নারীর অধিকার বিষয়ক কর্মশালা : নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র ৫.১ ভাগ
স্টাফ রিপোর্টার
দেশের রাজনীতি ও নীতি-নির্ধারক পর্যায়ে নারীর অংশগ্রহণ মাত্র পাঁচ দশমিক এক ভাগ। আদালতে বিচারকদের মধ্যে নারী রয়েছেন মাত্র নয় শতাংশ। হাইকোর্টে ৪৫ জন পুরুষের বিপরীতে নারী মাত্র একজন। সিভিল সার্ভিসে সাত দশমিক ৮০ ভাগ নারী হলেও নীতি-নির্ধারণী পদে আছেন শূন্য দশমিক এক-দুই শতাংশ।
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘কর্মজীবী নারী’র বিভাগীয় কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, দেশে রাজনীতিসহ উচ্চপর্যায়ে নারীরা ভালো অবস্থানে নেই। তারা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, আইএলও’র আলোকে নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ নারীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করতে অনুষ্ঠানে সরকারের প্রতি আলোচকরা জোর দাবি জানান।
‘নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সর্বস্তরে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত এবং নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ’ শীর্ষক আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি। এতে সভাপতিত্ব করেন কর্মজীবী নারী’র সভাপতি শিরিন আখতার। আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শারমিন কবির, রোকেয়া রফিক বেবি, সাংবাদিক মাহমুদা ডলি, আরিফা আক্তারসহ বিভিন্ন জেলা কমিটির প্রতিনিধিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, শ্রম বাজারে প্রায় ৫০ ভাগের বেশি নারী, তবুও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের কাটছে না। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।
গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত ‘কর্মজীবী নারী’র বিভাগীয় কর্মশালায় এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। অনুষ্ঠানে আলোচকরা বলেন, দেশে রাজনীতিসহ উচ্চপর্যায়ে নারীরা ভালো অবস্থানে নেই। তারা নানাভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, আইএলও’র আলোকে নারীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করাসহ নারীর ওপর শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে আইন প্রণয়ন করতে অনুষ্ঠানে সরকারের প্রতি আলোচকরা জোর দাবি জানান।
‘নারীর অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সর্বস্তরে এক-তৃতীয়াংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত এবং নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ’ শীর্ষক আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য মেহের আফরোজ চুমকি। এতে সভাপতিত্ব করেন কর্মজীবী নারী’র সভাপতি শিরিন আখতার। আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শারমিন কবির, রোকেয়া রফিক বেবি, সাংবাদিক মাহমুদা ডলি, আরিফা আক্তারসহ বিভিন্ন জেলা কমিটির প্রতিনিধিরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, শ্রম বাজারে প্রায় ৫০ ভাগের বেশি নারী, তবুও পুরুষতান্ত্রিক মানসিকতা সমাজ ও রাষ্ট্রের কাটছে না। নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন গড়ে তোলার দাবি জানান তিনি।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


