Amardesh
আজঃ ঢাকা, সোমবার ২১ ডিসেম্বর ২০০৯, ৭ পৌষ ১৪১৬, ৩ মহররম ১৪৩০     আপডেট সময়ঃ সময় : রাত ২টা
 
 সাধারণ বিভাগ
 বিশেষ কর্ণার
 সাপ্তাহিকী
 শোক ও মৃত্যুবার্ষিকী
 
আবহাওয়া
 
 
আর্কাইভ: --
 

কোপেনহেগেন চুক্তি সম্পর্কে বান কি মুন : প্রত্যাশিত না হলেও এ সিদ্ধান্ত অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ সূচনা

রয়টার্স, বিবিসি
শেষ পর্যন্ত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনকে পুরোপুরি ব্যর্থ হওয়ার হাত থেকে বাঁচানো হলো। কয়েকটি দেশের তীব্র বিরোধিতাকে পাশ কাটিয়ে শনিবার যুক্তরাষ্ট্রসহ পাঁচ জাতির প্রস্তাবই মেনে নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুন সাংবাদিকদের বলেছেন, অবশেষে আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছেছি। তিনি অবশ্য এটাও বলেছেন, আগামী বছর অবশ্যই চুক্তিটিকে আইনি বাধ্যবাধকতার রূপ দিতে হবে।
মহাসচিব বলেন, এই ‘কোপেনহেগেন অ্যাকর্ড’ হয়তো সবাই যা চেয়েছিলেন তার পরিপূর্ণ প্রতিফলন নয়; তবে এ সিদ্ধান্ত এক গুরুত্বপূর্ণ সূচনা।
প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ভারত, চীন, ব্রাজিল ও দক্ষিণ আফ্রিকার নেতাদের সঙ্গে শেষ মুহূর্তে যে একটি ‘অর্থবহ সমঝোতায়’ উপনীত হন সেটাই শেষ পর্যন্ত ১৯৩ জাতির আলোচনায় নতুন চুক্তি হিসেবে মেনে নেয়া হয়েছে। তবে এটি বাধ্যতামূলকভাবে মেনে চলার চুক্তি নয়।
অনেক দেশই চুক্তির বিষয়বস্তুগুলো পুরোপুরি অনুমোদন করেনি। এতে বিশ্বের তাপমাত্রা দুই ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি বাড়তে না দেয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা ও খাপ খাইয়ে নিতে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে ২০২০ সাল থেকে বছরে ১০ হাজার কোটি ডলার সাহায্য দেয়ার কথা বলা হয়েছে। তবে শিল্পায়ন যুগ শুরুর পর বিশ্বের যে উষ্ণায়ন শুরু হয়েছে তা ২ ডিগ্রিতে সীমিত রাখার লক্ষ্যে চুক্তিতে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর সুনির্দিষ্ট কোনো পরিকল্পনা রাখা হয়নি।
৭ ডিসেম্বর শুরু হওয়া সম্মেলনের শেষ পর্যায়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছার সর্বাত্মক চেষ্টায় শুক্রবার রাতে জোরেশোরে আলোচনা হয়। এই রাতে চারটি দেশের সমর্থন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওবামার উদ্যোগে করা চুক্তিটির ব্যাপারে সুদান, নিকারাগুয়া, কিউবা, ভেনেজুয়েলা ও বলিভিয়া ক্ষোভে ফুঁসে উঠলে এটি ব্যর্থতার কিনারায় চলে যায়।
 
সদস্য লগইন
ইউজার আইডি :
পাসওয়ার্ড :
সাইন আপ
পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন ?