মায়াজালের রহস্যভেদ
ডেস্ক রিপোর্ট
ভারতীয় জাদুকররা রশি দিয়ে যে খেলাটা দেখান, সেটাকে দাবি করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বিভ্রম বা মায়াজাল হিসেবে। এ যাবত্ বড় বড় সব ম্যাজিশিয়ান ঘোল খেয়ে গেছেন এর রহস্য ভেদ করতে গিয়ে। অধিকাংশই শেষ পর্যন্ত বিশ্বাস করেছেন যে, এটা এক অসম্ভব খেলা। এখানে কৌশল নয়, অন্য কোনো ব্যাপার আছে। ১৯৩৪ সালে ম্যাজিক সার্কেলের সে ঘোষণাতেই ফিরে গেছেন তারা। লন্ডনভিত্তিক এই জাদু সংস্থাটি বলেছিল, যে ব্যক্তি এ রহস্য ভেদ করতে পারবে তার নাম কয়েকশ’বার গিনেজ বুকে উঠতে পারবে। এর মানে হলো, ব্যাপারটা যে কীভাবে হয় তার রহস্য ভেদ করা অসম্ভবপ্রায়।
তবে দিল্লির বস্তি এলাকার দুই ব্যক্তি দাবি করেছে, তারাও বিখ্যাত এই খেলাটি দেখাতে পারে।
ইন্ডিয়ান রোপ ট্রিক নামের এই খেলাটি দেখানোর নিয়ম হলো : প্রথমে একটা রশিকে ওপরে বাঁধা হয় টান টান করে। তারপর একটা কিশোর ছেলেকে ওটা বেয়ে ওঠার জন্য বলা হয়। ভারতীয় লোককথায় বলা হয়, ছেলেটি রশির একদম ওপরে উঠে হঠাত্ উধাও হয়ে যায়। এরপর ম্যাজিশিয়ান তাকে ডাক দেয়ার সঙ্গেই সে ফিরে আসে। তবে ম্যাজিশিয়ান শুধু নিচ থেকে ডাক দিলেই সে আসে না, ম্যাজিশিয়ান নিজেও রশি বেয়ে ওপরে উঠে যায়। এরপর বালকটিকে নাম ধরে ডাক দেয়ার পর ওর শরীরের খণ্ড-বিখণ্ড অংশগুলো পড়তে থাকে মাটিতে। এরপর ম্যাজিশিয়ান নিজে নিচে নেমে এসে বালকটির দেহের খণ্ডিতাংশগুলো জড়ো করে ঢেকে দেয়। তারপর আরও কিছু প্রক্রিয়ার পর বালকটি অক্ষত শরীরে উঠে বসে।
দিল্লির শহরতলির এক বস্তিতে বসবাসকারী হাসান খান এই ঐন্দ্রজালিক রহস্যভেদের কথা বলেছেন সাংবাদিকদের। তবে এটা কী করে কাজ করে তা বলতে আপত্তি জানিয়েছে সে। বলেছে, ‘এটা আমাদের পারিবারিক ব্যবসা। এটা গোপন রাখতে চাই। এটা আমার দাদু শিখেছিলেন তার দাদুর কাছ থেকে। আমাদের পরিবারে এটা বংশপরম্পরায় চালু রয়েছে।’
হাসানের দাবি হলো, তাদের পরিবারই এই জাদুর স্রষ্টা। এই জাদুর কথা বলেছিলেন ১৭ শতকে মোগল বাদশাহ জাহাঙ্গীর তার আত্মজীবনীতে। হাসান খান জাদুর জন্য গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডের সার্টিফিকেটও পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে মানুষকে বিভ্রান্ত করার ব্যাপার রয়েছে। এটা দেখানোর সময় আমি দর্শকদের মোহগ্রস্ত করে ফেলি।’
তবে দিল্লির বস্তি এলাকার দুই ব্যক্তি দাবি করেছে, তারাও বিখ্যাত এই খেলাটি দেখাতে পারে।
ইন্ডিয়ান রোপ ট্রিক নামের এই খেলাটি দেখানোর নিয়ম হলো : প্রথমে একটা রশিকে ওপরে বাঁধা হয় টান টান করে। তারপর একটা কিশোর ছেলেকে ওটা বেয়ে ওঠার জন্য বলা হয়। ভারতীয় লোককথায় বলা হয়, ছেলেটি রশির একদম ওপরে উঠে হঠাত্ উধাও হয়ে যায়। এরপর ম্যাজিশিয়ান তাকে ডাক দেয়ার সঙ্গেই সে ফিরে আসে। তবে ম্যাজিশিয়ান শুধু নিচ থেকে ডাক দিলেই সে আসে না, ম্যাজিশিয়ান নিজেও রশি বেয়ে ওপরে উঠে যায়। এরপর বালকটিকে নাম ধরে ডাক দেয়ার পর ওর শরীরের খণ্ড-বিখণ্ড অংশগুলো পড়তে থাকে মাটিতে। এরপর ম্যাজিশিয়ান নিজে নিচে নেমে এসে বালকটির দেহের খণ্ডিতাংশগুলো জড়ো করে ঢেকে দেয়। তারপর আরও কিছু প্রক্রিয়ার পর বালকটি অক্ষত শরীরে উঠে বসে।
দিল্লির শহরতলির এক বস্তিতে বসবাসকারী হাসান খান এই ঐন্দ্রজালিক রহস্যভেদের কথা বলেছেন সাংবাদিকদের। তবে এটা কী করে কাজ করে তা বলতে আপত্তি জানিয়েছে সে। বলেছে, ‘এটা আমাদের পারিবারিক ব্যবসা। এটা গোপন রাখতে চাই। এটা আমার দাদু শিখেছিলেন তার দাদুর কাছ থেকে। আমাদের পরিবারে এটা বংশপরম্পরায় চালু রয়েছে।’
হাসানের দাবি হলো, তাদের পরিবারই এই জাদুর স্রষ্টা। এই জাদুর কথা বলেছিলেন ১৭ শতকে মোগল বাদশাহ জাহাঙ্গীর তার আত্মজীবনীতে। হাসান খান জাদুর জন্য গিনেজ বুক অব ওয়ার্ল্ডের সার্টিফিকেটও পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এর মধ্যে মানুষকে বিভ্রান্ত করার ব্যাপার রয়েছে। এটা দেখানোর সময় আমি দর্শকদের মোহগ্রস্ত করে ফেলি।’
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


