কাঁচা পাট রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হচ্ছে না
আতিয়ার পারভেজ, খুলনা
পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী বাংলাদেশ জুট অ্যাসোসিয়েশনকে (বিজেএ) শর্ত দিয়েছেন রাষ্ট্রায়ত্ত ২১টি জুট মিলকে ৪ লাখ বেল পাট দিতে হবে। এ শর্ত অনুযায়ী এরই মধ্যে ৩ লাখ বেল পাট জোগাড় করেছে বিজেএ। বাকি পাট আজ-কালের মধ্যে সংগৃহীত হবে। আর এ পাটের মূল্য নির্ধারণের জন্য আজ বিকালে বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন (বিজেএমসি) ও বিজেএ’র সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা। এ শর্ত মানার পরও কাঁচা পাট রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার ব্যাপারে কোনো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন না মন্ত্রী।
পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী মঙ্গলবার রাতে বিজেএ নেতাদের বাসায় ডেকে জরুরি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বিজেএ ৭ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আরোপিত কাঁচা পাট রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানায়। এসময় মন্ত্রী ৭ লাখ বেল পাট রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোতে সরবরাহ দেয়ার কথা বলেন। একপর্যায়ে আলোচনাসাপেক্ষে ৪ লাখ বেল পাট দেয়ার ব্যাপারে উভয় পক্ষ রাজি হয়। কিন্তু তারপরও মন্ত্রী রফতানি আদেশ প্রত্যাহারের ব্যাপারে অনড় থাকেন। তবে ওই বৈঠকে মন্ত্রী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রফতানির প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় ৬০ লাখ টাকার পাট ছাড় দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আগামীকালের বৈঠকে এ বিষয়টি ফয়সালা হওয়ার কথা আছে।
বিজেএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রফতানিকারকদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই পাট মন্ত্রণালয় থেকে কাঁচা পাট রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ ব্যাপারে বিজেএ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি তাদের এড়িয়ে চলছিলেন। আজ-কাল বলে গত বৃহস্পতিবার থেকে কালক্ষেপণ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার আমার দেশ-এ ‘বৈঠক নিয়ে পাটমন্ত্রীর কালক্ষেপণের অভিযোগ : আন্দোলন থামাতে আংশিক রফতানির অনুমতি হতে পারে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই মন্ত্রী মঙ্গলবার রাত ৮টায় তড়িঘড়ি করে বিজেএ কর্মকর্তাদের তার বাসায় ডেকে জরুরি বৈঠক করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আশরাফুল মকবুল, বিজেএ চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন, বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান টিডি মিত্র, পাট রফতানিকারক আলহাজ শরীফ মোঃ ফজলুর রহমান, আলহাজ মাহফুজুল হক, মোঃ রেজাউল করিম, আবদুল সোবহান শরীফ, আরজু রহমান ভুঁইয়া, শেখ সৈয়দ আলী, মোঃ সেলিম রেজা, নেয়াজ আহমেদ, শহীদুল্লাহ সরকার, পল্টু কুমার রায় ও সিরাজুল ইসলাম।
বিজেএ চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, মন্ত্রীর কথামত ৪ লাখ বেল পাট সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত ৫০ জনের মতো রফতানিকারকের কাছ থেকে ৩ লাখ বেল দেয়ার প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছি। বাকি ১ লাখ বেল আজকের মধ্যে সংগৃহীত হবে। এ পাটের মূল্য নির্ধারণের জন্য আজ বিকালে বিজেএমসি চেয়ারম্যান টিডি মিত্রের সঙ্গে বৈঠক হবে। উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণের পর আগামীকাল এ বিষয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা আছে। সেখানে ৪ লাখ বেল পাট দেয়ার ব্যাপারে চুক্তি সম্পন্ন হবে।
এদিকে রফতানিকারকদের একটি সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ বা কালক্ষেপণ হলে রফতানির জন্য অপেক্ষায় থাকা অধিকাংশ পাট ভারতে পাচার হয়ে যাবে। এজন্য আগামীকালের বৈঠক ফলপ্রসূ না হলে বিজেএ কঠোর আন্দোলনে যাবে।
