অপরাধীদের অভয়ারণ্য ঢাকার নিম্নাঞ্চল
নাছির উদ্দিন শোয়েব
সন্ত্রাসী, মাস্তান ও চাঁদাবাজদের অভয়ারণ্য এখন ঢাকার নিম্নাঞ্চল। বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে অপরাধীরা এসব এলাকায় আশ্রয় নেয়। মহানগরীর কিছু এলাকা রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের অন্তর্ভুক্ত। সিটি কর্পোরেশনের বাইরে অনেক এলাকা রয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। সন্ধ্যা হলেই এসব এলাকায় সন্ত্রাসী আর মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বেড়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এসব অঞ্চলে দিন-রাত কখনোই পুলিশের টহল চোখে পড়ে না। অনেক সময় পুলিশের কাছে অভিযোগ করেও সুফল পান না এসব এলাকার বাসিন্দারা। এলাকার মানুষ সন্ত্রাসীদের সঙ্গে অপস করেই দিন কাটান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানীতে ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বাড্ডা, সাতারকুল, ভাটারা, শ্যামপুর, মাতুয়াইল, ডেমরা ও সারুলিয়া ইউনিয়নে অপরাধীদের তত্পরতা বেশি। স্থানীয় গডফাদার ও তাদের সহযোগীদের হাতে জিম্মি সাধারণ মানুষ। জলাশর দখল, জমি দখল, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা, বাড়ি নির্মাণ করতে চাঁদা দাবি, এমনকি বাড়ি নির্মাণের সরঞ্জামাদি কিনতেও দিতে হচ্ছে চাঁদা। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের অভিযোগ, গডফাদারদের ইশারায় চলছে থানা পুলিশ। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সুফল পাওয়া যায় না। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে রয়েছে পুলিশের সখ্য। থানায় কেউ মামলা বা জিডি করতে গেলেও হয়রানির শিকার হতে হয়। প্রতিবাদ করতে গিয়ে গডফাদার ও সন্ত্রাসীদের রোষানলে পড়ে জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটছে নিরীহ বাসিন্দাদের। পূর্ব বাড্ডা, মধ্য বাড্ডার আনন্দনগর, সোনাকাটারা, আলিফনগর, বরিদ্দারটেক, কবরস্থান রোড, বড় টেক, বাঘাপুর, সাতারকুল, উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, পুকুরপাড়, তালতলা, ইসলামবাগ, মেরাদিয়া, পাঁচখোলা, নূরেরচালা, সলমাইদ, খিলবাড়িরটেক, ভূঁইয়াপাড়া, বাউলিয়াপাড়া, আবদুল্লাহবাগ, নামাপাড়া, মেরুল, শান্তিপাড়ার বাসিন্দাদের দাবি তারা গডফাদার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি চান। এসব এলাকায় উঠতি সন্ত্রাসী, মাস্তান ও চাঁদাবাজরা ঘুরে বেড়ালেও রাতে কখনও পুলিশের টহল চোখে পড়ে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খাল ও জমি দখলকারী এবং সন্ত্রাসীদের গডফাদার আলমগীরের নেতৃত্বে বাড্ডার নিম্নাঞ্চল এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলছে। তার নেতৃত্বে রয়েছে সন্ত্রাসী বাহিনী। রাজধানী ও আশপাশ এলাকার দাগি সন্ত্রাসীরা এই বাহিনীর সদস্য। দলে রয়েছে গাজীপুরের কালীগঞ্জের চিহ্নিত সন্ত্রাসী লিটন ওরফে ভাইজতা লিটন, নিজাম, স্বপন, আলী হোসেন ওরফে জুয়াড়ি আলী। এলাকায় বাড়ি নির্মাণ, বাড়িতে পানি-বিদ্যুত্-গ্যাস সংযোগ স্থাপন—সব কাজেই ভাগ বসায় তারা। চাঁদা না দিয়ে কেউ এলাকায় বাড়ি নির্মাণ বা উন্নয়নমূলক কোনো কাজ করতে পারেন না। সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন এলাকার অলিগলিতে মহড়া দেয়। আনন্দনগরে আদর্শ বিদ্যালয়ের পাশে একটি গ্যারেজ দখল করে রাতভর জুয়া ও মদের আসর চালানোর অভিযোগ রয়েছে। বাঘাপুর ও পূর্ব বাড্ডার মাঝখানে বরিদ্দার খালের কাছের ভবনটি সন্ত্রাসীদের নিরাপদস্থল। