তেলক্ষেত্র নিয়ে বিরোধের কূটনৈতিক সমাধানে রাজি ইরান-ইরাক
রয়টার্স, বিবিসি, এপি
তেলক্ষেত্র নিয়ে বিরোধের কূটনৈতিক নিষ্পত্তিতে রাজি হয়েছে ইরাক ও ইরান।
বাগদাদের অভিযোগ, ইরান তার দেশের একটি তেলক্ষেত্রের দখল নিয়েছে। ইরাকের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওই তেলক্ষেত্রটিতে শনিবারও ইরানের পতাকা উড়তে এবং তার পাশে সেনাবাহিনীর তাঁবু দেখা গেছে।
ফাক্কা অঞ্চলের সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ইরাক সরকারের মুখপাত্র আলি আল-দাবাগ শনিবার রয়টার্সকে বলেন, ‘শান্ত হতে এবং এ বিষয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে আমরা।’
ইরানের আল আলম টেলিভিশন চ্যানেল সেনাবাহিনীর বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইরাকের অভ্যন্তরে কোনো তেলকূপ দখলের কথা অস্বীকার করেছে সেনাবাহিনী।
ইরাক তেলক্ষেত্র থেকে ইরানি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে শুক্রবার ইরাকি সরকার জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক করেছে এবং এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বাগদাদে নিয়োজিত ইরানি প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠিয়েছে।
ইরানি দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দু’দেশের তেল ও সামরিক কর্মকর্তাদের একটি যৌথ কমিটি এ বিষয়টি সুরাহার দায়িত্ব পালন করবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মুখপাত্র বলেন, ‘কূটনৈতিকভাবে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’
এদিকে আমেরিকার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ইরাকে ইরানের সেনা অনুপ্রবেশ ও তেলক্ষেত্র দখলের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এডমিরাল মাইক মুলেন বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে তিনি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। তবে সমস্যা নিরসনের দায়িত্ব তেহরান ও বাগদাদের ব্যাপার। দু’দেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী। ফাক্কা তেলক্ষেত্র সম্ভবত ছেড়ে গেছে ইরানি সেনারা। এই তেলক্ষেত্রটি ইরানি সীমান্ত সংলগ্ন। সীমান্ত বরাবর এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে ১৯৮০-এর দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের পর সীমান্ত সম্পর্কে পুরোপুরি সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। যদিও দেশ দুটির সম্পর্ক যথেষ্ট আন্তরিক। ইরাকিরা বলেছে, তেলক্ষেত্র দখলের সঙ্গে আনুমানিক ১২ ইরানি সেনা জড়িত। তারা তেলক্ষেত্র দখল করে সেখানে ইরানি পতাকা উত্তোলন করে। ইরাকে মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল রে ওডিয়ের্নো সূত্রে জানা যায় যে, ইরানি সেনারা শনিবার সকালেই তেলক্ষেত্র ছেড়ে গেছে। অপরদিকে বাগদাদে এক সংবাদ সম্মেলনে মুলেন বলেন, ইরানের প্রভাবের ব্যাপারে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। এই অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করাই ইরানের লক্ষ্য আর সে কারণেই উদ্বেগ বেশি করে দেখা দিয়েছে।
বাগদাদের অভিযোগ, ইরান তার দেশের একটি তেলক্ষেত্রের দখল নিয়েছে। ইরাকের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ওই তেলক্ষেত্রটিতে শনিবারও ইরানের পতাকা উড়তে এবং তার পাশে সেনাবাহিনীর তাঁবু দেখা গেছে।
ফাক্কা অঞ্চলের সীমান্ত নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ইরাক সরকারের মুখপাত্র আলি আল-দাবাগ শনিবার রয়টার্সকে বলেন, ‘শান্ত হতে এবং এ বিষয়ে একটি শান্তিপূর্ণ সমাধানের আহ্বান জানিয়ে সামরিক অভিযান থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে আমরা।’
ইরানের আল আলম টেলিভিশন চ্যানেল সেনাবাহিনীর বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, ইরাকের অভ্যন্তরে কোনো তেলকূপ দখলের কথা অস্বীকার করেছে সেনাবাহিনী।
ইরাক তেলক্ষেত্র থেকে ইরানি সেনা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে শুক্রবার ইরাকি সরকার জরুরি নিরাপত্তা বৈঠক করেছে এবং এ বিষয়ে আলোচনার জন্য বাগদাদে নিয়োজিত ইরানি প্রতিনিধিকে ডেকে পাঠিয়েছে।
ইরানি দূতাবাসের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, দু’দেশের তেল ও সামরিক কর্মকর্তাদের একটি যৌথ কমিটি এ বিষয়টি সুরাহার দায়িত্ব পালন করবে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মুখপাত্র বলেন, ‘কূটনৈতিকভাবে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।’
এদিকে আমেরিকার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা ইরাকে ইরানের সেনা অনুপ্রবেশ ও তেলক্ষেত্র দখলের ব্যাপারে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। এডমিরাল মাইক মুলেন বলেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রীকে তিনি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। তবে সমস্যা নিরসনের দায়িত্ব তেহরান ও বাগদাদের ব্যাপার। দু’দেশের কর্মকর্তারা বলেছেন, তারা কূটনৈতিক সমাধানে আগ্রহী। ফাক্কা তেলক্ষেত্র সম্ভবত ছেড়ে গেছে ইরানি সেনারা। এই তেলক্ষেত্রটি ইরানি সীমান্ত সংলগ্ন। সীমান্ত বরাবর এর আগেও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে। তবে ১৯৮০-এর দশকে ইরাক-ইরান যুদ্ধের পর সীমান্ত সম্পর্কে পুরোপুরি সংজ্ঞায়িত করা হয়নি। যদিও দেশ দুটির সম্পর্ক যথেষ্ট আন্তরিক। ইরাকিরা বলেছে, তেলক্ষেত্র দখলের সঙ্গে আনুমানিক ১২ ইরানি সেনা জড়িত। তারা তেলক্ষেত্র দখল করে সেখানে ইরানি পতাকা উত্তোলন করে। ইরাকে মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল রে ওডিয়ের্নো সূত্রে জানা যায় যে, ইরানি সেনারা শনিবার সকালেই তেলক্ষেত্র ছেড়ে গেছে। অপরদিকে বাগদাদে এক সংবাদ সম্মেলনে মুলেন বলেন, ইরানের প্রভাবের ব্যাপারে আমরা সবাই উদ্বিগ্ন। এই অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করাই ইরানের লক্ষ্য আর সে কারণেই উদ্বেগ বেশি করে দেখা দিয়েছে।
-
আন্তর্জাতিক


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