উল্লেখ্য, ৭ ডিসেম্বর সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে পাট সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। রফতানিকাররা বলেছেন, দেশে মোট উত্পাদিত পাটের ৬০ লাখ বেলের মধ্যে ৩২ লাখ বেল অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রয়োজন। বাকি পাট ভারত, পাকিস্তান, চীন, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলে রফতানি করা হয়।
পাটমন্ত্রী আবদুল লতিফ সিদ্দিকী মঙ্গলবার রাতে বিজেএ নেতাদের বাসায় ডেকে জরুরি বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে বিজেএ ৭ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আরোপিত কাঁচা পাট রফতানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানায়। এসময় মন্ত্রী ৭ লাখ বেল পাট রাষ্ট্রায়ত্ত মিলগুলোতে সরবরাহ দেয়ার কথা বলেন। একপর্যায়ে আলোচনাসাপেক্ষে ৪ লাখ বেল পাট দেয়ার ব্যাপারে উভয় পক্ষ রাজি হয়। কিন্তু তারপরও মন্ত্রী রফতানি আদেশ প্রত্যাহারের ব্যাপারে অনড় থাকেন। তবে ওই বৈঠকে মন্ত্রী ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত রফতানির প্রক্রিয়ায় থাকা প্রায় ৬০ লাখ টাকার পাট ছাড় দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আগামীকালের বৈঠকে এ বিষয়টি ফয়সালা হওয়ার কথা আছে।
বিজেএ’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রফতানিকারকদের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই পাট মন্ত্রণালয় থেকে কাঁচা পাট রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়। এ ব্যাপারে বিজেএ মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি তাদের এড়িয়ে চলছিলেন। আজ-কাল বলে গত বৃহস্পতিবার থেকে কালক্ষেপণ করছিলেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার আমার দেশ-এ ‘বৈঠক নিয়ে পাটমন্ত্রীর কালক্ষেপণের অভিযোগ : আন্দোলন থামাতে আংশিক রফতানির অনুমতি হতে পারে’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপরই মন্ত্রী মঙ্গলবার রাত ৮টায় তড়িঘড়ি করে বিজেএ কর্মকর্তাদের তার বাসায় ডেকে জরুরি বৈঠক করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব আশরাফুল মকবুল, বিজেএ চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন, বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান টিডি মিত্র, পাট রফতানিকারক আলহাজ শরীফ মোঃ ফজলুর রহমান, আলহাজ মাহফুজুল হক, মোঃ রেজাউল করিম, আবদুল সোবহান শরীফ, আরজু রহমান ভুঁইয়া, শেখ সৈয়দ আলী, মোঃ সেলিম রেজা, নেয়াজ আহমেদ, শহীদুল্লাহ সরকার, পল্টু কুমার রায় ও সিরাজুল ইসলাম।
বিজেএ চেয়ারম্যান শেখ ফারুক হোসেন জানিয়েছেন, মন্ত্রীর কথামত ৪ লাখ বেল পাট সংগ্রহের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। গতকাল পর্যন্ত ৫০ জনের মতো রফতানিকারকের কাছ থেকে ৩ লাখ বেল দেয়ার প্রতিশ্রুতি আমরা পেয়েছি। বাকি ১ লাখ বেল আজকের মধ্যে সংগৃহীত হবে। এ পাটের মূল্য নির্ধারণের জন্য আজ বিকালে বিজেএমসি চেয়ারম্যান টিডি মিত্রের সঙ্গে বৈঠক হবে। উভয় পক্ষের আলোচনার ভিত্তিতে মূল্য নির্ধারণের পর আগামীকাল এ বিষয়ে মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা আছে। সেখানে ৪ লাখ বেল পাট দেয়ার ব্যাপারে চুক্তি সম্পন্ন হবে।
এদিকে রফতানিকারকদের একটি সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা ব্যর্থ বা কালক্ষেপণ হলে রফতানির জন্য অপেক্ষায় থাকা অধিকাংশ পাট ভারতে পাচার হয়ে যাবে। এজন্য আগামীকালের বৈঠক ফলপ্রসূ না হলে বিজেএ কঠোর আন্দোলনে যাবে।
উল্লেখ্য, ৭ ডিসেম্বর সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে পাট সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। রফতানিকাররা বলেছেন, দেশে মোট উত্পাদিত পাটের ৬০ লাখ বেলের মধ্যে ৩২ লাখ বেল অভ্যন্তরীণ বাজারে প্রয়োজন। বাকি পাট ভারত, পাকিস্তান, চীন, থাইল্যান্ড ও ব্রাজিলে রফতানি করা হয়।
-
জাতীয়


সাধারণ বিভাগ
আবহাওয়া


