হংসচঞ্চু
শওকত হোসেন লিটু
এ প্রাণীটির ঠোঁটের গড়ন অনেকটাই হাঁসের ঠোঁটের মতো, তাই একে হংসচঞ্চ বলা হয়। প্রাণীটির ইংরেজি নাম Duck Billed Platy Pus. আর এর বৈজ্ঞানিক নাম Ornithorhynchus anatine.
হংসচঞ্চু পাখিদের মতো ডিম পাড়ে—ডিম থেকে বাচ্চা হয়। তবুও এরা এক শ্রেণীর স্তন্যপায়ী প্রাণী। কারণ হংসচঞ্চুর বচ্চারা মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়।
হংসচঞ্চুকে উভচর প্রাণী বলা যায়। কারণ এরা জলে-স্থলে সমানভাবে বিচরণ করে। সাধারণত খাবারের সন্ধানে পানিতে নেমে পড়ে এরা।
তারপর এক থেকে দেড় মিনিট পর্যন্ত ডুবে থেকে শিকার পাকড়াও করে। শিকারের তালিকায় থাকে ছোট মাছ, শামুক, ব্যাঙ, মোলাস্ক, বাইভ্যাল ও মাছের ডিম। এছাড়া পোকামাকড় খেতেও অভ্যস্ত এরা।
হংসচঞ্চুর শরীর নরম, তেলতেলে ও মসৃণ। হাত-পায়ের তলা পর্দাযুক্ত। তুলনামূলকভাবে দেহের তুলনায় লেজ মোটা হয়। লেজকে এরা চর্বি সঞ্চিত রাখার কাজে ব্যবহার করে।
এ প্রাণীটির ঠোঁট ও পা কালো। তবে গায়ের লোম হয় গাঢ় বাদামি বর্ণের। ঠোঁট বা চঞ্চু দেখতে হাঁসের ঠোঁটের মতো এবং শক্ত। পেছনের পায়ে বিষ সঞ্চিত থাকে—যা নখের সাহায্য অন্য প্রাণীর দেহে প্রয়োগ করে। এ বিষ মানুষের জন্য মৃত্যুর কারণ না ঘটালেও মানুষের শরীরে তা ব্যথার সৃষ্টি করে। তবে ছোটখাটো প্রাণীর জন্য অবশ্যই এ বিষ মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আরেকটি ব্যাপার হলো হংসচঞ্চুর ঠোঁট ইলেকট্রোসেনসিটিভ। এ কারণে এরা নিম্নমাত্রার বিদ্যুত্প্রবাহ অনুভব করতে পারে। এবার বলা যাক কোন দেশে এই প্রাণী অধিক সংখ্যায় দেখা যায়। এদের সাধারণত অস্ট্রেলিয়ার নদী ও তার আশপাশে দেখতে পাওয়া যায়। এরা নদী তীরে গর্ত তৈরি করে তার ভেতরে বাস করে। তবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নয়, এরা একা একা থাকতেই পছন্দ করে।
মজার ব্যাপার হলো হংসচঞ্চুর বাচ্চারা দুধ খেয়ে বড় হলেও এদের মায়েদের স্তনে কোনো বোঁটা থাকে না। মায়ের দুধ গ্রন্থির খাদে এসে জমা হয়। সেখান থেকে শিশু হংসচঞ্চুরা দুধ পান করে। এভাবে পাঁচ মাস চালিয়ে যাওয়ার পর বাচ্চারা দুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকে।
অন্য অনেক প্রাণীর মতো হংসচঞ্চু নামের এ প্রাণীটির সংখ্যাও দিন দিন কমে আসছে। সাধারণত এরা অজগর, শিয়াল, ঈগল, কুকুর ও বিড়াল দ্বারা আক্রান্ত হয়।
হংসচঞ্চু পাখিদের মতো ডিম পাড়ে—ডিম থেকে বাচ্চা হয়। তবুও এরা এক শ্রেণীর স্তন্যপায়ী প্রাণী। কারণ হংসচঞ্চুর বচ্চারা মায়ের দুধ খেয়ে বড় হয়।
হংসচঞ্চুকে উভচর প্রাণী বলা যায়। কারণ এরা জলে-স্থলে সমানভাবে বিচরণ করে। সাধারণত খাবারের সন্ধানে পানিতে নেমে পড়ে এরা।
তারপর এক থেকে দেড় মিনিট পর্যন্ত ডুবে থেকে শিকার পাকড়াও করে। শিকারের তালিকায় থাকে ছোট মাছ, শামুক, ব্যাঙ, মোলাস্ক, বাইভ্যাল ও মাছের ডিম। এছাড়া পোকামাকড় খেতেও অভ্যস্ত এরা।
হংসচঞ্চুর শরীর নরম, তেলতেলে ও মসৃণ। হাত-পায়ের তলা পর্দাযুক্ত। তুলনামূলকভাবে দেহের তুলনায় লেজ মোটা হয়। লেজকে এরা চর্বি সঞ্চিত রাখার কাজে ব্যবহার করে।
এ প্রাণীটির ঠোঁট ও পা কালো। তবে গায়ের লোম হয় গাঢ় বাদামি বর্ণের। ঠোঁট বা চঞ্চু দেখতে হাঁসের ঠোঁটের মতো এবং শক্ত। পেছনের পায়ে বিষ সঞ্চিত থাকে—যা নখের সাহায্য অন্য প্রাণীর দেহে প্রয়োগ করে। এ বিষ মানুষের জন্য মৃত্যুর কারণ না ঘটালেও মানুষের শরীরে তা ব্যথার সৃষ্টি করে। তবে ছোটখাটো প্রাণীর জন্য অবশ্যই এ বিষ মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আরেকটি ব্যাপার হলো হংসচঞ্চুর ঠোঁট ইলেকট্রোসেনসিটিভ। এ কারণে এরা নিম্নমাত্রার বিদ্যুত্প্রবাহ অনুভব করতে পারে। এবার বলা যাক কোন দেশে এই প্রাণী অধিক সংখ্যায় দেখা যায়। এদের সাধারণত অস্ট্রেলিয়ার নদী ও তার আশপাশে দেখতে পাওয়া যায়। এরা নদী তীরে গর্ত তৈরি করে তার ভেতরে বাস করে। তবে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নয়, এরা একা একা থাকতেই পছন্দ করে।
মজার ব্যাপার হলো হংসচঞ্চুর বাচ্চারা দুধ খেয়ে বড় হলেও এদের মায়েদের স্তনে কোনো বোঁটা থাকে না। মায়ের দুধ গ্রন্থির খাদে এসে জমা হয়। সেখান থেকে শিশু হংসচঞ্চুরা দুধ পান করে। এভাবে পাঁচ মাস চালিয়ে যাওয়ার পর বাচ্চারা দুধ খাওয়া থেকে বিরত থাকে।
অন্য অনেক প্রাণীর মতো হংসচঞ্চু নামের এ প্রাণীটির সংখ্যাও দিন দিন কমে আসছে। সাধারণত এরা অজগর, শিয়াল, ঈগল, কুকুর ও বিড়াল দ্বারা আক্রান্ত হয়।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


