গোলটেবিলে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় : উপদেষ্টা ও জয় জড়িত নন তা প্রধানমন্ত্রীকে প্রমাণ করতে হবে
স্টাফ রিপোর্টার
জ্বালানি উপদেষ্টা ও সজীব ওয়াজেদ জয় জড়িত নন, তা প্রমাণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। একই সঙ্গে ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া অবাস্তব ও কাল্পনিক বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পেশিশক্তি দিয়ে নয়, তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি প্রমাণ করতে হবে। কারণ ওই মন্ত্রণালয়টি প্রধানমন্ত্রীর অধীনে রয়েছে।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস সোলজার অ্যাসোসিয়েশনের (রাফসা) উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
‘১৯৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ ও নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিষয়টি প্রমাণ করা খুবই জরুরি, যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা ছিল। তিনি রাজনৈতিকভাবে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেও জনগণের কাছ থেকে মামলাটি এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। তিনি বলেন, ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া অবাস্তব এবং কারও খুশির জন্য গ্রহণ করা এ উদ্যোগ জাতির জন্য আতঙ্কের ব্যাপার।
বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ মোঃ আবদুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, রাফসার চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শহীদ চৌধুরী, রাফসা উপদেষ্টা মোঃ সানোয়ার হোসেন সানু, মানবাধিকার কমিশনের মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইউসুফ, রাফসার মহাসচিব রফিকুল হক জোয়ার্দার, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী এজেন্ডায় ৩ নম্বরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মনোবৃত্তি না থাকলেও তা দেখাচ্ছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। সরকার ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে আইনের শাসনকে রুদ্ধ করে গণতন্ত্রকে গলাটিপে কথার ফুলঝুরি ফুটিয়ে বাকশাল কায়েম করতে চায়।
সভায় বক্তারা বলেন, সংবিধানের নামে পররাষ্ট্র নীতিকে বন্দি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং তারা বাকশালী কায়দায় দেশ শাসন করতে চায়।
গতকাল জাতীয় প্রেসক্লাবে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস সোলজার অ্যাসোসিয়েশনের (রাফসা) উদ্যোগে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে সংবাদকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
‘১৯৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ ও নাগরিক ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বিষয়টি প্রমাণ করা খুবই জরুরি, যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজিসহ একাধিক মামলা ছিল। তিনি রাজনৈতিকভাবে মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেও জনগণের কাছ থেকে মামলাটি এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। তিনি বলেন, ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়া অবাস্তব এবং কারও খুশির জন্য গ্রহণ করা এ উদ্যোগ জাতির জন্য আতঙ্কের ব্যাপার।
বিশিষ্ট সমাজসেবক আলহাজ মোঃ আবদুল হাকিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য রাখেন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, রাফসার চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শহীদ চৌধুরী, রাফসা উপদেষ্টা মোঃ সানোয়ার হোসেন সানু, মানবাধিকার কমিশনের মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ সম্পাদক হাজী মোঃ ইউসুফ, রাফসার মহাসচিব রফিকুল হক জোয়ার্দার, অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।
মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী এজেন্ডায় ৩ নম্বরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মনোবৃত্তি না থাকলেও তা দেখাচ্ছে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে। সরকার ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার নামে আইনের শাসনকে রুদ্ধ করে গণতন্ত্রকে গলাটিপে কথার ফুলঝুরি ফুটিয়ে বাকশাল কায়েম করতে চায়।
সভায় বক্তারা বলেন, সংবিধানের নামে পররাষ্ট্র নীতিকে বন্দি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে এবং তারা বাকশালী কায়দায় দেশ শাসন করতে চায়।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


