ইরাকে নারীদের রেডিও স্টেশন
সিরাজুল ইসলাম
ইরাকের বহুল আলোচিত একটি শহর হালাবজা। কুর্দি অধ্যুষিত এ শহরটি নানা কারণে আলোচিত। বার বার আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামও হয়েছে এটি। বিশেষ করে পতিত শাসক সাদ্দাম হোসেন বার বার দমন-নীতি প্রয়োগ করেছেন এখানে। ব্যবহার করেছেন জীবাণু ও রাসায়নিক অস্ত্রও। অনেক মানুষ হত্যা করেছে মিলিশিয়ারা। পাওয়া গেছে গণকবর। আর এ কারণেই আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও মানবাধিকার কর্মীদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ স্থান এটি। হালাবজা শহরের বেশিরভাগ নারীর জীবন ছকে বাঁধা। পুরুষশাসিত সমাজ ব্যবস্থায় রান্না-বান্না, সন্তান উত্পাদন আর লালন-পালন করাই যেন তাদের কাজ। এ অবস্থা থেকে বের হয়ে আসছে এখানকার নারীরা। পড়ালেখা শিখছে। অনেকে আবার চাকরিও করছেন। অর্থাত্ নারীরা স্বাধীন স্বাবলম্বী হচ্ছেন। তাদের এই স্বাবলম্বীকে আরও একধাপ এগিয়ে নিতে কাজ করছে স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশন। রেডিও গিবস উইমেন এ ভয়েস নামে এই রেডিও স্টেশনটি পরিচালিত হচ্ছে ইউএসএআইড’র সহায়তায়। এটি পরিচালনা করছেন স্থানীয় নারীরাই। শুধু নারীদের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করায় এর জনপ্রিয়তাও তুঙ্গে। এর প্রতিষ্ঠাতা মজা করে বলেন, শুধু নারীদের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করার কারণেই এটি জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি। জনপ্রিয়তার মূলে রয়েছে আমাদের নিরপেক্ষতা। তিনি বলেন, এর সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলের সম্পৃক্ততা নেই, নেই কোনো বিদেশি শক্তির পরামর্শ বা নির্দেশনা। এমনকি এখানে কোনো পরিচালক নেই। শুধু অনুষ্ঠান নির্মাণে সহায়তা করার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি আছে। এখানে কর্মরত নারীরাই এ কমিটি গঠন করে।
২০০৫ সালের জুনে এ রেডিও স্টেশনটির যাত্রা শুরু হয়। তখন শুধু গান পরিবেশন করা হতো। ধীরে ধীরে তা পূর্ণাঙ্গ রেডিও স্টেশনের রূপ লাভ করে। এরই মধ্যে এটি ‘টকশো’ সম্প্রচারের লাইসেন্স পেয়েছে। এর কর্মীরা নারীদের সচেতন করতে নানা প্রোগ্রামের স্ক্রিপ্ট লিখছেন। গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সাংবিধানিক অধিকার, রাজনৈতিক ইস্যু ও পরিবার পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। নারীরা খোলামেলা আলাপ করতে পারেন এমন বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে প্রোগ্রামের তালিকায়। এছাড়া মেয়েরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে সেসব সমস্যা সমাধানে সরাসরি প্রশ্ন করারও সুযোগ থাকছে একটা বিশেষ অনুষ্ঠানে। ১৫ জনের বেশি নারী এই স্টেশনে কাজ করছেন। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে, নারীদের সেবা করা এবং তারা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তার সমাধানে কাজ করা। রেডিওটির পরিচালনা পর্ষদের এক সদস্য বলেন, এখানে যোগদানের আগে তার কিছুই ছিল না। এমনকি আত্মবিশ্বাসও ছিল না। তিনি আরও বলেন, এখন তিনি অন্য নারীদের কাছে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিতরণ করেন। বিভিন্ন সমস্যা থেকে উত্তরণে সাহায্য করেন নারীদের।
২০০৫ সালের জুনে এ রেডিও স্টেশনটির যাত্রা শুরু হয়। তখন শুধু গান পরিবেশন করা হতো। ধীরে ধীরে তা পূর্ণাঙ্গ রেডিও স্টেশনের রূপ লাভ করে। এরই মধ্যে এটি ‘টকশো’ সম্প্রচারের লাইসেন্স পেয়েছে। এর কর্মীরা নারীদের সচেতন করতে নানা প্রোগ্রামের স্ক্রিপ্ট লিখছেন। গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে সাংবিধানিক অধিকার, রাজনৈতিক ইস্যু ও পরিবার পরিকল্পনার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে। নারীরা খোলামেলা আলাপ করতে পারেন এমন বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে প্রোগ্রামের তালিকায়। এছাড়া মেয়েরা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে সেসব সমস্যা সমাধানে সরাসরি প্রশ্ন করারও সুযোগ থাকছে একটা বিশেষ অনুষ্ঠানে। ১৫ জনের বেশি নারী এই স্টেশনে কাজ করছেন। তাদের লক্ষ্য হচ্ছে, নারীদের সেবা করা এবং তারা যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন তার সমাধানে কাজ করা। রেডিওটির পরিচালনা পর্ষদের এক সদস্য বলেন, এখানে যোগদানের আগে তার কিছুই ছিল না। এমনকি আত্মবিশ্বাসও ছিল না। তিনি আরও বলেন, এখন তিনি অন্য নারীদের কাছে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান বিতরণ করেন। বিভিন্ন সমস্যা থেকে উত্তরণে সাহায্য করেন নারীদের।


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


