নাব্যতা ও ফেরি সঙ্কট : পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে পণ্য ও যাত্রী পরিবহনে দুর্ভোগ
শিবালয় (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি
ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে যানবাহন পারাপারে অচলাবস্থার রেশ কাটতে না কাটতেই ফেরি স্বল্পতা, নাব্যতা ও ঘাট সঙ্কটে গত কয়েকদিন ধরে এ রুটে স্বাভাবিক যানবাহন পারাপার বিঘ্নিত হচ্ছে। চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন শত শত যাত্রী।
গত ৬ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ৭ দফায় ৫০ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে এ রুটে স্বাভাবিক যানবাহন পারাপারে নেমে আসে বিপর্যয়। কুয়াশা কেটে গেলে ১৩ ডিসেম্বর থেকে যানবাহন পারাপারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ফেরি স্বল্পতা, নাব্যতা ও ঘাট সঙ্কটে শুক্রবার থেকে আবার যানজট এবং যাত্রী দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীসাধারণ ও পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারে শুরুতে ১২টি রো রো ফেরি বরাদ্দ দেয় বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। পুরনো ফেরিগুলো বিরতিহীন চলাচল, নাব্যতা সঙ্কট, চ্যানেলে মাটি কেটে কেটে চলা, জোড়াতালি দিয়ে এগুলোর মেরামত ও সর্বোপরি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে প্রতিটি ফেরিই বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটিতে এখন জর্জরিত। প্রতিদিন একাধিক ফেরি বিকল হয়ে ভাসমান ফেরি মেরামত কারখানা ‘মধুমতি’তে সংস্কার কাজে থাকে।
মাত্র ৬টি রো রো ও একটি কে টাইপ ফেরি এ মুহূর্তে এই রুটে সচল রয়েছে। এ অবস্থায় শনিবার রাতে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরিটির হাইড্রোলিক পাইপ ফেটে তা বিকল হয়ে গেলে যানবাহন পারাপার নতুন করে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এ ব্যাপরে একাধিক রো রো ফেরির মাস্টার অফিসার নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমার দেশকে জানান, প্রতিদিন এ রুটের ফেরিগুলো থেকে কর্পোরেশনের লাখ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। এ আয়ের একটা বড় অংশ কাগজে-কলমে ফেরি মেরামত খাতে দেখানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু ভারি হয়ে চলেছে প্রকৌশল ও বাণিজ্য বিভাগের কয়েক কর্মকর্তার পকেট।
এদিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া মূল চ্যানেলের উজানে পদ্মা-যমুনার মিলনস্থল থেকে মাঝনদীতে সৃষ্ট বিশাল এক ডুবোচর দ্রুত মূল চ্যানেলের দিকে বৃদ্ধি পাওয়ায় নাব্যতা সঙ্কট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফেরির মাস্টার অফিসাররা জানান, স্বাভাবিক নাব্যতা না থাকায় ফেরিগুলো মাটি কেটে কেটে চালাতে হচ্ছে। এতে একদিকে পারাপারে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে, অপর দিকে ঘন ঘন বিকল হয়ে পড়ছে ফেরিগুলো।
ওদিকে ড্রেজিং ও মেরামত কাজের জন্য পাটুরিয়া প্রান্তের সবচেয়ে সুবিধাজনক ৩ নং ফেরি ঘাটটি গত শনিবার সকাল থেকে বন্ধ থাকায় সঙ্কট আরও ঘনীভূত হয়েছে। পাটুরিয়া প্রান্তের অপ্রশস্ত বেসিনে মাঝে মাঝেই ফেরিজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঘাট পাওয়ার জন্য ফেরিগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় মাওয়া-চরজানাজাত রুটে স্থানান্তরিত ভাষা শহীদ বরকত ও শাহ্ মখদুম রো রো ফেরি দুটি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে যুক্ত করলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতো বলে মনে করেন সচেতন মহল।
গত ৬ থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ৭ দফায় ৫০ ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলে এ রুটে স্বাভাবিক যানবাহন পারাপারে নেমে আসে বিপর্যয়। কুয়াশা কেটে গেলে ১৩ ডিসেম্বর থেকে যানবাহন পারাপারে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসে। কিন্তু এক সপ্তাহ যেতে না যেতেই ফেরি স্বল্পতা, নাব্যতা ও ঘাট সঙ্কটে শুক্রবার থেকে আবার যানজট এবং যাত্রী দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
এ রুটে চলাচলকারী যাত্রীসাধারণ ও পণ্যবাহী পরিবহন পারাপারে শুরুতে ১২টি রো রো ফেরি বরাদ্দ দেয় বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ। পুরনো ফেরিগুলো বিরতিহীন চলাচল, নাব্যতা সঙ্কট, চ্যানেলে মাটি কেটে কেটে চলা, জোড়াতালি দিয়ে এগুলোর মেরামত ও সর্বোপরি যথাযথ রক্ষণাবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে প্রতিটি ফেরিই বিভিন্ন যান্ত্রিক ত্রুটিতে এখন জর্জরিত। প্রতিদিন একাধিক ফেরি বিকল হয়ে ভাসমান ফেরি মেরামত কারখানা ‘মধুমতি’তে সংস্কার কাজে থাকে।
মাত্র ৬টি রো রো ও একটি কে টাইপ ফেরি এ মুহূর্তে এই রুটে সচল রয়েছে। এ অবস্থায় শনিবার রাতে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর ফেরিটির হাইড্রোলিক পাইপ ফেটে তা বিকল হয়ে গেলে যানবাহন পারাপার নতুন করে মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এ ব্যাপরে একাধিক রো রো ফেরির মাস্টার অফিসার নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমার দেশকে জানান, প্রতিদিন এ রুটের ফেরিগুলো থেকে কর্পোরেশনের লাখ লাখ টাকা আয় হচ্ছে। এ আয়ের একটা বড় অংশ কাগজে-কলমে ফেরি মেরামত খাতে দেখানো হলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। শুধু ভারি হয়ে চলেছে প্রকৌশল ও বাণিজ্য বিভাগের কয়েক কর্মকর্তার পকেট।
এদিকে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া মূল চ্যানেলের উজানে পদ্মা-যমুনার মিলনস্থল থেকে মাঝনদীতে সৃষ্ট বিশাল এক ডুবোচর দ্রুত মূল চ্যানেলের দিকে বৃদ্ধি পাওয়ায় নাব্যতা সঙ্কট আরও প্রকট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ফেরির মাস্টার অফিসাররা জানান, স্বাভাবিক নাব্যতা না থাকায় ফেরিগুলো মাটি কেটে কেটে চালাতে হচ্ছে। এতে একদিকে পারাপারে অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে, অপর দিকে ঘন ঘন বিকল হয়ে পড়ছে ফেরিগুলো।
ওদিকে ড্রেজিং ও মেরামত কাজের জন্য পাটুরিয়া প্রান্তের সবচেয়ে সুবিধাজনক ৩ নং ফেরি ঘাটটি গত শনিবার সকাল থেকে বন্ধ থাকায় সঙ্কট আরও ঘনীভূত হয়েছে। পাটুরিয়া প্রান্তের অপ্রশস্ত বেসিনে মাঝে মাঝেই ফেরিজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঘাট পাওয়ার জন্য ফেরিগুলোকে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় মাওয়া-চরজানাজাত রুটে স্থানান্তরিত ভাষা শহীদ বরকত ও শাহ্ মখদুম রো রো ফেরি দুটি পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে যুক্ত করলে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হতো বলে মনে করেন সচেতন মহল।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


