্পে আরও অর্থায়নে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। আলতাফ আহমদ বলেন, বিশ্বব্যাংক দাবি অস্বীকারমূলক প্রসঙ্গটি গত বছর উত্থাপন করে। প্রকল্প মূল্যায়নের পর অর্থায়নের পর্যায়ে এসে বিশ্বব্যাংক বিষয়টি উত্থাপন করে। তিনি বলেন, কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে চেষ্টা-তদবির করলে বিশ্বব্যাংক দাবি অস্বীকারমূলক ধারাটি পরিহারে রাজি হতে পারে বলে তার ধারণা।
রাজ্যের তিনটি প্রধান নদ সিন্ধু, ঝিলম ও চেনাব নদীর পানি নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহের অনুমোদনের জন্য বিশ্বব্যাংকের সহায়তার প্রয়োজন। ১৯৬০ সালে সিন্ধুর পানি চুক্তির আওতায় এ প্রবাহের বিধান রয়েছে। আর এ চুক্তির ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। চুক্তির একাদশ অনুচ্ছেদে জোরালো ভাষায় বলা হয়েছে, এটি শুধু পানির হিস্যা নিয়ে সংশ্লিষ্ট থাকবে। অন্য কথায় বলা যায়, দুই পক্ষের মধ্যে ভূখণ্ডগত বিরোধের ক্ষেত্রে এর করণীয় কিছু নেই। পাকিস্তান-ভারতের গোলযোগপূর্ণ সম্পর্কের ইতিহাসে সিন্ধু চুক্তির সাফল্যের পেছনে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা হয়। চুক্তির তৃতীয় স্বাক্ষরকারী হিসেবে বিরাট কৃতিত্বের দাবিদার বিশ্বব্যাংক। চুক্তির পক্ষ হিসেবে বিশ্বব্যাংক ৮৯৫ মিলিয়ন ডলারের সিন্ধু অববাহিকা উন্নয়ন তহিবল গড়ে তোলে। এর মধ্যে ভারত দিয়েছে ১৭৪ মিলিয়ন ডলার।
এ বছর বহুজাতিক উন্নয়ন সংস্থার সঙ্গে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের প্রকল্পে অর্থায়ন নিয়ে দ্বিতীয় দফা সংঘাত দেখা দিল। এই রাজ্যের সীমান্ত নিয়ে রয়েছে বিতর্ক। যা হোক, অংশগ্রহণমূলক নদীর পানি প্রবাহ ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য নর্মান পিক্কিয়নির নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল গত বছর ৫ মে থেকে ১২ মে পর্যন্ত অধিকৃত রাজ্যটি পরিদর্শন করে।
এই প্রকল্পে ৮০ শতাংশ অর্থায়ন করবে বিশ্বব্যাংক। আর অংশগ্রহণকারী পক্ষ হিসেবে রাজ্য সরকার ১৭ শতাংশ অর্থের জোগান দেবে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ৫০ হাজার ৬৭৫ গৃহস্থালি সরাসরি উপকৃত হবে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


