Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ২১ ডিসেম্বর ২০০৯, ৭ পৌষ ১৪১৬, ৩ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

বিশ্বসেরা বার্সেলোনা নায়ক মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক
পুরনো কথাটা দিয়েই শুরু করা যেতে পারে। ‘বার্সেলোনা-মেসি, দু’জনে দু’জনার’। ২০০৯ সালটা অবিস্মরণীয় হয়ে থাকল স্প্যানিশ জায়ান্ট বার্সেলোনা এবং দলের আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির জন্য। বিশ্ব ফুটবলে নজিরবিহীন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে থাকল এশিয়া। আরব আমিরাতের শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বিশ্বক্লাব কাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনার এস্তুদিয়ান্তেস দে লা প্লাতাকে অতিরিক্ত সময়ের গোলে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে মেসি-অরি-জাভি-ইব্রাহিমোভিচদের বার্সেলোনা বিশ্বসেরা ফুটবল টিমের খেতাব জিতে নিল। শুধু তাই নয়, একই বছর ছয়টি ট্রফি জিতে বিশ্ব ফুটবল ইতিহাসে নতুন নজির গড়ল বার্সেলোনা। বিখ্যাত কাতালান ক্লাবটি ২০০৯ সালে এর আগে জিতেছিল স্প্যানিশ লিগ, স্প্যানিশ কাপ, কিংস কাপ, চ্যাম্পিয়ন্স লীগ এবং সুপার কাপ। শনিবার রাতে ফিফা বিশ্বক্লাব কাপের ট্রফি জিতে শিরোপা জেতার ডাবল হ্যাটট্রিক করল স্প্যানিশ জায়ান্টরা। বিশ্বের কোনো ক্লাব যা আগে করে দেখাতে পারেনি।
বার্সেলোনার কোচ পেপ গুয়ার্দিওয়ালা ফুটবলার হিসেবে এই ট্রফির ফাইনাল খেলে শিরোপা জিততে পারেননি। সাবেক বার্সা খেলোয়াড় সেই দুঃখ ভুললেন কোচ হিসেবে দলকে এই ট্রফি এনে দিয়ে। বললেন, ‘আমি ভাগ্যবান যে দলে একঝাঁক প্রতিভাবান ফুটবলার পেয়েছি। এই কৃতিত্বের পুরোটাই খেলোয়াড়দের পাওনা। আমি নেপথ্যে মাত্র। একটা অসাধারণ মৌসুম কাটালাম আমরা। এক বছরে ছয়টি ট্রফি, ভাবলে নিজেই অবাক হয়ে যাচ্ছি। কিন্তু এটাই সত্যি।’
বিশ্বক্লাব কাপের ফাইনালে দু’বার উঠেও বার্সেলোনা কখনও শিরোপা জিততে পারেনি। সে জন্যই হয়তো বার্সেলোনাকে ফুটবল বিশেষজ্ঞরা ফেভারিট হিসেবে রায় দিলেও ফাইনালের আগে মেসি সতর্ক মন্তব্য করেছিলেন, জাতীয় দলে তার সতীর্থ হুয়ান ভেরনের দল মোটেই ছাড় দেবে না। কাজেই বার্সাকে ফেভারিট বলা যাবে না। ম্যাচে কিন্তু সেরকমই ছবি ছিল। বার্সা ম্যাচের শুরু থেকে প্রাধান্য বিস্তার করলেও এস্তুদিয়ান্তেসের রক্ষণভাগ দৃঢ়তার সঙ্গে রুখে যাচ্ছিল মেসিদের। সঙ্গে কাউন্টার অ্যাটাক তো ছিলই। প্রথমার্ধের ৩৭ মিনিটে এমনই একটি কাউন্টার অ্যাটাক থেকে আর্জেন্টাইন দলের খেলোয়াড় বসেল্লি গোল করে মাঠের দর্শকদের অবাক করে দেন। হুয়ান ম্যানুয়েল ডিয়াজের ক্রস থেকে হেডে গোল করে যান বসেল্লি। সেই গোল শোধ করতে মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়েছে বার্সাকে। অবশেষে খেলা শেষ হওয়ার মাত্র এক মিনিট আগে, ৮৯ মিনিটের মাথায় নাটকীয়ভাবে সমতা আনেন উদীয়মান স্প্যানিশ তারকা পেদ্রো। জেরার্ড পিকের ক্রস থেকে তার গোলটিও হেডে।
প্রায় নিশ্চিত হারা ম্যাচে অভাবিতভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর পর অতিরিক্ত সময়েও বার্সেলোনারই আধিপত্য ছিল। গোল করতে মরিয়া মেসি এবং অরি দুজনেই দেখেন হলুদ কার্ড। কিন্তু শেষ পর্যন্ত নিজের দেশের ক্লাবের বিরুদ্ধে প্রথম ফুটবল লড়াইয়ে নেমে বার্সেলোনার হয়ে বাজিমাত করেন মেসিই। ব্রাজিলিয়ান ড্যানি আলভেসের ক্রস বুকের আলতো ধাক্কায় গোলে পাঠিয়ে দেন মেসি। দলকে এনে দেন শিরোপা, নিজেও হন জয়ের নায়ক। ঠিক যেমনটি করেছিলেন চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ফাইনালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে। এর আগে ক্লাব কাপে দক্ষিণ কোরিয়ার পোহাং স্টিলার্স টাইব্রেকারে মেক্সিকোর আটলান্টাকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে তৃতীয় স্থান পায়।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?