Amardesh
আজঃ ঢাকা, বৃহস্পতিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০০৯, ১০ পৌষ ১৪১৬, ৬ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --

নানাভাই আমার গর্ব

মীম নোশিন নাওয়াল খান, তৃতীয় শ্রেণী, ইংরেজি ভার্সন, ভিকারুন নিসা নূন স্কুল
আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করি। এই দেশকে স্বাধীন করতে গিয়ে অনেক অনেক বাঙালি প্রাণ দিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৯৭১ সালে। আমি মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি, দেখেননি আমার মামও। কিন্তু নানুর মুখে আমি শুনেছি মুক্তিযুদ্ধের কাহিনী।
নানাভাই তখন ছিলেন পুলিশ অফিসার। বঙ্গবন্ধু ঘোষণা দিলেন অফিস-আদালত বন্ধ করে সবাইকে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিতে। নানাভাই যোগ দিলেন মুক্তিযুদ্ধে। এ খবর পেয়ে রাজাকাররা নানাভাইকে মারার জন্য খুঁজতে লাগল। তিনি তখন পালিয়ে ছিলেন। অন্যরা তাকে পালাতে সাহায্য করেছিল। অবশেষে নানাভাই মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে তৈরি হলেন। তিনি নদী পার হতে নৌকায় উঠলেন। উপর দিয়ে উড়ছিল পাকিস্তানি বিমান। মাঝি নানাভাইকে গামছা ও লুঙ্গি দিয়ে ঢেকে নৌকার পাটাতনের নিচে শুয়ে থাকতে বললেন। নানা ভাই পুনরায় মুক্তিযুদ্ধে যোগ দিলেন।
মামরা তখন খুব ছোট। নানু মামদের নিয়ে একটা বালিশের ভেতরে গয়না ও টাকা নিয়ে বাড়ি ছেড়ে বনে-জঙ্গলে পালিয়ে বেড়ালেন। সময়টা ছিল খুব ভয়ঙ্কর। রাজাকাররা এদিক-ওদিক গুলি ছুঁড়ছিল, উপরে ছিল পাকিস্তানি বিমান। নানু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এক কাপড়ে পালিয়ে বেড়িয়েছিলেন। সৌভাগ্যবশত তারা সবাই নিরাপদ ছিলেন।
দেশ স্বাধীন হলো। নানাভাই কাজে যোগ দিলেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নানাভাই দেশকে রক্ষা করলেন। আমি তাই আমার বীর নানাভাইকে নিয়ে গর্বিত।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?