Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ২১ ডিসেম্বর ২০০৯, ৭ পৌষ ১৪১৬, ৩ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

আমার দেশ-এর পাশে রাজনীতিক, সাংবাদিক ও বিশিষ্টজনরা

স্টাফ রিপোর্টার
সরকারের দুর্নীতির খবর প্রকাশের জন্য হুমকি, হামলা ও মামলায় আক্রান্ত আমার দেশ পত্রিকা কার্যালয়ে এসে গতকাল বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। আমার দেশ-এর সম্পাদক ও সাংবাদিকদের হুমকি ও হামলার প্রতিবাদ জানিয়ে বিশিষ্টজনরা বলেন, যে আচরণ তারা করছে তা সংবাদপত্রের স্বাধীনতাকে গলাটিপে হত্যার শামিল। এসব করে ইতিহাসে কেউ রেহাই পায়নি। আমার দেশকে আক্রান্ত করেও কেউ রেহাই পাবে না। আওয়ামী লীগ অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে তাদের এর মাশুল দিতে হবে। গণতান্ত্রিক দেশে এ জাতীয় আচরণ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। বিশিষ্ট ব্যক্তিরা বলেন, অতীতে একদলীয় বাকশাল কায়েম করে আওয়ামী লীগ যেভাবে সংবাদপত্রের কণ্ঠ রোধ করেছিল তাদের আচরণে নতুন করে সেই নমুনাই দেখা যাচ্ছে। তারা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানান।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় ও জ্বালানি উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-এলাহীর বিরুদ্ধে বিনা টেন্ডারে ৩৭০ কোটি টাকার কাজ দিয়ে ৫ মিলিয়ন ডলার ঘুষ নেয়ার অভিযোগের খবর গত ১৭ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার আমার দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। একই দিনে বিজয় দিবসের আলোচনায় আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক ও দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেন, আমার দেশ সম্পাদক ও সাংবাদিকদের রাস্তায় বের হতে দেয়া হবে না। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার এম. আবদুল্লাহর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে আহত ও তার গাড়ি ভাংচুর করা হয়। গত ক’দিন ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আমার দেশ পত্রিকার কপিতে আগুন দেয়া হয়। সম্পাদকের বিরুদ্ধে নানা হুমকি প্রদান করা হয়। তার কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়। ফাঁসির দাবি জানিয়ে জঙ্গি মিছিল করা হয়।
এসব ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল আমার দেশ-এর সব সাংবাদিক-কর্মচারী কালোব্যাজ ধারণ করে দিনব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন। এ অবস্থায় গতকাল সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী ও বুদ্ধিজীবীরা আমার দেশ কার্যালয়ে এসে সাংবাদিক-কর্মচারীদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন এবং সত্য প্রকাশে সাহসী ভূমিকা পালনকারী সাংবাদিকদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তারা বলেন, পত্রিকায় কোনো অসত্য সংবাদ প্রকাশিত হলে যে কেউ আইনের আশ্রয় নিতে পারেন। কিন্তু হামলা চালিয়ে ফ্যাসিবাদী কায়দায় সংবাদপত্রের কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তারা আমার দেশের বিরুদ্ধে হুমকি-ধমকি বন্ধ করে সাংবাদিকের ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
আমার দেশ কার্যালয়ে সংহতি প্রকাশ করতে আসা বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এম শামসুল ইসলাম, তরিকুল ইসলাম, এম কে আনোয়ার এমপি, সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি ও নজরুল ইসলাম খান, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক দুই ভিসি প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ ও প্রফেসর মনিরুজ্জামান মিঞা, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, দু’জন প্রবীণ সম্পাদক শফিক রেহমান ও নয়াদিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, এফবিসিসিআই’র সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নেতা আবদুল আউয়াল মিন্টু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক প্রফেসর ড. লুত্ফর রহমান, সাদা দলের যুগ্ম আহ্বায়ক প্রফেসর ড. আমিনুর রহমান মজুমদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি শওকত মাহমুদ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী ও মহাসচিব এমএ আজিজ, ডিইউজে সভাপতি আবদুস শহিদ ও সাধারণ সম্পাদক বাকের হোসাইন, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব আমানউল্লাহ আমান, মোহাম্মদ শাহজাহান ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদ, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল কাদের মোল্লা, জামায়াতের ঢাকা মহানগর সভাপতি রফিকুল ইসলাম খান ও সেক্রেটারি হামিদুর রহমান আযাদ এমপি, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, কবি আবদুল হাই শিকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রফেসর ড. মাহবুবউল্লাহ, কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহার, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, ড. আবদুল হাই সিদ্দিকী, গীতিকার রফিকুজ্জামান, বরিশাল জেলা বিএনপির আহ্বায়ক সাবেক মেয়র মুজিবুর রহমান সারোয়ার এমপি, নরসিংদী জেলা বিএনপির সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক জিএস খায়রুল কবির খোকন, সাবেক হুইপ জাহেদ আলী চৌধুরী, সাবেক সংসদ সদস্য ফজলুল হক মিলন ও নাজিম উদ্দিন আলম, ছাত্রদল সভাপতি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু ও সাধারণ সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম, সাবেক এমপি মাহমুদুল হক রুবেল, সেলিম রেজা হাবিব ও হাবিবুল ইসলাম হাবিব, বিরোধীদলীয় নেত্রীর প্রেস সেক্রেটারি মারুফ কামাল খান সোহেল, অ্যাসোসিয়েশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স (অ্যাব)-এর সদস্য সচিব ম. হারুন অর রশিদ, ঢাকা অ্যাবের সাধারণ সম্পাদক হেলাল তালুকদার, রকিবুল ইসলাম তালুকদার, আল মামুন গাজী, মশিউর রহমান মুন্না, আলিমুল বাহার রিপন, বিএফউজের সহকারী মহাসচিব মোদাব্বের হোসেন, ডিইউজের সহ-সভাপতি আমিরুল ইসলাম কাগজী ও যুগ্ম সম্পাদক খুরশীদ আলম, যুবদল নেতা মাহবুবুল হক নান্নু, অ্যাডভোকেট গাজী কামরুল ইসলাম সজল, যুবদলের কোষাধ্যক্ষ মাহবুবুল ইসলাম, যুবদল নেতা রফিক শিকদার, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সেক্রেটারি কৃষিবিদ শামসুল আলম তোফা, শামসুজ্জামান মেহেদী, ফরহাদ হোসেন আজাদ, ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, কৃষিবিদ শামীমুর রহমান শামীম, অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া, অ্যাড. লুেফ আযম, অ্যাড. খুরশেদ আলম, অ্যাড. মাসুদ আহমেদ তালুকদার, অ্যাড. সাইদুর রহমান, অ্যাড. ওমর ফারুক, অ্যাড. খন্দকার দিদারুল ইসলাম, অ্যাড. মোসলেহউদ্দিন জসিম, অ্যাড হাছনুর রশীদ ভূঁইয়া, এমএ মুজিব, নুরুল হুদা নুরু, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান খন্দকার আবু আশফাক, সাবেক ছাত্রদল নেতা ইকবাল রশিদ অপু, নুরুল ইসলাম বাবু, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক খলিলুর রহমান খলিল, যুবদল নেতা সাখাওয়াত হোসেন শওকত, মহসিন বিশ্বাস, মাহবুবুর রহমান, আনোয়ার মামুন ভুঁইয়া প্রমুখ।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?