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে সন্ত্রাসীরা এখানে আশ্রয় নেয়। তাদের নিরাপত্তার জন্য ভবনের ছাদে সারাক্ষণ পাহারা বসানো থাকে। সূত্র জানায়, সন্ত্রাসী আস্তানার নিয়ন্ত্রণে আছে গাজীপুরের কালীগঞ্জের কুখ্যাত সন্ত্রাসী রুমী, রামপুরার চিহ্নিত সন্ত্রাসী টিটুু, বাড্ডার মৃদুল, মেরাদিয়ার জসু, জাকির ওরফে কানা জাকির, মনির, ইমান, সালাউদ্দিন, আয়নাল, মমতাজ ওরফে মোনতাসহ শতাধিক সন্ত্রাসী। ভুক্তভোগীরা জানান, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে অথবা চাঁদা না দিলে সন্ত্রাসীরা লোকজনকে ধরে নিয়ে বাঘাপুরের টর্চার সেলে মারধর করে।
তারা আরও জানান, সন্ত্রাসী বাহিনীর অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস নেই কারও। প্রতিবাদ করতে গেলে নানাভাবে হয়রানি-নির্যাতনসহ জীবনের ওপর হুমকি আসে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে রোষানলে পড়েন পূর্ব বাড্ডার বৈঠাখালীর ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন ঢালী। আইনের আশ্রয় পেতে থানায় গিয়েও প্রতিকার পাননি। উল্টো তাকে গ্রেফতার করে মামলায় ফাঁসানো হয়। এমনকি তার অসুস্থ বৃদ্ধ পিতাকেও জেলে যেতে হয়েছে। এখন তিনি সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকাছাড়া। প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা। দেলোয়ার অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীদের অপরাধ কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করতে গেলে বাড্ডা থানা পুলিশ তার অভিযোগ না নিয়ে উল্টো থানা থেকে বের করে দেয়। তিনি এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ডেমরা থানার সারুলিয়া ইউনিয়নের বড়ভাঙ্গা, সারুলিয়া ক্যানেলপাড়, মনু মিয়া শপিং সেন্টার, গলাকাটা ব্রিজ থেকে পশ্চিম বক্সনগর, টেংরা থেকে আরব আলীর বিল, কদমতলী থানার শ্যামপুর ইউনিয়নে সব মিলিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা জরাজীর্ণ। কদমতলীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজিত দাস টুনু (ক্রসফায়ারে নিহত) ছোট ভাই উজ্জ্বল দাস, ডাকাত শহীদের সহযোগী গ্রিল দেলওয়ার, ৮ মামলার আসামি কালা আমীর, ক্রসফায়ারে নিহত দাইত্যা মাসুদের সহযোগী সাইফুল, টিটুল, সুমন, পিচ্চি শাহাদাত্, রাজু, রফিক, জুয়েল, টুপি মিন্টু, মোল্লা মামুন, মুরগি কামাল, জামাই কামাল, কাইল্যা নজরুল, ইকবাল হোসেন, কালাম, মিন্টু, রোকন, শনির আখড়ার আকতার, মার্কেট ব্যবসায়ী কাইয়ুম হত্যা মামলার আসামি বেল্লাল, ধোলাইপাড়ের জুম্মন, শ্যামপুরের হোসেন, নামা শ্যামপুরের ভাগিনা সুমন, মশিয়ার রহমান ফয়সাল, কান্টু, কানা বেল্লাল, টিটু। এছাড়াও শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পলাতক থেকে এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। অথচ নবগঠিত কদমতলী থানায় সন্ত্রাসীদের কোনো নামের তালিকা নেই। ওসি আইয়ুবুর রহমান জানান, তালিকা এখনও করা হয়নি। থানায় অপরাধ তালিকা ঝোলানো থাকলেও তাতে কিছুই লেখা নেই। রায়েরবাগে রয়েছে বিশাল মাদকের স্পট। গাঁজা, হেরোইন ও ফেনসিডিল সবই এখানে পাইকারি বিক্রি হয়। এখানে মাদক স্পট চালায় রাজু, খলিল, মান্না, মোতাহার, পুনম সিনেমা হলের পেছনে বাহার, মোশারফ, মাদুদ, আদিল, সোর্স দুলাল, গাঁজার আড়তদার বলে খ্যাত মকবুল আনোয়ার ও পাগলা দুলাল, মেরাজনগর মাদ্রাসা রোডে কানা কাশেম, আনোয়ার ও তার স্ত্রী, তরিকুল, ডিশ সেলিম, ইকবাল, আমজাদ, দনিয়া বাজারে ইয়াসির মাসুদ এবং সোর্স দুলাল।