ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাবেন জারদারি
রয়টার্স
পদত্যাগের দাবি, দলীয় রাজনীতিবিদদের তল্লাশি কিংবা তাদের বিরুদ্ধে কোনোরকম ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলবল নিয়ে লড়ার অঙ্গীকার করেছেন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।
বুধবার পাকিস্তানের আদালত প্রেসিডেন্ট, সরকারের মন্ত্রী ও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আরও অনেককে ক্ষমা করার অতীতের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর বিরোধী দলের রাজনীতিকরা জারদারির পদত্যাগ দাবি করে আসছেন। ওদিকে আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ আরও বাড়ায় পাকিস্তানে রাজনৈতিক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জারদারি শনিবার ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এ সঙ্কট মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ করেছেন।
আসিফ আলী জারদারির উদ্ধৃতি দিয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে লড়তে এবং ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে পিপিপি গণতন্ত্র এবং সংবিধানবাদকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে।’ ১৯৯০ সালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির বুট্টোর ক্ষমতাকালীন সময় থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত জারদারি। এর জন্য তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। এ বিষয়ে জারদারি জানান, ওই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ ছিল এবং তাকে ১১ বছর কারাগারে কাটাতে হয়েছে।
২০০৭ সালে ক্ষমা লাভের মাধ্যমে জারদারি বেরিয়ে আসেন। তবে সমপ্রতি পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্ট তা তুলে নিলেও প্রেসিডেন্টকে রক্ষাকারী আইনের কারণে তাকে বিচারের আওতায় আনা যাচ্ছে না। বিরোধী দল ও গণমাধ্যমের একটা অংশের পদত্যাগের আহ্বান নাকচ করে দিয়েছেন জারদারি। জারদারি ও তার দল কেউই কোনো অভিযোগের মুখে মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হবে না। জারদারির মুখপাত্র একথা বলেছেন।
ক্ষমা লাভের তালিকায় জারদারির সঙ্গে আরও ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিক এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী চৌধুরী আহমেদ মুখতার। এদেরও পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু রেহমান মালিকও পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, বিরোধীদের চাপের কাছে মাথা নত করে সরকার পদত্যাগ করবে না।
বুধবার পাকিস্তানের আদালত প্রেসিডেন্ট, সরকারের মন্ত্রী ও দুর্নীতিতে অভিযুক্ত আরও অনেককে ক্ষমা করার অতীতের সিদ্ধান্ত বাতিল করার পর বিরোধী দলের রাজনীতিকরা জারদারির পদত্যাগ দাবি করে আসছেন। ওদিকে আফগানিস্তানে তালেবানের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অংশ নিতে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ আরও বাড়ায় পাকিস্তানে রাজনৈতিক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
জারদারি শনিবার ক্ষমতাসীন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে এ সঙ্কট মোকাবিলার কৌশল নির্ধারণ করেছেন।
আসিফ আলী জারদারির উদ্ধৃতি দিয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে লড়তে এবং ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিতে পিপিপি গণতন্ত্র এবং সংবিধানবাদকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করবে।’ ১৯৯০ সালে প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির বুট্টোর ক্ষমতাকালীন সময় থেকেই দুর্নীতির অভিযোগে অভিযুক্ত জারদারি। এর জন্য তাকে কারাগারেও যেতে হয়েছে। এ বিষয়ে জারদারি জানান, ওই মামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপূর্ণ ছিল এবং তাকে ১১ বছর কারাগারে কাটাতে হয়েছে।
২০০৭ সালে ক্ষমা লাভের মাধ্যমে জারদারি বেরিয়ে আসেন। তবে সমপ্রতি পাকিস্তান সুপ্রিমকোর্ট তা তুলে নিলেও প্রেসিডেন্টকে রক্ষাকারী আইনের কারণে তাকে বিচারের আওতায় আনা যাচ্ছে না। বিরোধী দল ও গণমাধ্যমের একটা অংশের পদত্যাগের আহ্বান নাকচ করে দিয়েছেন জারদারি। জারদারি ও তার দল কেউই কোনো অভিযোগের মুখে মন্ত্রীদের পদত্যাগ করতে বলে ব্ল্যাকমেইলের শিকার হবে না। জারদারির মুখপাত্র একথা বলেছেন।
ক্ষমা লাভের তালিকায় জারদারির সঙ্গে আরও ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিক এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী চৌধুরী আহমেদ মুখতার। এদেরও পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। কিন্তু রেহমান মালিকও পরিষ্কার বলে দিয়েছেন, বিরোধীদের চাপের কাছে মাথা নত করে সরকার পদত্যাগ করবে না।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


