বিচারপতি নজরুলের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে : আইন প্রতিমন্ত্রী
স্টাফ রিপোর্টার
আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, হাইকোর্টের বর্তমান সিনিয়র বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী সংসদ ও সংসদ সদস্যদের ব্যাপারে অশালীন মন্তব্য করে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছেন। তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হবে। তিনি গতকাল সচিবালয়ে তার দফতরে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিচারপতি নজরুল ইসলাম একটি অনুষ্ঠানে সংসদ এবং সংসদ সদস্যদের ব্যাপারে অশ্লীল ও অশালীন মন্তব্য করেছেন। তার ওই মন্তব্যে আমরা সংসদ সদস্যরা সংক্ষুব্ধ হয়েছি। তার এই অপরাধ কোনো অবস্থাতেই ক্ষমা করা হবে না। তিনি বলেন, সংসদের আগামী শীতকালীন অধিবেশনে তার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। এছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের পাশাপাশি সংসদ থেকেও যাতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় সেজন্য স্পিকারকে অনুরোধ জানানো হবে। ওই অনুষ্ঠানে বিচারপতি নজরুল কী বক্তব্য দিয়েছিলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছিলেন যে, কেরানিরা আইন তৈরি করে আর সংসদে মূর্খ সংসদ সদস্যরা তা হাততালি দিয়ে পাস করিয়ে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, বিচারপতির ওই বক্তব্য সংসদের প্রতি সীমা লঙ্ঘন, তার চাকরি বিধির লঙ্ঘন এবং গর্হিত অন্যায়। এটা কোনো অবস্থায়ই মেনে নেয়া যায় না। আমরা সংসদ সদস্যরা সংসদে যে আইন তৈরি করি বিচারপতিরা হাইকোর্টে তা ব্যাখ্যা করে খাচ্ছেন। আমরা যদি মূর্খ হয়েই থাকি তাহলে রায়ের মাধ্যমে ব্যাখ্যা তুলে ধরতে পারেন। এ অধিকার বিচারপতিদের রয়েছে। কিন্তু তিনি তা না করে আদালতের বাইরে গিয়ে সীমা ছাড়িয়ে যে অন্যায় করেছেন তা কোনো অবস্থায়ই বরদাশত করা যায় না। কামরুল ইসলাম বলেন, ওই বিচারপতি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আমাদের সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত। তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আসা দুঃখজনক।
প্রসঙ্গত, বিচারপতি নজরুল ইসলাম অধিকারের সেমিনারে তার বক্তৃতায় বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যা বিচার বিভাগের জন্য বড় ধরনের আঘাত। আমরা বিচারপতিরা জনগণের অধিকার রক্ষার শপথ নিয়েছি। কিন্তু আমাদের সামনেই যখন বিনা বিচারে কাউকে হত্যা করা হয়, তখন আমাদের জন্য সেটা আঘাতস্বরূপ। তিনি বলেন, কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের হাতে কাউকে হত্যার দায়িত্ব তুলে দেয়া যায় না। এটা জাতির জন্য আত্মহত্যার শামিল। আইন প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যারা সংসদ সদস্য হবেন, তাদেরকে আইন প্রণয়নের বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব হলো জনগণের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরি করা। আইনের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক করা। আইনের একটি শব্দ, সেমিকোলন—এসব বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন বিতর্ক হতে পারে। কেরানিরা আইনের ড্রাফট তৈরি করে আর সংসদ সদস্যরা সেটা হো হো করে তালি বাজিয়ে পাস করে দেবেন, এটা তাদের দায়িত্ব নয়। অনেক সংসদ সদস্য আইনের ড্রাফটটি অনেক সময় পড়েও দেখেন না। দলীয় লোক আইন উত্থাপন করেছেন, তাই এটা পাস।
আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিচারপতি নজরুল ইসলাম একটি অনুষ্ঠানে সংসদ এবং সংসদ সদস্যদের ব্যাপারে অশ্লীল ও অশালীন মন্তব্য করেছেন। তার ওই মন্তব্যে আমরা সংসদ সদস্যরা সংক্ষুব্ধ হয়েছি। তার এই অপরাধ কোনো অবস্থাতেই ক্ষমা করা হবে না। তিনি বলেন, সংসদের আগামী শীতকালীন অধিবেশনে তার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রস্তাব উত্থাপন করা হবে। এছাড়া সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের পাশাপাশি সংসদ থেকেও যাতে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয় সেজন্য স্পিকারকে অনুরোধ জানানো হবে। ওই অনুষ্ঠানে বিচারপতি নজরুল কী বক্তব্য দিয়েছিলেন—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছিলেন যে, কেরানিরা আইন তৈরি করে আর সংসদে মূর্খ সংসদ সদস্যরা তা হাততালি দিয়ে পাস করিয়ে দেয়।’
তিনি আরও বলেন, বিচারপতির ওই বক্তব্য সংসদের প্রতি সীমা লঙ্ঘন, তার চাকরি বিধির লঙ্ঘন এবং গর্হিত অন্যায়। এটা কোনো অবস্থায়ই মেনে নেয়া যায় না। আমরা সংসদ সদস্যরা সংসদে যে আইন তৈরি করি বিচারপতিরা হাইকোর্টে তা ব্যাখ্যা করে খাচ্ছেন। আমরা যদি মূর্খ হয়েই থাকি তাহলে রায়ের মাধ্যমে ব্যাখ্যা তুলে ধরতে পারেন। এ অধিকার বিচারপতিদের রয়েছে। কিন্তু তিনি তা না করে আদালতের বাইরে গিয়ে সীমা ছাড়িয়ে যে অন্যায় করেছেন তা কোনো অবস্থায়ই বরদাশত করা যায় না। কামরুল ইসলাম বলেন, ওই বিচারপতি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আমাদের সরকারের সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত। তার কাছ থেকে এ ধরনের বক্তব্য আসা দুঃখজনক।
প্রসঙ্গত, বিচারপতি নজরুল ইসলাম অধিকারের সেমিনারে তার বক্তৃতায় বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। বিচারবহির্ভূত হত্যা বিচার বিভাগের জন্য বড় ধরনের আঘাত। আমরা বিচারপতিরা জনগণের অধিকার রক্ষার শপথ নিয়েছি। কিন্তু আমাদের সামনেই যখন বিনা বিচারে কাউকে হত্যা করা হয়, তখন আমাদের জন্য সেটা আঘাতস্বরূপ। তিনি বলেন, কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যের হাতে কাউকে হত্যার দায়িত্ব তুলে দেয়া যায় না। এটা জাতির জন্য আত্মহত্যার শামিল। আইন প্রণয়নে সংসদ সদস্যদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, যারা সংসদ সদস্য হবেন, তাদেরকে আইন প্রণয়নের বিষয়ে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। সংসদ সদস্যদের দায়িত্ব হলো জনগণের মঙ্গলের জন্য আইন তৈরি করা। আইনের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বিতর্ক করা। আইনের একটি শব্দ, সেমিকোলন—এসব বিষয় নিয়ে দিনের পর দিন বিতর্ক হতে পারে। কেরানিরা আইনের ড্রাফট তৈরি করে আর সংসদ সদস্যরা সেটা হো হো করে তালি বাজিয়ে পাস করে দেবেন, এটা তাদের দায়িত্ব নয়। অনেক সংসদ সদস্য আইনের ড্রাফটটি অনেক সময় পড়েও দেখেন না। দলীয় লোক আইন উত্থাপন করেছেন, তাই এটা পাস।
-
প্রথম পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


