আলেকজান্দ্রিয়ায় ক্লিওপেট্রার ডুবন্ত প্রাসাদ
বিবিসি অনলাইন
মিসর সম্রাজ্ঞী ক্লিওপেট্রার প্রাসাদ শতাব্দীর পর শতাব্দী ডুবেছিল পানির তলে। ১৯৯৮ সালে একজন গ্রিক ডুবুরি এর সন্ধান পান সমুদ্র বন্দর আলেকজান্দ্রিয়ার কাছে। এখন পানির নিচ থেকে তোলা হচ্ছে প্রাচীন সব নিদর্শন। উঠছে গ্রানাইট পাথরের ছোট-বড় ব্লক। ধারণা করা হচ্ছে, রানী ক্লিওপেট্রার প্রাসাদে যে মন্দির ছিল, তার স্তম্ভগুলো তৈরি করা হয়েছিল এসব পাথর দিয়ে। আলেকজান্দ্রিয়া নগরী যে সাগরের তীরে অবস্থিত, সে সাগরের তলে এসব ডুবেছিল দেড় হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে। ৪র্থ শতাব্দীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পের প্রকোপে এই নগরী ডুবে গিয়েছিল ভূমধ্যসাগরের তলে।
প্রাসাদের ভেতর এই মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী ছিলেন আইসিস। আইসিসের মন্দিরের এসব পিলারের পাথর খণ্ডের ওজন নয় টন। ক্রেনের সাহায্যে তোলা হচ্ছে এসব পাথর। যেখান থেকে এসব লাল পাথরের স্ল্যাবগুলো তোলা হচ্ছে, সে জায়গার নাম আসওয়ান। এখানে পাওয়া জিনিসপত্র দিয়ে একটি নতুন জাদুঘর সাজানো হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। সংস্কৃতিমন্ত্রী ফারুক হোসনি বলেন, ‘আলেকজান্দ্রিয়ায় যেসব প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে, তার মধ্যে এগুলোই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত এখানে গিক প্রত্নতত্ত্ব দল মোট ৪০০ রকমের নিদর্শন আবিষ্কার করেছে।’
আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরের অদূরে সাগরতলে ডুবে আছে ক্লিওপেট্রার প্রাসাদসহ অনেক ভবন ও মনুমেন্ট। বর্তমান বছরগুলোতে বিভিন্ন ধরনের স্ফিংকস আবিষ্কার করা হয় হারবারের কাছাকাছি জায়গা থেকে। এর মধ্যে রয়েছে ফারাওদের নির্মিত আলেকজান্দ্রিয়া বাতিঘরের অংশবিশেষ। এই বাতিঘরকে প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি বলে ধরা হয়।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ডুবন্ত অবস্থায় থেকে এসব কিছুর মধ্যে জমেছিল টনকে টন কাদা। ১৯৯৮ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে ডুবুরিরা এসব কাদা পরিষ্কারের কাজ করে এসেছেন। মিসরের শীর্ষ প্রত্নতত্ত্ববিদ জাহি হাওয়াস বলেন, ‘ব্লকগুলো একেবারেই অকৃত্রিম, খাঁটি। আমাদের বিশ্বাস, এগুলো রানী ক্লিওপেট্রার প্রাসাদের আশপাশের ভবনগুলো নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আলেকজান্দ্রিয়ার প্রাচীন ইতিহাস জানার জন্য এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তা-ই নয়, এর দ্বারা মিসরের প্রাচীন ইতিহাসও আমাদের কাছে পুরোপুরি উদ্ঘাটিত হবে।’
প্রাসাদের ভেতর এই মন্দিরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী ছিলেন আইসিস। আইসিসের মন্দিরের এসব পিলারের পাথর খণ্ডের ওজন নয় টন। ক্রেনের সাহায্যে তোলা হচ্ছে এসব পাথর। যেখান থেকে এসব লাল পাথরের স্ল্যাবগুলো তোলা হচ্ছে, সে জায়গার নাম আসওয়ান। এখানে পাওয়া জিনিসপত্র দিয়ে একটি নতুন জাদুঘর সাজানো হবে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। সংস্কৃতিমন্ত্রী ফারুক হোসনি বলেন, ‘আলেকজান্দ্রিয়ায় যেসব প্রত্ননিদর্শন পাওয়া গেছে, তার মধ্যে এগুলোই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৯৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত এখানে গিক প্রত্নতত্ত্ব দল মোট ৪০০ রকমের নিদর্শন আবিষ্কার করেছে।’
আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরের অদূরে সাগরতলে ডুবে আছে ক্লিওপেট্রার প্রাসাদসহ অনেক ভবন ও মনুমেন্ট। বর্তমান বছরগুলোতে বিভিন্ন ধরনের স্ফিংকস আবিষ্কার করা হয় হারবারের কাছাকাছি জায়গা থেকে। এর মধ্যে রয়েছে ফারাওদের নির্মিত আলেকজান্দ্রিয়া বাতিঘরের অংশবিশেষ। এই বাতিঘরকে প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের একটি বলে ধরা হয়।
শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ডুবন্ত অবস্থায় থেকে এসব কিছুর মধ্যে জমেছিল টনকে টন কাদা। ১৯৯৮ সালে আবিষ্কৃত হওয়ার পর থেকে ডুবুরিরা এসব কাদা পরিষ্কারের কাজ করে এসেছেন। মিসরের শীর্ষ প্রত্নতত্ত্ববিদ জাহি হাওয়াস বলেন, ‘ব্লকগুলো একেবারেই অকৃত্রিম, খাঁটি। আমাদের বিশ্বাস, এগুলো রানী ক্লিওপেট্রার প্রাসাদের আশপাশের ভবনগুলো নির্মাণ কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল।’
তিনি বলেন, ‘আলেকজান্দ্রিয়ার প্রাচীন ইতিহাস জানার জন্য এগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শুধু তা-ই নয়, এর দ্বারা মিসরের প্রাচীন ইতিহাসও আমাদের কাছে পুরোপুরি উদ্ঘাটিত হবে।’
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