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রাজধানীতে ১৭টি ইউনিয়নের মধ্যে বাড্ডা, সাতারকুল, ভাটারা, শ্যামপুর, মাতুয়াইল, ডেমরা ও সারুলিয়া ইউনিয়নে অপরাধীদের তত্পরতা বেশি। স্থানীয় গডফাদার ও তাদের সহযোগীদের হাতে জিম্মি সাধারণ মানুষ। জলাশর দখল, জমি দখল, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদা তোলা, বাড়ি নির্মাণ করতে চাঁদা দাবি, এমনকি বাড়ি নির্মাণের সরঞ্জামাদি কিনতেও দিতে হচ্ছে চাঁদা। ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের অভিযোগ, গডফাদারদের ইশারায় চলছে থানা পুলিশ। প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেও কোনো সুফল পাওয়া যায় না। সন্ত্রাসীদের সঙ্গে রয়েছে পুলিশের সখ্য। থানায় কেউ মামলা বা জিডি করতে গেলেও হয়রানির শিকার হতে হয়। প্রতিবাদ করতে গিয়ে গডফাদার ও সন্ত্রাসীদের রোষানলে পড়ে জীবন বাঁচাতে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকে। স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ব্যাঘাত ঘটছে নিরীহ বাসিন্দাদের। পূর্ব বাড্ডা, মধ্য বাড্ডার আনন্দনগর, সোনাকাটারা, আলিফনগর, বরিদ্দারটেক, কবরস্থান রোড, বড় টেক, বাঘাপুর, সাতারকুল, উত্তরপাড়া, দক্ষিণপাড়া, পুকুরপাড়, তালতলা, ইসলামবাগ, মেরাদিয়া, পাঁচখোলা, নূরেরচালা, সলমাইদ, খিলবাড়িরটেক, ভূঁইয়াপাড়া, বাউলিয়াপাড়া, আবদুল্লাহবাগ, নামাপাড়া, মেরুল, শান্তিপাড়ার বাসিন্দাদের দাবি তারা গডফাদার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে মুক্তি চান। এসব এলাকায় উঠতি সন্ত্রাসী, মাস্তান ও চাঁদাবাজরা ঘুরে বেড়ালেও রাতে কখনও পুলিশের টহল চোখে পড়ে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, খাল ও জমি দখলকারী এবং সন্ত্রাসীদের গডফাদার আলমগীরের নেতৃত্বে বাড্ডার নিম্নাঞ্চল এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চলছে। তার নেতৃত্বে রয়েছে সন্ত্রাসী বাহিনী। রাজধানী ও আশপাশ এলাকার দাগি সন্ত্রাসীরা এই বাহিনীর সদস্য। দলে রয়েছে গাজীপুরের কালীগঞ্জের চিহ্নিত সন্ত্রাসী লিটন ওরফে ভাইজতা লিটন, নিজাম, স্বপন, আলী হোসেন ওরফে জুয়াড়ি আলী। এলাকায় বাড়ি নির্মাণ, বাড়িতে পানি-বিদ্যুত্-গ্যাস সংযোগ স্থাপন—সব কাজেই ভাগ বসায় তারা। চাঁদা না দিয়ে কেউ এলাকায় বাড়ি নির্মাণ বা উন্নয়নমূলক কোনো কাজ করতে পারেন না। সন্ত্রাসীরা প্রতিদিন এলাকার অলিগলিতে মহড়া দেয়। আনন্দনগরে আদর্শ বিদ্যালয়ের পাশে একটি গ্যারেজ দখল করে রাতভর জুয়া ও মদের আসর চালানোর অভিযোগ রয়েছে। বাঘাপুর ও পূর্ব বাড্ডার মাঝখানে বরিদ্দার খালের কাছের ভবনটি সন্ত্রাসীদের নিরাপদস্থল। রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড করে সন্ত্রাসীরা এখানে আশ্রয় নেয়। তাদের নিরাপত্তার জন্য ভবনের ছাদে সারাক্ষণ পাহারা বসানো থাকে। সূত্র জানায়, সন্ত্রাসী আস্তানার নিয়ন্ত্রণে আছে গাজীপুরের কালীগঞ্জের কুখ্যাত সন্ত্রাসী রুমী, রামপুরার চিহ্নিত সন্ত্রাসী টিটুু, বাড্ডার মৃদুল, মেরাদিয়ার জসু, জাকির ওরফে কানা জাকির, মনির, ইমান, সালাউদ্দিন, আয়নাল, মমতাজ ওরফে মোনতাসহ শতাধিক সন্ত্রাসী। ভুক্তভোগীরা জানান, তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে অথবা চাঁদা না দিলে সন্ত্রাসীরা লোকজনকে ধরে নিয়ে বাঘাপুরের টর্চার সেলে মারধর করে।
