মাওবাদী ধর্মঘটে অচল নেপাল
রয়টার্স
মাওবাদীদের রোববার থেকে ডাকা তিন দিনের সাধারণ ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়েছে নেপাল। বন্ধ হয়ে গেছে ব্যবসা-বাণিজ্য, যান চলাচল।
মাওবাদীরা সরকার থেকে বেরিয়ে আসার পর এটিই নেপালে তাদের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। ক্ষমতায় ফিরে যাওয়ার দাবিতে তারা ধর্মঘট করছে।
সাত মাস আগে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিরোধে অসাংবিধানিকভাবে মাওবাদীদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সাবেক এ বিদ্রোহী দলটি।
রোববার তাদের সমর্থকরা হাতুড়ি ও কাস্তে চিহ্নিত পতাকা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ করেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছে মাওবাদীরা। মাওবাদী নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড শনিবার দলের বৈঠক শেষে বলেন, ‘সরকারের ভেতরের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ধর্মঘট শান্তিপূর্ণ হবে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ও মাওবাদীদের মধ্যে এ অচলাবস্থার কারণে নেপালে দশকব্যাপী গৃহযুদ্ধের পর শান্তি প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেছে এবং উন্নয়নের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। ধর্মঘট চলাকালে কোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে রাজধানী কাঠমান্ডু জুড়ে রাস্তায় রাস্তায় দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জয় মুকুন্দ খানাল বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা চারটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং আমরা এ পর্যন্ত ১১ জনকে আটক করেছি।’ গত বছর নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে মাওবাদীদের নেতৃত্বে নেপালে একটি জোট সরকার গঠিত হয়। মে মাসে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করার পর মাওবাদী নেতা ও প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ডের প্রচেষ্টা প্রেসিডেন্টের বিরোধিতার কারণে ব্যর্থ হয়। এ বিরোধের জেরে প্রচণ্ড পদত্যাগ করেন। মাওবাদীরা বলছে, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে প্রেসিডেন্ট বেসামরিক সরকারকে খাটো করেছেন। নেপালে প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিক পদাধিকারী।
মাওবাদীরা সরকার থেকে বেরিয়ে আসার পর এটিই নেপালে তাদের সবচেয়ে বড় বিক্ষোভ। ক্ষমতায় ফিরে যাওয়ার দাবিতে তারা ধর্মঘট করছে।
সাত মাস আগে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করা নিয়ে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বিরোধে অসাংবিধানিকভাবে মাওবাদীদের পদত্যাগে বাধ্য করা হয়েছে বলে দাবি করেছে সাবেক এ বিদ্রোহী দলটি।
রোববার তাদের সমর্থকরা হাতুড়ি ও কাস্তে চিহ্নিত পতাকা নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় বিক্ষোভ করেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এ ধর্মঘট চলবে বলে জানিয়েছে মাওবাদীরা। মাওবাদী নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড শনিবার দলের বৈঠক শেষে বলেন, ‘সরকারের ভেতরের রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সৃষ্ট অচলাবস্থা কাটানোর চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের ধর্মঘট শান্তিপূর্ণ হবে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, সরকার ও মাওবাদীদের মধ্যে এ অচলাবস্থার কারণে নেপালে দশকব্যাপী গৃহযুদ্ধের পর শান্তি প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে গেছে এবং উন্নয়নের গতি শ্লথ হয়ে পড়েছে। ধর্মঘট চলাকালে কোনো ধরনের সহিংসতা ঠেকাতে রাজধানী কাঠমান্ডু জুড়ে রাস্তায় রাস্তায় দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। নেপালের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জয় মুকুন্দ খানাল বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা চারটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে এবং আমরা এ পর্যন্ত ১১ জনকে আটক করেছি।’ গত বছর নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে মাওবাদীদের নেতৃত্বে নেপালে একটি জোট সরকার গঠিত হয়। মে মাসে সেনাপ্রধানকে বরখাস্ত করার পর মাওবাদী নেতা ও প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ডের প্রচেষ্টা প্রেসিডেন্টের বিরোধিতার কারণে ব্যর্থ হয়। এ বিরোধের জেরে প্রচণ্ড পদত্যাগ করেন। মাওবাদীরা বলছে, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তকে অমান্য করে প্রেসিডেন্ট বেসামরিক সরকারকে খাটো করেছেন। নেপালে প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিক পদাধিকারী।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