তারা আরও জানান, সন্ত্রাসী বাহিনীর অপকর্মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহস নেই কারও। প্রতিবাদ করতে গেলে নানাভাবে হয়রানি-নির্যাতনসহ জীবনের ওপর হুমকি আসে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করতে গিয়ে রোষানলে পড়েন পূর্ব বাড্ডার বৈঠাখালীর ব্যবসায়ী দেলোয়ার হোসেন ঢালী। আইনের আশ্রয় পেতে থানায় গিয়েও প্রতিকার পাননি। উল্টো তাকে গ্রেফতার করে মামলায় ফাঁসানো হয়। এমনকি তার অসুস্থ বৃদ্ধ পিতাকেও জেলে যেতে হয়েছে। এখন তিনি সন্ত্রাসীদের ভয়ে এলাকাছাড়া। প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে সন্ত্রাসীরা। দেলোয়ার অভিযোগ করেন, সন্ত্রাসীদের অপরাধ কর্মকাণ্ডের ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করতে গেলে বাড্ডা থানা পুলিশ তার অভিযোগ না নিয়ে উল্টো থানা থেকে বের করে দেয়। তিনি এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
ডেমরা থানার সারুলিয়া ইউনিয়নের বড়ভাঙ্গা, সারুলিয়া ক্যানেলপাড়, মনু মিয়া শপিং সেন্টার, গলাকাটা ব্রিজ থেকে পশ্চিম বক্সনগর, টেংরা থেকে আরব আলীর বিল, কদমতলী থানার শ্যামপুর ইউনিয়নে সব মিলিয়ে প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা জরাজীর্ণ। কদমতলীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সুজিত দাস টুনু (ক্রসফায়ারে নিহত) ছোট ভাই উজ্জ্বল দাস, ডাকাত শহীদের সহযোগী গ্রিল দেলওয়ার, ৮ মামলার আসামি কালা আমীর, ক্রসফায়ারে নিহত দাইত্যা মাসুদের সহযোগী সাইফুল, টিটুল, সুমন, পিচ্চি শাহাদাত্, রাজু, রফিক, জুয়েল, টুপি মিন্টু, মোল্লা মামুন, মুরগি কামাল, জামাই কামাল, কাইল্যা নজরুল, ইকবাল হোসেন, কালাম, মিন্টু, রোকন, শনির আখড়ার আকতার, মার্কেট ব্যবসায়ী কাইয়ুম হত্যা মামলার আসামি বেল্লাল, ধোলাইপাড়ের জুম্মন, শ্যামপুরের হোসেন, নামা শ্যামপুরের ভাগিনা সুমন, মশিয়ার রহমান ফয়সাল, কান্টু, কানা বেল্লাল, টিটু। এছাড়াও শতাধিক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী পলাতক থেকে এলাকায় অপরাধ কর্মকাণ্ড ঘটাচ্ছে। অথচ নবগঠিত কদমতলী থানায় সন্ত্রাসীদের কোনো নামের তালিকা নেই। ওসি আইয়ুবুর রহমান জানান, তালিকা এখনও করা হয়নি। থানায় অপরাধ তালিকা ঝোলানো থাকলেও তাতে কিছুই লেখা নেই। রায়েরবাগে রয়েছে বিশাল মাদকের স্পট। গাঁজা, হেরোইন ও ফেনসিডিল সবই এখানে পাইকারি বিক্রি হয়। এখানে মাদক স্পট চালায় রাজু, খলিল, মান্না, মোতাহার, পুনম সিনেমা হলের পেছনে বাহার, মোশারফ, মাদুদ, আদিল, সোর্স দুলাল, গাঁজার আড়তদার বলে খ্যাত মকবুল আনোয়ার ও পাগলা দুলাল, মেরাজনগর মাদ্রাসা রোডে কানা কাশেম, আনোয়ার ও তার স্ত্রী, তরিকুল, ডিশ সেলিম, ইকবাল, আমজাদ, দনিয়া বাজারে ইয়াসির মাসুদ এবং সোর্স দুলাল।
-
শেষের পাতা


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


